০২ এপ্রিল, ২০১৬ ১৭:৫৬
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচনের দাবী জানিয়ে শনিবার (২ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলন করেছেন চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকের আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী মোঃ নজব উদ্দিন। গত ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত দাসেরবাজার ইউনিয়ন নির্বাচনে দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার প্রভাবিত হয়ে জাল ভোটের মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কমর উদ্দিনকে বিজয়ী করেছেন এমন অভিযোগ আনা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
বড়লেখা পৌরসভা হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নজব উদ্দিন জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কমর উদ্দিন কর্তৃক প্রভাবিত হয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার নির্বাচনের আগেরদিন দাসেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরবিন্দ কর্মকারকে বদলি করে মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল কাদিরকে এ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং-এর দায়িত্ব দেন। এ কেন্দ্রে জামায়াতের সক্রিয় কর্মী প্রিসাইডিং অফিসার আব্দুল কাদির জাল ভোটের মহোৎসব চালিয়ে তাঁর নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেন।
আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী নজব উদ্দিনের নির্বাচনী এজেন্ট সহকারী অধ্যাপক বিধান চন্দ্র দাস অভিযোগ করেন এ কেন্দ্রে ছয়টি বুথে ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও অসৎ উদ্দেশ্যে প্রিসাইডিং অফিসার আব্দুল কাদির নৌকার ভোটাররা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিতে না পারেন সেজন্য মাত্র চারটি বুথে ভোট গ্রহণ করেন।
এছাড়া জামায়াত বিএনপির ক্যাডার বাহিনী নৌকা প্রতীকের ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে ভয়ভীতি দেখায়, অনেক কর্মী সমর্থককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। সংখ্যালঘু ভোটাররা তাদের তাণ্ডবে ভোট দিতে পারেনি। গণনার সময় আ’লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করা দেয়া হয়। ফলাফল সীটে এজেন্টের স্বাক্ষরও নেয়া হয়নি। এসব নানা অনিয়ম, আর ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তোলে দাসেরবাজার কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচনের দাবী জানান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজব উদ্দিন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দাসেরবাজার ইউপি আ’লীগের সভাপতি মুছব্বির আলী, সহসভাপতি ঈরেশ চক্রবর্তী, উপজেলা আ’লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান মাহতাব উদ্দিন, ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বপন চক্রবর্তী, দিবারঞ্জন দাস, নুরুল হক, ফজলুল রহমান, আবু বক্কর, মতিলাল চক্রবর্তী, মুক্তিযোদ্ধা ভুবন দাস, শৈলেন্দ্র দাস প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য