১৬ মে, ২০১৫ ২০:৩২
সিলেট সদর উপজেলার লাক্কাতুরা ও আলীবাহার চা শ্রমিকদের দু’শত পরিবারের মধ্যে খাদ্য ও পণ্য সামগ্রি বিতরণ করা হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত চা-শ্রমিকদের জীবন মানোয়ন্ন কর্মসূচীর আওতায় গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ইব্রাহিম আল মামুন মোল্লার স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সূচিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাবেক মেম্বার গুণদর গোয়ালা, সিলেট ভ্যালী চা শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা নান্টু রঞ্জন, সিলেট উত্তর ভ্যালী চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু গোয়ালা, রনবাহাদুর জুটে মেম্বার, লাক্কাতুরা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি সিতু লোহার, আলীবাহার চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ গোয়ালা। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন উপজেলা মসজিদের ইমাম আব্দুর রহমান। গীতা পাঠ করেন সরাজ গোবিন্দ।
উল্লেখ্য, ২ শত চা শ্রমিক পরিবারের মধ্যে ১৫ কেজি চাল, ৫ কোজি আটা, ৩ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ লিটার সোয়ানিব তৈল ও ২টি সাবান বিতরণ করা হয়। এ ভাবে একই পরিবারের মধ্যে তিনবার খাদ্য ও পণ্য সামগ্রি বিতরণ করা হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ বলেন, আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় আসে চা-শ্রমিকদের জীবনমানোয়ন্ননে বিশেষ চিন্তা ভাবনা করেন। তাদের মধ্য থেকে যারা বয়স্ক তাদের বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হয়, বিধবা ভাতা প্রদান করা হয় এবং বিশেষ বিশেষ ভাতাগুলোর ক্ষেত্রেও তারা সুবিধা পেয়ে থাকে। চা-শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে বক্তৃতিকালে গুণদর গোয়ালা বলেন, ১৮৭৫ সালে লাক্কাতুরা চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ সালে পারিবারিক স্বাস্থ্য সেব মাঠকর্মী হিসেবে সিলেটের সকল বাগান থেকে একজন মেট্রিক পাস কর্মী খোঁজে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পাঁচশজন এস.এস.সি পাশ নারী পুরুষ রয়েছে এবং ২০ জনের মত এইচ.এস.সি পাশ ও ৫/৬ জন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি রয়েছে। বর্তমান সরকার চা শ্রমিকদের জীবনমানোয়ন্ননে স্বাস্থ্য সেনিট্রেশন ব্যবস্থা প্রদান ও লেখাপাড়ার জন্য বাগান এলাকায় একটি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করছে।
আপনার মন্তব্য