২৯ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:৪৬
নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকায় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া- পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়িও ভাংচুর করা হয়। শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে শাহী ঈদগায় প্রায় একঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে পরিবহন শ্রমিকরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে রাত নয়টার দিকে অবরোধ প্রত্যাহার করে তারা।
৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান পাপ্পু অভিযোগ করেন, শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সায়েফ আহমদের নেতৃত্বে টিলাগড় গ্রুপের সন্ত্রাসীরা শাহী ঈদগায় ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এসময় কার্যালয়ের আসবাবপত্র ভাংচুর করে।
পরে শাহী ঈদগাহ এলাকার আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করেন।
এসময় ৪টি মিনি ট্রাক, একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও একটি দোকান ভাংচুর করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে রাত ৮টা থেকে শাহী ঈদগাহ সড়ক অবরোধ করে পরিবহন
শ্রমিকরা। এতে ব্যস্ত এই সড়কে বন্ধ হয়ে পড়ে যানচলাচল। রাত ৯ টায় পুলিশের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।
জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলু মিয়া জানান, তাদের আভ্যন্তরীণ বিরোধে আমাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ না দিলে আমরা আরো কঠোর কর্মসূচী দেবো।
তবে হামলায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে সায়েফ আহমদ বলেন, বদরউদ্দিন আহমদ কামরান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত হওয়ায় তাকে স্বাগত জানিয়ে শনিবার রাত ৮টায় আমরা টিলাগড়ে মিছিল করেছি। কোনো হামলা বা ভাংচুরে জড়িত থাকার প্রশ্নই ওঠে না।
এ ব্যাপারে নগরীর বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।
আপনার মন্তব্য