০৬ জুন, ২০১৫ ২০:১৯
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে লোকালয়ে বেরিয়ে আসা হরিণ জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামবাসী ও ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে কমলগঞ্জ থানার পুলিশ জবাইকৃত হরিণের কিছু মাংস উদ্ধার করে আনলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ লুকোচুরি করছে।
ঘটনার তিন ঘন্টা পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আধা কেজি মাংস জব্দের সত্যতা নিশ্চিত করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাতটায় মাধবপুর ইউনিয়নের টিলাগাঁও গ্রামে চার ব্যক্তি একটি হরিণ আটক করে জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নেয়।
গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে বেরিয়ে আসা একটি হরিণ গ্রামের ইসলাম উদ্দীন ওরফে দুরুদের বাড়িতে জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করে নেন ইসলাম উদ্দীন (৪০), আলা উদ্দীন (৫০), ফেরদৌস আহমদ (৩৫) ও লুৎফুর রহমান (৩৫) সহ কয়েকব্যক্তি।
সংবাদ পেয়ে লাউয়াছড়া বন্যপ্রাণী বিভাগের লোকজন সরেজমিনে গিয়ে কোন আলামত পায়নি। পরে কমলগঞ্জ থানার এসআই আব্দুল আজিজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল টিলাগাঁও গ্রামের ইসলাম উদ্দীনের বাড়ি থেকে জবাইকৃত এক কেজি পরিমাণ মাংস উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
সংবাদকর্মীদের তিনি বলেন কোন মাংস পাওয়া যায়নি। পরে বিভিন্ন চাপে বেলা তিনটায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যায়ে উপ পরিদর্শক একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে অর্ধেক কেজি পরিমাণ মাংস উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেন।
লাউয়াছড়া বনবিট কর্মকর্তা(বন্যপ্রাণী) মনিরুর ইসলামও জানান, হরিণের মাংস উদ্ধারে ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন আলামত সংগ্রহ করতে পারেননি। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং উদ্ধারকৃত মাংস ধ্বংস করা হবে।
আপনার মন্তব্য