নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ নভেম্বর, ২০১৫ ১৫:১৯

‘ফাঁসি’, ‘ফাঁসি’ স্লোগানে প্রকম্পিত আদালত প্রাঙ্গণ

স্কুল ছাত্র শিশু আবু সাঈদের হত্যা মামলার রায় শুনতে সকাল থেকেই আদালত এলাকায় ভীড় করেন সাধারণ মানুষ। তবে সকালে আসামীদের হাজির না করায় রায় বিলম্বে হবার আভাস পাওয়া যায়। বেলা ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে অভিযুক্ত ৪ আসামীকে আদালতে নিয়ে আসার পর উত্তেজিত সাধারণ মানুষ- ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই স্লোগান দিতে শুরু করেন।

এ সময় সাঈদের স্বজন,  সাংবাদিক ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে ব্যাপক সমাগম তৈরি হয়ে।

বিকেল সোয়া তিনটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রায় ঘোষিত না হলেও যেকোন মুহুর্তে রায় দেয়া হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। আলোচিত এই মামলার রায় উপলক্ষ্যে নেয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নভেম্বরে সিলেটের কুমারগাঁওয়ের শিশু রাজন, খুলনার শিশু রাকিব হত্যা মামলার রায়ের এই মামলাটি এ যাবতকালের সবচেয়ে আলোচিত মামলা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সকাল সাড়ে ১১টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রায় ঘোষিত হয়নি। বিচারক এজলাসে বসে অন্যান্য মামলার কাজ করছেন। এখনো আসামীদেরও কারাগার থেকে আদালতে নিয়ে আসা হয় নি।

সাঈদ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামীদের শাস্তি দাবিতে সাধারণ মানুষও জড়ো হয়ে স্লোগান দিচ্ছেন বলে দেখা গেছে।

গত ১৭ নভেম্বর সাঈদ অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেন। অভিযুক্ত ৪ জন হচ্ছেন নগরীর বিমানবন্দর থানার কনস্টেবল (বরখাস্তকৃত) এবাদুর রহমান পুতুল, র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব ও প্রচার সম্পাদক মাহিব হোসেন মাসুম। এরা সবাই কারান্তরীণ রয়েছেন।

চলতি বছরের ১১ মার্চ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরীর রায়নগর থেকে স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়।

এরপর ১৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় বিমানবন্দর থানার পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের কুমারপাড়াস্থ ঝর্ণারপাড় সবুজ-৩৭ নং বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত