সিলেটটুডে ডেস্ক

১২ এপ্রিল, ২০১৫ ২২:০৪

'ভুল চিকিৎসায়' শিশু সাফির অঙ্গহানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

সিলেট উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারদের চিকিৎসা অবহেলায় টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি ও বাংলাভিশনের ক্যামেরাপার্সন বদরুর রহমান বাবরের শিশুপুত্র সাফির অঙ্গহানির (আঙ্গুল কর্তন) প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বেলা ১২টায় নগরীর কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, চিকি’সাসেবা মহ’ পেশা। কতিপয় ডাক্তার নামধারী কতিপয় দুর্বৃত্তদের কারণে এ পেশা কলুষিত হচ্ছে। এছাড়া কিছু প্রতিষ্টানের অতি ব্যবসায়িক মনোবৃত্তির কারণে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। এই ডাক্তার নামধারী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করা না গেলে বিশ্ব স্বাস্থ্যসূচকে বাংলাদেশ আবার পিছিয়ে পড়বে।

টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আনিস রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দিগেন সিংহের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, স্বাস্থ্যসেবার সূচকে বাংলাদেশ ভারত থেকে এগিয়ে রয়েছে। বর্তমান সরকারও স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। কিন্তু চিকি’সায় অবহেলাকারী ডাক্তারদের কারণে আজ বাংলাদেশের মানুষ ভারতে চিকি’সা নিতে যায়। আর এ জন্য দায়ী এ সকল ডাক্তার নামধারী দুর্বৃত্তরা। শুধু উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ নয়, সারাদেশে যেখানেই এ ধরণের দুর্বৃত্তদের অবস্থান সেখানেই তাদের কঠোর হস্তে দমন করা উচিত।

মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, টেলিভিশন সাংবাদির ইউনিয়নের সভাপতি ইকরামুল কবির, প্রেসক্লাব ফাউন্ডেশন, সিলেটের সভাপতি আল আজাদ, ইমজা‘র সিনিয়র সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান রিপন, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ইকবাল মনসুর, সিনিয়র সাংবাদিক আবদুল মালিক জাকা, গণজাগরণ মঞ্চ, সিলেটের মুখপাত্র দেবাশীষ দেবু, সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর শামীমা স্বাধীন, নয়াসড়ক এলাকাবাসীর পক্ষে আনোয়ার চৌধুরী, ১৭ ওয়ার্ডের পক্ষে সুলতান আহমদ, গিয়াস আহমদ।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেটের ডাক‘র ডেপুটি চীফ রিপোর্টার মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সকালের খবরের নিজম্ব প্রতিবেদক দিপু সিদ্দিকী, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার প্রত্যুষ তালুকদার, বাংলাটিভির আহমাদ সেলিম, ক্যামেরাপার্সন সময় টিভির আবদুল আহাদ, মাইটিভির টুনু তালুকদার, এশিয়ান টিভির মোয়াজ্জেম সাজু, পরিবেশকর্মী ও দেশটিভির ক্যামেরাপার্সন আশরাফুল কবির, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি শেখ নাসির, যুগান্তরের স্টাফ ফটোগ্রাফার মামুন হাসান, মানবাধিকার পরিবেশ সাংবাদিক সোসাইটির সভাপতি শেখ লু’ফুর রহমান, যমুনা টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন নিরানন্দ পাল, এফ এ মুন্না, বাংলাটিভির ক্যামেরাপার্সন এস আলমগীর, এসএ টিভির ক্যামেরাপার্সন শ্যামানন্দ পাল, চ্যানেল ২৪ এর ক্যামেরাপার্সন শফি আহমদ, মাইটিভির ক্যামেরাপার্সন শাহীন আহমদ, এশিয়ান টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সন জয়নাল আবেদীন, চ্যানেল নাইনের ক্যামেরাপার্সন সোহাগ আহমদ, উত্তরপূর্বের ফটোসাংবাদিক নুরুল ইসলাম, সংবাদ প্রতিদিনের স্টাফ ফটোগ্রাফার নিজামুল হক লিটন, সিলেট সুরমার শহীদুল ইসলাম, সিলেট বাণীর তানভির আহমদ, আকমল হোসেন সুমন, অনিল পাল, মানবাধিকার কর্মী সেলিম আহমদ, সুমন আহমদ, শ্রমিক নেতা এম. বরকত আলী, শেখ বাবুল, শ্রমিক নেতা হানিফ আহমদ, শহীদুল ইসলাম মিন্টু, সাদেক হোসেন মন্টু, রানা আহমদ, কাজল আহমদ, আবদুল্লাহ মিয়া, সাহেদ আহমদ, রুবেল আহমদ ইমন আহমদ, কিবরিয়া আহমদ প্রমুখ।

 

 

আপনার মন্তব্য

আলোচিত