০১ ফেব্রুয়ারি , ২০২২ ২২:৫০
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে ২ একর ভূমিতে কুরমাঘাট-কমলপুর বর্ডার হাট নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বর্ডার হাটের নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করা হবে। এতে ভারতীয় রুপী হিসাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
বাংলাদেশের বানিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি এমপি ও ভারতের ত্রিপুরা সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বর্ডার হাট নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এদিকে মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুরমাঘাট-কমলপুর বর্ডার হাটের স্থান পরির্দশন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনার ড. বিনয় জর্জ। তিনি সেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের অংশের জায়গা ঘুরে দেখেন।
এসময় ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাই কমিশনার নিরাজ কুমার জয়সওয়াল, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট রুমানা ইয়াসমিন, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোমাইয়া আক্তার, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) শহীদুল হক মুন্সীসহ বিজিবি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, কমলগঞ্জের ইসলামপুর কুরমা সীমান্তের ১৯০৩/৩৩ এস পিলারের কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ধলই জেলার কমলপুর এলাকার নোম্যান্স ল্যান্ড উভয় দেশের সমপরিমাণ ২ একর জায়গায় বর্ডার হাট নির্মাণ করা হচ্ছে। হাটের বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে এবং ভারতের দিকে আরেকটি ফটক থাকবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে মূল অনুষ্ঠানটি ভারতের ত্রিপুরার কমলপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত হবে। সপ্তাহে দুই দিন মঙ্গলবার ও শুক্রবার এই হাট বসবে। তবে স্থানীয়দের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় একাধিক দিনেও হাট বসার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাটে বেচাকেনা করা যাবে। তৈরি পোশাক, বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য, শাকসবজি, ফলমূল, মাছ, মুরগি, শুঁটকি, সুপারি প্রভৃতি পণ্য বেচাকেনা চলবে বর্ডার হাটে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক জানান, সীমান্ত হাটের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা। বিজিবি নিরাপত্তা, চোরাচালান প্রতিরোধ তা সার্বক্ষনিকভাবে মনিটর করে থাকবে। সীমান্ত হাটের আশপাশের ৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বসবাসরত জনগণ এই হাট থেকে পণ্য সামগ্রী ক্রয় করার সুযোগ পাবেন।
আপনার মন্তব্য