মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

১৭ ডিসেম্বর, ২০২২ ২০:৪৩

কমিটিতে জামায়াত-বিএনপির নেতা-কর্মী, আ.লীগের একাংশের প্রত্যাখান

রাজনগর উপজেলা

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি প্রকাশ হওয়ার ৪ দিনের মাথায় প্রত্যাখান করেছে দলের একাংশ।

নবগঠিত কমিটিতে জামাত-বিএনপির নেতা-কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। শনিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে তারা নতুন কমিটি প্রত্যাখান করেছেন।

নেতা-কর্মীরা দাবি করেন- অগঠনতান্ত্রিক ভাবে ওই কমিটি গঠন করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, কমিটিতে স্থান পাওয়া অনেকেই পূর্বে বিএনপি, জামায়াত ও জাসদের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

প্রত্যাখানকারীরা বলছেন, অগঠনতান্ত্রিক ভাবে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত অনেক নেতাকর্মীকে পরিকল্পিতভাবে কমিটিতে রাখা হয়নি।

জানা যায়, দীর্ঘ ২৫ বছর পর বিগত ২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটির সভাপতি করা হয় মরহুম মিছবাহুদ্দোজা ভেলাই ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় মিলন বখতকে। এদিকে ২০২০ সালের ২৪ মার্চ সভাপতি মৃত্যু বরণ করলে আলোর মুখ দেখেনি পূর্ণাঙ্গ কমিটি। উপজেলা আওয়ামী লীগকে একাই নেতৃত্বদেন সাধারণ সম্পাদক মিলন বখত। ৩ বছর পর বিগত ১৩ ডিসেম্বর ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করে জেলা আওয়ামী লীগ। প্রকাশিত প্যাডে তারিখ ছিল ২০২১ সালের ২৭ মে। কিন্তু একাংশের নেতাকর্মীরা এ কমিটি মেনে নেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য মো. শাহজাহান খান, নারী ভাইস চেয়ারম্যান মুক্তি চক্রবর্তী, নিবারণ ঘোষ ভজন, ইউপি চেয়ারম্যান ও সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য টিপু খান, সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য সাদিকুর রহমান, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কায়েস আহমদ, সাইফুল আলম, আবু মিয়া, শওকতুজ্জামান, ফজর আলী, গোলাম কিবরিয়া মিলন, সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য লুৎফুর রহমান লেবু, এম সোহেল আলম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান বলেন, ‘যাছাই বাছাই করে দলের ত্যাগী নেতাদের কমিটিতে রাখা হয়েছে। যারা সংবাদ সম্মেলন করে ওই কমিটিকে প্রত্যাখান করেছে মূলত তারা নিজেরাই অগঠনতান্ত্রিকভাবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে।’

আপনার মন্তব্য

আলোচিত