০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ০৩:৪০
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে নারী শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত লায়েক খান ক্ষমা প্রার্থনা ও লিখিত মুচলেকায় দিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘৃণিত কোন কর্মকাণ্ড না করার অঙ্গীকার করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা সেনা ক্যাম্পে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত লায়েক খান ভাষা রায়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
এ সময় শিক্ষক ভাষা রায়সহ উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রাপ্রু চাই মারমা, উপজেলা শিক্ষা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি রূপক কান্তি দে, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিশী কান্ত রায়, উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি আতাহার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র দাস, প্রধান শিক্ষক বিজয় কৃষ্ণ ক্ষত্রিয়, জালাল উদ্দিন, মনির হোসেন, বিমল তালুকদার, শংকর চন্দ্র নাথ,
সহকারী শিক্ষক নুরুল হক, রুহুল আমীন, নোমান হোসেন সাদী, বাচ্চু কুমার গোপ, শরিফুল মামুন, সুন্মিতা দাশ প্রমুখ।
উপজেলা শিক্ষা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি রূপক কান্তি দে বলেন, অভিযুক্ত লায়েক খান ক্ষমা প্রার্থনা করে লিখিত মুচলেকায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘৃণিত কোন কর্মকাণ্ড না করার অঙ্গীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের আটঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান চলমান অবস্থায় আটঘর গ্রামের লায়েক খান শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ওই নারী শিক্ষকের চুলের মুঠি ধরে মারপিট শুরু করেন। পরে অন্য শিক্ষকরা তাঁকে রক্ষা করেন। এরপর এক পক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা করেন। এতে উপজেলার শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে শনিবার উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক পরিবারের আয়োজনে অবস্থান কর্মসূচি পালন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।
আপনার মন্তব্য