নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৬:২৫

ওসমানীনগরে মুখোমুখি আ.লীগ ও যুবলীগ, ১৪৪ ধারা জারি

সিলেটের ওসমানীনগরে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ। দুইপক্ষ পাল্টাপাল্টি সমাবেশ আহ্বান করায় সংঘাত এড়াতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শওকত আলী এ ১৪৪ ধরা জারি করেন।

১৪৪ ধারা জারির পর গোয়ালাবাজার, তাজপুর ও কদমতলা বাজার এলাকায় মাইকিং করে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুরসালিন ১৪৪ ধরা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ওসমানীনগরে একই স্থানে আওয়ামীলীগ ও যুবলীগ অনুষ্ঠান করার ঘোষণা দেয়। আজ (বুধবার) দুপুর ২ টায় ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার মাইক্রোবাস স্ট্যান্ডে যুবলীগের বিজয়দিবসের অনুষ্ঠান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্প্রতি শ্রমিকলীগের সম্মেলনে যুবলীগের হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের আয়োজক আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ নেতাকর্মীরা বিপরীত বলয়ের হওয়ায় এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় পক্ষে পৃথক পৃথক অনুষ্ঠানের সফলের লক্ষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা আ’লীগের পক্ষ থেকে সিএনজি যোগে মাইকিং বের করা হয়। রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তাজপুরস্থ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান সোহেলের বাসার সামনে মাইকিংয়ে নিয়োজিত লোকজনকে মারপিট করে অটোরিকশাটি ভাংচুর করে করা হয়।

উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার গাড়ির মাইক ভাংচুরের প্রতিবাদ ও অন্যান্য দাবিতে পূরণের মঙ্গলবার রাতে তাজপুর বাজার এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা। রাত সাড়ে ৮ টা থেকে সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান নাজলু ও তার সমর্থকরা এ অবরোধে নেতৃত্ব দেন।

প্রসঙ্গত, বিগত ২১ নভেম্বর বিকালে গোয়ালাবাজারস্থ শাদীমহল কমিউনিটি সেন্টারে শ্রমিক লীগের সম্মেলন চলাকালে আওয়ামীলীগ নেতা নাজলু ও যুবলীগ নেতা সোহেলের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে ওই দিন সন্ধ্যায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নাজলু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বেশক’টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। এর প্রতিবাদে আওয়ামীলীগ আজ গোয়ালাবাজার মাইক্রবাস স্ট্যান্ডে সমাবেশের ডাক দেয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত