নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ জুন, ২০১৫ ১৮:২৪

বিকেল হলেই ভিড় বেড়ে যায় ইফতারসামগ্রীর দোকানে

নগরীর একেকটা ইফতারির দোকানকে ঘিরে তৈরি হয়েছে একেককটা জটলা। বিকেল হতেই যেনো নগরবাসীর সকলের গন্তব্য হয়ে উঠেছে ইফতারির দোকানগুলো। আছে তাড়াহুড়াও। কার আগে কে পছন্দের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে যাবেন এই প্রতিেযাগীতা। আছে ফুরিয়ে যাবার ভয়। এই নিয়ে উচ্চস্বরে কথাবার্তা চলছেই। কেতা-বিক্রেতারা বাহাসও লেগে যায় অনেকক্ষেত্রে।

শনিবার সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় ইফতারসামগ্রীর কয়েকটি দোকান ঘিরে এ চিত্র দেখা যায়। শুক্রবার প্রথম রমজানেও ছিলো প্রায় একই চিত্র। তবে গতকাল থেকে আজ বিক্রি আরো বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

কেতাদের টানতে নগরীর ছোট বড় সকল হোটেল রেস্তোরাঁয়ই রয়েছে ইফতারীর ব্যাপক আয়োজন। এসকল খাবার তৈরী করে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে পুরো মাস জুড়ে দোকানগুলোতে থাকবে বাড়তি ব্যস্ততা। ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে সকল হোটেল রেস্তোরাঁর সামনে অতিরিক্ত ছাউনি তৈরী করে খাবার সাজানো হয়েছে।  
নগরীর অভিজাত হোটেল রেস্তোরাঁর ইফতারের বিভিন্ন আইটেমের মধ্যে ছিলো শাহী কাবাব, মিনিকাবাব, আন্ডা মিঠাই, টিক্কা কাবাব, ট্রে বাকর খানি, শাহি বাকর খানি, সিরমাই, এফ কাবাব, নিমুক পেরা, চিকেন কাবাব, আমিত্তি, হালিম, সমুছা, সিংগারা, পাটিসাপটা, ফ্রাই, রোলসহ নানা খাবার সামগ্রী। তবে জিলাপীর ক্রেতা সবচেয়ে বেশী লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া স্যান্ডুইচসহ হরেক রকম ইফতার বিক্রি হয়েছে এ সকল ইফতারী দোকানে। কেউ কেউকে আবার বিরানীও কিনে নিতে দেখা গেছে।

একইভাবে ছোট রেস্তোরাঁ এবং ফুটপাতেও খিচুড়ী, পিঁয়াজু, চানাবুনা, বেগুনী, আলুসপ এবং কাচা ছোলা কিনতে ক্রেতাদের ভিড় কম ছিলো না।

 বন্দর বাজারে আফতাব হোসেন নামে এক ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা জানান, ইফতারের সময় ঘনিয়ে এলে অন্যরকম এক ব্যস্ততার ভেতর দিয়ে সময় কেটে যায়। ক্রেতারাও এই একটি মাস ইফতার সামগ্রী কিনতে কোনো ধরণের দর কষাকষি করেন না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত