০৩ ডিসেম্বর, ২০১৫ ০০:৫০
সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীবের ‘আর্থিক ও প্রশাসনিক’ ক্ষমতা প্রয়োগের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। এরফলে আগামী ৬ মাস তিনি সিসিকের আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনে প্যানেল মেয়র-৩ কাউন্সিলর এডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজের পক্ষে দাখিল করা একটি রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বুধবার এই রুল জারি করেন।
জানা গেছে, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী কারান্তরীণ হওয়ার পর ভারপ্রাপ্ত মেয়র পদ নিয়ে প্যানেল মেয়র-১ রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও প্যানেল মেয়র-২ এডভোকেট সালেহ আহমদ চৌধুরীর মধ্যে আইনী লড়াই শুরু হয়। এ নিয়ে হাইকোর্টে পাল্টাপাল্টি মামলাও করেন দু'জন।
এ অবস্থায় নির্বাচিত ৩ প্যানেল মেয়রেকে বাদ দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাবীবকে কর্পোরেশনের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করে।
এই আদেশের বিরুদ্ধে প্যানেল মেয়র-৩ কাউন্সিলর এডভোকেট রোকশানা বেগম শাহনাজ উচ্চ আদালতে একটি রিট করেন।
রোকসানা বেগমের আইনজীবী এডভোকেট কামরুজ্জামান সেলিম জানান, স্থানীয় সরকার বিধিমালা অনুযায়ী প্যানেল মেয়রদের বাদ দিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদানের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করা হয়।
তিনি জানান, আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে কারণ দর্শানোর জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব (স্থানীয় সরকার বিভাগ), সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্যানেল মেয়র-১ রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও প্যানেল মেয়র-২ এডভোকেট সালেহ আহমদ চৌধুরীকে নির্দেশ প্রদান করেন।
পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদানের নির্দেশনার ব্যাপারে ৬ মাসের জন্য স্থিতাবস্থার নির্দেশও প্রদান করেন।
আপনার মন্তব্য