০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:১৪
ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। বানিয়াচংয়ে কোরবানির পশুর হাট জমে ওঠেনি এখনও।
কোরবানির হাটে গরু-ছাগলসহ বিপুল সংখ্যক পশু উঠলেও নেই ক্রেতা সমাগম। হাটে ক্রেতা কম থাকায় বিক্রেতাদের ও হাঁকডাক নেই তেমন। তবে গরু ব্যবসায়ীরা মনে করছেন আপাতত ক্রেতা না থাকলেও দুই একদিনের মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠবে বানিয়াচং এর একমাত্র ৫-৬ নং বাজারের পশুর হাট।
বাজারের চিত্র বুঝতে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) হাটে গেলে অল্পসংখ্যক ক্রেতাদের অনেকে এবারের পশুর দাম বেশী বলে জানান। গরুর প্রকৃত দাম যা তার থেকে দ্বিগুণ বেশী দাম হাঁকা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। তাই এই পশুর হাটের তৎপরতা বর্তমানে দরদামেই আটকে আছে।
হাটে পর্যাপ্ত পশুর আমদানি হয়েছে তাই সময় গড়ালে দামও কমবে বলে ধারণা হাটে আসা ক্রেতাদের। হাটে সরেজমিনে ঘুরে হাটের এমন চিত্রই চোখে পড়েছে। এখন দর কষাকষিরই মৌসুম চলছে বলে জানা গেছে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে। বাইরের পাইকাররা এখনও আসেনি। পুরোদমে হাট জমতে আরও ৩-৪দিন অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন হাটে আসা ব্যবসায়ীরা।
হাট ঘুরে দেখা দেখে বানিয়াচং এর আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ওইদিন অনেক বেশী গরু এসেছে হাটে। গরু বিক্রির জন্য ব্যবসায়ীরা হাটের মধ্যে বাঁশ ও কঞ্চি দিয়ে তৈরী লাইনে সারিবদ্ধভাবে পশু নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। পশু বিক্রি শুরু না হওয়ায় মুখে পান সিগারেট খেয়ে খোশগল্পেই সময় কাটাচ্ছেন তারা। বাকি সময়টা ব্যয় করছেন কোরবানির পশুর যত্ন আর পরিচর্যা করে।
হাটে ক্রেতা না পাওয়ায় মোটেও হতাশ নন বেপারীরা। বরং এখানকার জন্য বিষয়টিকে তারা যৌক্তিক বলেই মনে করছেন। তাদের ভাষ্য সময় গড়ানোর সাথে সাথেই ক্রেতা সমাগম বাড়বে। কারণ এতো আগে পশু কিনে দেখাশুনা বা যত্ন নেওয়ার মতো সুযোগ নেই ক্রেতাদের।
বানিয়াচং ৫-৬নং বাজার হাটের ইজারাদার ছাত্রলীগ নেতা এমদাদুল হাছান শাহিন জানান, এ বছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন পর্যন্ত দেশীর গরুর আমদানিই বেশী। তবে গতবারের চেয়ে দাম একটু বেশী বলে স্বীকার করেন তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে ইজারাদার শাহিন জানান বিভিন্ন স্থান থেকে বড় পাইকাররা এখনও আসতে শুরু করেননি। এর পরও কেনাবেচা আরম্ভ হয়ে গেছে। ৩-৪ দিনের মধ্যে হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের সমাগম ঘটবে। তখন পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হয়ে যাবে।
আপনার মন্তব্য