তামিম রহমান, বিয়ানীবাজার

২৩ মে, ২০২৪ ০০:১৪

বিয়ানীবাজারে সরব ৮ প্রার্থী, লড়াই হতে পারে ত্রিমুখী

আসন্ন বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন নয়জন। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। শুরু করেছেন জনসংযোগ নিজ নিজ প্রতীকের পোস্টার টানানোর পাশাপাশি মাইকেও প্রচারণা চলছে।

ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। গ্রাম থেকে হাটবাজার এমনকি পাড়া-মহল্লা চলছে প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আলোচনা-সমলোচনা। প্রার্থীদের অতীত বর্তমান নিয়ে করে যাচ্ছেন চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই নির্বাচনী মাঠে সরব সবাই।


প্রতীক পেয়েই প্রচারে নেমে পড়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল (মোটরসাইকেল)। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব (হেলিকপ্টার), সাবেক এই ছাত্রনেতার নিজস্ব একটি গ্রুপিং বলয় রয়েছে। নিজের অনুসারীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন পল্লব। দিনরাত ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজের জন্য ভোট চাচ্ছেন। অনেক জায়গায় গিয়ে দিচ্ছেন উন্নয়নমূলক প্রতিশ্রুতি।

মাঠে রয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতাউর রহমান খান (টেলিফোন), এক প্রান্তে থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন। সাবেক ছাত্রনেতা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মাদ জাকির হোসেন (কৈ মাছ) মাঠে ময়দানে গিয়ে জোরেশোরেই প্রচারণা করছেন। গত নির্বাচনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবারের নির্বাচনে তিনি। মোহাম্মদ জামাল হোসেন (আনারস), বর্তমান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুযোগ কাজে লাগাতে বিভিন্ন পাড়া, মহল্লা ও হাটবাজারে প্রচার- প্রচারণা করে বেড়াচ্ছেন।  প্রভাষক জহির উদ্দিন (ঘোড়া), লাউতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গৌছ উদ্দিন (শালিক) সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল বারী (দোয়াত কলম)ও জাকির হোসেন সুমন (কাপ-পিরিচ) প্রতীক পেয়েছেন।
এবার উপজেলার প্রভাবশালী নেতারা কোথাও প্রকাশ্যে কোথাও অপ্রকাশ্যে পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছেন। প্রার্থীরা তাদের মতো করে নিজেদের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আসতে হবে এমনটাই মনে করেছেন ভোটাররা। তাদের কর্মী-সমর্থকরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। গণসংযোগ থেকে শুরু করে পথসভা, উঠান বৈঠক করে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। শুধু মাঠে ময়দানেই নয় প্রযুক্তির কল্যাণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ভোটের প্রচারণা।

একাধিক ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে- এ বছর বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচনে রয়েছেন হেভিওয়েট তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে অনেকে মনে করছেন। তবে অনেকে আবার দুশ্চিন্তায় আছেন সময় ঘনিয়ে আসার সাথে ভোটের সমীকরণ হয়তো পাল্টেও যেতে পারে। ৯টি ইউনিয়নে সময় যত গড়াচ্ছে ভোটের মাঠে রঙ বার বার পাল্টাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত