১৭ আগস্ট, ২০১৬ ১৩:৩২
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়ে বেরিয়ে আসছেন পংকজ কুমার গুপ্ত।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের স্মারকপত্র জালিয়াতি করে তারাপুর চা বাগান দখলের মামলার চার্জশিটভুক্ত দ্বিতীয় আসামী ও তারাপুর চা বাগানের সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্তকে জামিন দিয়েছে সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
বুধবার সকালে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে শুনানী শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার সময় চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুজ্জামান হিরু, পংকজ কুমার গুপ্তের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
২০০৫ সালে দায়ের করা এ জালিয়াতি মামলায় (১১৪৬/০৫) গত বুধবার (১০ আগস্ট) মামলার প্রধান আসামী শিল্পপতি রাগীব আলী, বাগানের সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্ত, রাগীব আলীর ছেলে আব্দুল হাইসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
বুধবার এ মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামীম। বিবাদী পক্ষের আইনজীবি হিসেবে শুনানীতে অংশগ্রহণ করেন অ্যাডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য ও অ্যাডভোকেট ইইউ শহীদুল ইসলাম শাহীন।
আদালতের মামলা সূত্রে জানা যায়, দেবোত্তর সম্পত্তি তারাপুর চা বাগানের ৪২২.৯৬ একর জায়গা, ১৯৯০ সালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের চিঠি জালিয়াতি করে নিজের আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদকে ভূয়া সেবায়েত সাজিয়ে দখল করে নেন রাগীব আলী।
২০০৫ সালে এ জালিয়াতির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন তৎকালীন সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কমিশনার। দীর্ঘ ১১ বছর পর, মামলাটির তদন্ত শেষে গত ১০ আগস্ট রাগীব আলী, তার ছেলে আব্দুল হাই, মেয়ে রোজিনা কাদির, জামাতা আব্দুল কাদির, আত্মীয় দেওয়ান মোস্তাক মজিদ ও মূল সেবায়েত পংকজ কুমার গুপ্তকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন সিলেট।
চার্জশিট আমলে নিয়ে গত বুধবার (১০ আগস্ট) চার্জশিট ভুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তবে সেদিনই দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান রাগীব আলী ও তার ছেলে আব্দুল হাই।
আপনার মন্তব্য