রেজুওয়ান কোরেশী, জগন্নাথপুর

১৯ অক্টোবর, ২০২৩ ১৯:১৯

জগন্নাথপুরে জমজমাট পূজার কেনাকাটা

শেষ সময়ে এসে জমে উঠেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পূজোর বাজার। শহরের ফ্যাশন হাউজ ও মার্কেটগুলো সেজেছে পূজোর পোশাকে। পূজা চলবে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে, তাই মাত্র একটি পোশাকে কী হয়?

এদিকে পূজা উপলক্ষে কাপড়ের মার্কেট ও বিপণী বিতানের দোকান বা শো-রুমে লাল-সাদার সালোয়ার-কামিজসহ বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙের পোশাক রয়েছে। আরো আছে শাড়ি, ফতুয়া ও উজ্জ্বল রঙের ওড়না। ছেলেদের জন্যে এসেছে বাহারি সব ডিজাইনের ধুতি ও শর্ট পাঞ্জাবি। বিক্রিতে পিছিয়ে নেই জুতা, তৈরি পোশাক ও প্রসাধনী দোকানগুলো।

এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাজারে এসেছে এপেক্স, বাটা, ওরিয়নসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নতুন নতুন ডিজাইনের জুতো। শারদোৎসবের পোশাকে লাল শক্তির আর সাদা শুভ্রতার প্রতীক হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে।

বিক্রেতারা জানান, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির কারণে বিক্রিতে ভাটা পড়েছিলো। তবে বৃষ্টি কমার পর থেকেই পূজোর কেনাকাটা জমে ওঠেছে।

তারা জানান, এবার পূজায় শাড়ি, থ্রী-পিচ ও কাটা থ্রী-পিচ বিক্রি ভালই যাচ্ছে। জামদানি, বালুচুরী ও কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি। শিশুদের পোশাকেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ডিজাইন।

ক্রেতা দিপালী রানী ঘোষ জানান, পূজার শাড়ি মানেই লাল পাড়ে সাদা শাড়ি। তাই দশমীর জন্যে লাল-সাদা সিল্ক শাড়ি কিনেছি।

বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) শহরের মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সনাতনী পরিবারের লোকজন পূজার কেনাকাটার জন্যে এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে যাচ্ছেন আর পছন্দ অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন এবং সমান তালে মেয়েরা ভিড় করছেন শাঁখা-সিঁদুরের দোকানে।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মিজানুর রহমান বলেন, মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত