সিলেটটুডে ডেস্ক

২৬ আগস্ট, ২০১৬ ২২:৪২

যুবলীগ নেতা তারেকের মুক্তি দাবী মহানগর যুবলীগের

সিলেট মহানগর যুবলীগের অন্যতম নেতা ২১নং ওয়ার্ড যুব লীগের সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ তারেকের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খাঁন মুক্তি, যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিক জায়গীরদার ও সেলিম আহমদ সেলিম।

নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত প্রেস বিবৃতিতে বলেন-জিন্দাবাজার এলিগ্যান্ট শপিং সিটিতে ব্যবসায়ীর হত্যাকারীকে গ্রেফতার না করে পুলিশের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য লালদিঘীরপাড় ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি, মহানগর যুবলীগ নেতা ২১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ তারেককে সন্দেহ জনক আসামী গ্রেফতার সবাইকে হতবাক করেছে। তারেক রাজনীতির পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমরা যাচাই বাচাই করে দেখেছি, সে ঐ দিন ঢাকায় ছিল। তার মোবাইল কল লিস্ট দেখলে তা পরিষ্কার হবে।

তাছাড়া এ হত্যাকাণ্ডের দিন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত ফটো ফুটেজও তারেকের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারপরও সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে পুলিশ তার ব্যর্থতাকে আড়াল করার হীন উদ্দেশ্যে এবং যুবলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার স্বার্থে তারেককে সন্দেহজনক আসামী হিসেবে গ্রেফতার করেছে। যা চরম নিন্দনীয়। আমরা আশা করি, পুলিশ প্রশাসন হেন কাজ থেকে বিরত থেকে আসল অপরাধীকে গ্রেফতার করে তাদের ভাবমূর্তিকে পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হবেন এবং অবিলম্বে তারেককে মুক্তি দিবেন। অন্যথায় যুবলীগ সকল যুব সমাজকে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। নেতৃবৃন্দ ব্যবসায়ী হত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং প্রকৃত হত্যাকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্য জোড় দাবি জানান।

এদিকে, অপর এক প্রেস বার্তায় যুবলীগ নেতা তারেকের মুক্তি দাবী করেছে ২০ ও ২১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ। প্রেস বার্তায় ২১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আমিনুল ইসলাম সোহেল এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান পাপলু, ২০নং ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হোসাইন আহমদ চৌধুরী শাহীন, সাধারণ সম্পাদক এস আর শাওন ২১নং ওয়ার্ড যুব লীগের সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ তারেকের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছেন বলেন-জিন্দাবাজার এলিগ্যান্ট শপিং সিটিতে ব্যবসায়ীর হত্যাকারীকে গ্রেফতার না করে পুলিশের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য লালদিঘীরপাড় ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি, মহানগর যুবলীগ নেতা ২১নং ওয়ার্ড যুবলীগের সহ সভাপতি তোফায়েল আহমদ তারেককে সন্দেহজনক গ্রেফতার সবাইকে হতবাক করেছে। তারেক রাজনীতির পাশাপাশি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। আমরা যাচাই বাচাই করে দেখেছি, সে ঐ দিন ঢাকায় ছিল। তার মোবাইল কল লিস্ট দেখলে তা পরিষ্কার হবে। তাছাড়া এ হত্যাকাণ্ডের দিন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত ফটো ফুটেজও তারেকের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। তারপরও সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে পুলিশ তার ব্যর্থতাকে আড়াল করার হীন উদ্দেশ্যে এবং যুবলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার স্বার্থে তারেককে সন্দেহজনক আসামী হিসেবে গ্রেফতার করেছে। যা চরম নিন্দনীয়।

আমরা আশা করি, পুলিশ প্রশাসন হীন কাজ থেকে বিরত থেকে আসল অপরাধীকে গ্রেফতার করে তাদের ভাবমূর্তিকে পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হবেন এবং অবিলম্বে তারেককে মুক্তি দিবেন। অন্যথায় যুবলীগ সকল যুব সমাজকে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে। নেতৃবৃন্দ ব্যবসায়ী হত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং প্রকৃত হত্যাকারীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার জন্য জোড় দাবি জানান।
 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত