২৭ ডিসেম্বর, ২০১৫ ১৮:০৯
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, যদি কেউ বলে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়নি তবে তাদের ঘৃণা ভরে প্রত্যাখান করা উচিত। এরকম কুরুচীপূর্ণ বক্তব্য যারা দেয় তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না।
রবিবার বিকেলে সিলেটের ওসমানীনগরের ৭ নং দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদে 'নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে গণজমায়েত' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
ড. মিজান বলেন, জাতীয় জীবনে আমাদের অনেক অর্জন রয়েছে। সেই অর্জনগুলোর সমান অংশীদার নারী পুরুষ সকলে। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই নারী কে? আমার মা, স্ত্রী, কন্যা। নারীর কোন রুপকে খাটো করে দেখার অধিকার কারো নেই। ধর্মীয় বইপুস্তকেও নারীকে অনেক উচুতে স্থান দেওয়া হয়েছে। যদি আমরা নিজেদের সভ্য বলে দাবি করি তবে নারীর প্রতি সহিংস আচরণ প্রতিরোধ করতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু শারিরীক নয়, মানসিক নির্যাতনও প্রতিরোধ করতে হবে। বাল্যবিবাহ সহিংসতারই বহিঃপ্রকাশ। যার বাল্যবিবাহ হয় তার শৈশবকেই হত্যা করা হয়।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, তিনটি উদ্দ্যেশে মুক্তিযুদ্ধ করা হয়েছিলো- সমতা, সামাজিক ন্যায় বিচার ও মানবসত্ত্বার জন্য। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য নয়, মানবাধিকার রক্ষার জন্য।
দয়ামীর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন আব্দুল হাই মোশাহিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শওকত আলী, এডভোকেট মুজিবুল হক, ফয়জুর রহমান ফয়েজ প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য