নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২২:৩০

লাল সবুজের বগি নিয়ে সিলেটে এলো পারাবত

শুক্রবার দুপুর ২ টা ৫ মিনিট। নতুন লাল সবুজ কোচসহ পারাবত এসে থামলো সিলেট রেলওয়ে স্টেশনে।

রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ এ উপলক্ষে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা না করলেও লাল সবুজের পারাবত ট্রেনটি দেখতে যাত্রী ছাড়াও ভিড় উৎসুক জনতার।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার কাজি শহিদুর রহমান বলেন, বেলা ২টা ৫মিনিটে পারাবত সিলেটে পৌঁছায়। ট্রেনটি আমরা নিজেরাই রিসিভ করেছি। কোনো অতিথি ছিলেন না। তবে নতুন কোচের ট্রেনটি দেখতে যাত্রীরা ছাড়াও সাধারণ মানুষ স্টেশনে ভিড় জমান। বিকেল ৩টা আবার ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এ ট্রেনটি।

এরআগে শুক্রবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে ট্রেনটি উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। এসময় তিনি ট্রেনটির একটি বগি ঘুরে দেখেন। ৩১৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা থেকে সিলেট পৌঁছায় পারাবত এক্সপ্রেস।  দীর্ঘদিন পর এ রুটে কোচ দঁওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন যাত্রীরা।

১৬টি কোচ নিয়ে ছুটে চলা পারাবতে এখন থেকে থাকছে ২টি এসি স্লিপার কোচ, ২টি এসি চেয়ার, ১টি প্রথম শ্রেণি, ৮টি শোভন চেয়ার ও ২টি ডায়নিং কার।

২টি এসি স্লিপার কোচে আসন রয়েছে ৬৬টি, এসি চেয়ার ২টি কোচে আসন ১১০টি, প্রথম শ্রেণির ১টি কোচে আসন ৩৩টি, শোভন চেয়ার ৮টি কোচে আসন সংখ্যা ৪৮০টি, ২টি ডায়নিং কারে আসন সংখ্যা ৩০টি। সব মিলিয়ে পারাবত এক্সপ্রেসের এখন আসন সংখ্যা এখন ৭১৯টি।

কোচ সংকটের কারণে অনেকগুলো স্টেশনে টিকিট সংকট ছিলো চরমে। এখন নতুন কোচ দেয়ায় ‘পারাবত এক্সপ্রেস’ এর স্টেশনগুলোতে টিকিট সংকট কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কমলাপুর রেলস্টেশনের দ্বিতীয় প্লাটফর্ম থেকে ইন্দোনেশিয়ান ১৬টি এয়ারব্রেক কোচসহ এটাই ট্রেনটির প্রথম যাত্রা। ১৯৮৬ সালে প্রথম ট্রেনটি চালু হয়। এরপর ১৯৯৫-৯৬ সালে ইরানী কোচ দেওয়া হয় পারাবতে।

২০১১ সালের নভেম্বরে ইরানী রেক খুলে নিয়ে ভ্যাকুয়াম কোচ লাগিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত  কোচসংকট ও ড্যামেজ কোচের কারণে পারাবত এক্সপ্রেসের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিলো।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত