২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:৪০
২৮ ডিসেম্বর সারাদেশের মতো সিলেটেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন ২০১৬। প্রথমবারের মতো ইলেক্টোরাল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে সাধারণ জনগণের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় কালো টাকার প্রভাবের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের অনেকেরই আশঙ্কা, দলীয় প্রভাব ছাপিয়ে কালো টাকার প্রভাবে ভোট কেনাবেচা হবে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে।
তবে মৌখিকভাবে বিভিন্ন প্রার্থীর বিরুদ্ধে কালো টাকার ব্যবহারের অভিযোগ থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কাছে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জনপ্রতিনিধি জানান তাদের কাছে বেশ কিছু প্রার্থী টাকা বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করে দিবেন জানিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন, যা স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনের নিরপেক্ষ ফলাফলকে বিঘ্নিত করবে।
সিলেটে কালো টাকার ছড়াছড়ির ব্যাপারে জানতে চাইলে সিলেট জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুর ইসলাম জানান, বেশ কিছু মৌখিক অভিযোগ এসেছে যে প্রার্থীরা ভোট প্রভাবিত করতে কালো টাকার ব্যবহার করছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রামাণ্য কোন প্রমাণসহ অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে কেউ করেনি।
তিনি জানান, “সিলেটে শেষ মুহূর্তে কালো টাকা প্রভাব বিস্তার করতে পারে, কিন্তু এ ব্যাপারে আমরা সচেষ্ট রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রার্থীদেরকে এ ব্যাপারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে, তাদের সাথে মতবিনিময়ও হয়েছে। এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশকেও সতর্ক রা হয়েছে”।
সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বনদ্বিতা করছেন। সিলেট সিটি করপোরেশনসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৪৬৪টি।
আপনার মন্তব্য