নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল, ২০২৩ ২৩:২১

বেতপণ্যের জিআই স্বীকৃতি আদায়ে ডিসিকে নথি হস্তান্তর

সিলেটের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে বেতশিল্পের স্বীকৃতি আদায়ে নথিপত্র তৈরি করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি (এমইউ)। এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে এই নথি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক মজিবর রহমানের হাতে নথিপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ই-বিজনেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট উম্মে সায়মা।

এমইউ উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক জানান, বেতশিল্প ও শীতলপাটি ছাড়াও কমলালেবু, সাতকরা, জারালেবু, আদালেবু, চুঙ্গাপিঠা, চা, জলঢুপের আনারস, শ্রীমঙ্গলের লেবু, খাসিয়া পান, রানী মাছ, সিলিকা বালু প্রভৃতির জন্য সারাবিশ্বে সিলেটের সুনাম রয়েছে। এসব পণ্যের জিআই সনদ পাওয়ার ব্যাপারে নথিপত্র তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এমইউ। প্রথম পর্যায়ে বেতশিল্পের নথি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক শিগগিরই জিআই পণ্য হিসেবে বেতশিল্পের স্বীকৃতি আদায়ে নথিপত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান উপাচার্য।

সিলেটের বেতশিল্প প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো। সৌখিন ও বাণিজ্যিকভাবে বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্য তৈরির লিখিত ইতিহাস রয়েছে। বছরের পর বছর ধরে সিলেটের বেতের তৈরি আসবাব দেশ-বিদেশে বিক্রি করা হচ্ছে।

সিলেট নগরীর বেতশিল্প এলাকা ঘাসিটুলা। বেতবাজার নামেও এলাকাটি পরিচিত। ১৮৮৩ সালে ইংল্যান্ডের প্রদর্শনীতে বেতের একটি ছোটঘর সিলেট থেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই প্রদর্শনীর পর সিলেটের বেতশিল্প আরও প্রচার পায়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত