২৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ১২:৫২
তীব্র শীতের উপেক্ষা করে সকালে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২ টি ও পার্শ্ববর্তী রাজনগর উপজেলার ৮টিসহ মোট ২০ টি ইউনিয়নের ১৯১ টি ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ।
রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় এ দুই উপজেলার ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা। ভোট গ্রহণ চলবে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
এর আগে, শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলের মধ্যে নির্বাচন কার্যালয় থেকে ২টি উপজেলার ১৯১টি কেন্দ্রের ব্যালট বাক্স, ব্যালট পেপারসহ সকল নির্বাচনী সকল সরঞ্জাম পুলিশ ও আনসার সদস্যসহ প্রিজাইডিং অফিসারগন স্ব-স্ব কেন্দ্রে নিয়ে গেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রতিটি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার হাতে এসব নির্বাচনী সরঞ্জাম তুলে দেয়া হয়েছে।
জেলা নির্বাচন অফিস ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ১১৪ টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছেন দু’লক্ষ ৯ হাজার ১শত ৫৯ জন। যেখানে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকের ১২ জন প্রার্থী, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ৬০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এতে মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৪২৯ জন ও নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৪০ জন প্রার্থী।
অপরদিকে জেলা সদরের পার্শ্ববর্তী রাজনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৭৭টি ভোট কেন্দ্রেও শুরু হয়েছে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ। এ উপজেলায় মোট ভোটার রয়েছেন ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৭শ ১জন। সেখানে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী,বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্রসহ মোট ৩৩জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর সংরক্ষিত নারী সদস্য হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ৯৬ জন ও মেম্বার পদে মোট ৩শ ২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
নির্বাচনকে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রশাসন নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলা হয়েছ। রাজনগর উপজেলার ৮ ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ সদস্য ৫২০ জন, পেট্রোল পার্টি ৮টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ৮টি, সেক্টর টিম ২টি, আনসার সদস্য ১২৯২ জন, বিজিবি সদস্য ৬০ জন, বিজিবি পেট্রোল পার্টি ৬টি, র্যাব ২৪ জন এবং র্যাব পেট্রোল পার্টি ৩টি। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ সদস্য ৬৮৬ জন, পেট্রোল পার্টি ২০টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ২০টি, সেক্টর টিম ২টি, আনসার সদস্য ১৯৩৮ জন, বিজিবি সদস্য ৬০ জন, বিজিবি পেট্রোল পার্টি ৬টি, র্যাব ২৪ জন এবং র্যাব পেট্রোল পার্টি ৩টি।
আপনার মন্তব্য