১৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৬ ০০:১৩
সিলেটের ওসমানীনগরে এক অনুষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন মামলার এক আসামী ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের পাশে থেকে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ারের প্রেক্ষাপটে একই মাধ্যমে সরকার সমর্থকদের হতাশা ও ক্ষোভ জানাতে দেখা যায়।
নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়েজ আমীন রাসেল গত বছরের ৩০ নভেম্বর হবিগঞ্জে এক গৃহবধূকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।
এই খবর স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। (মামলা নং- ৫৫৪/২০১৫)। পরে তিনি জামিনে বের হয়ে যান।
একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে নবীগঞ্জে বাড়ি জবর দখলের ঘটনায় মামলাও রয়েছে (৩৭৮/১)। রাসেল নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা যায়, বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা ইকবাল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তিন ব্রিটিশ এমপি ও লেবার ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যানকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী তারানা হালিম। এই অনুষ্ঠানে তারানা হালিম ও যুক্তরাজ্য আ'লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাথে ফয়েজ আমীন রাসেলকে ছবি তুলতে দেখা যায়।এবং সে ছবি রাসেল তার ফেসবুকের টাইমটাইনে শেয়ার করেন। এরপর এ ছবিগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম হয়।
অনলাইনে সরকার সমর্থক হিসেবে পরিচিত ইফতেখার মোহাম্মদ এই ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন-
"যুবদল নেতার ভাই এবং ধর্ষণ মামলার জামিনপ্রাপ্ত আসামী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের কোন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির পাশে স্থান পাচ্ছে বিষয়টা মেনে নেওয়া কষ্টকর। তারপর যদি তিনি হন আইনপেশার লোক এবং একই সাথে মহিলা নেতা।"
প্রতিমন্ত্রীর তারানা হালিমের পিও আসিফ খান অভির বিরুদ্ধেও ফেসবুকে একজন নারী অধিকার নেত্রীকে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তখনো ওই ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা হয়েছিল।
আপনার মন্তব্য