০৯ ডিসেম্বর, ২০১৫ ০০:৫১
সিলেট বিভাগে ১৬টি পৌরসভায় এবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে প্রার্থী যাছাই বাছাই। আজ প্রতীক পেয়ে প্রচারণা শুরু করবেন প্রার্থীরা। মেয়র-কাউন্সিলর প্রার্থীরা ছুটবেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।
নির্বাচনে কারা বিজয়ী হবেন, তা ভোটাররাই নির্ধারণ করে দেবেন। তবে একটি জায়গায় নির্বাচনের আগেই অপ্রতিদ্বন্দ্বি খালেদা বেগম। সিলেট বিভাগের মধ্যে একমাত্র নারী মেয়র প্রার্থী তিনি। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে একমাত্র নারী মেয়র পদপ্রার্থী হয়েছেন খালেদা বেগম। তিনি ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাঠে লড়াই করছেন।
শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী সাতজন। এই পৌরসভায় নারী ভোটার রয়েছেন ৭ হাজার ৫২৮ জন। এই ভোটারদের নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে পারলেই জয়ে মুকুট পরতে পারেন খালেদা।
এ ব্যাপারে খালেদা বেগম বলেন, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি। তিনি ২০০৪ সালে পৌরসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডের (৪, ৫ ও ৬ ওয়ার্ড) কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। এ সময় ব্যাপক জনসেবা করেছেন।
খালেদা বেগম আরো জানান, এ সেবামূলক কর্মকান্ড আরো জোরদার করতে তিনি এবার সাহস করে মেয়র পদে প্রার্থী হয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে নারী নির্যাতন, মাদক নিয়ন্ত্রণসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে কাজ করবেন।
তিনি বলেন, ‘পার্টি আমাকে সৎ ও যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিয়েছে। পার্টির প্রধানের এ আস্থার প্রতিদান দিতে চাই। আমার তেমন টাকা-পয়সা নেই। তবে মনের শক্তি অনেক।’ অনেকেই তাকে নানাভাবে সহযোগিতা করছেন বলেও জানান খালেদা বেগম।
ভোটার সাজু মিয়া বলেন, খালেদা বেগম প্রার্থী হয়ে নারী মহলকে সম্মানী করেছে।
নারী ভোটার নাজমা, সাজনা, রেহানা, হাফিজা বলেন, ‘আমরা যে চিন্তা করতে পারিনি, খালেদা পেরেছেন। তাকে আমরা ভোট নয় শুধু, সার্বিকভাবে সহযোগিতা করব।’ অনেকে মনে করেন, এবার ভোটের হিসাব পাল্টে যেতে পারে। কারণ একমাত্র নারী মেয়র প্রার্থী হয়েছেন খালেদা বেগম।
উল্লেখ্য, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় নয়টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ১৯৭। এর মধ্যে নারী ৭ হাজার ৫২৮ ও পুরুষ ৭ হাজার ৫৬৯।
আপনার মন্তব্য