নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ মে, ২০১৮ ০০:২৭

অবশেষে অপসারণ করা হলো বন্দরবাজারের সড়ক বিভাজক

ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে অবশেষে নগরীর বন্দরবাজার এলাকার করিমউল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়ক বিভাজক অপসারণ করে নিলো সিলেট সিটি কর্পোরেশন। বুধবার রাতে সিটি মেয়র আরিফুল হক উপস্থিত থেকে সড়কের এ বিভাজক অপসারণ করে নেন।

নগরীর যানজট নিরসনে করিমউল্লা মার্কেটের সামনের মোড়সহ নগরীর কয়েকটি সড়কে বিভাজক বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করেছিলো সিসিক ও নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। তবে শুরু থেকেই বন্দরবাজার মোড়সহ কয়েকটি এলাকার বিভাজকের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে যুক্তি দিয়ে এগুলো অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বন্দরবাজার, মহাজনপট্টি ও লালদিঘীর পাড় এলাকার ব্যবসায়ীরা।

সম্প্রতি বিভাজকগুলো অপসারণের দাবিতে আন্দোলনেও নামেন তারা। গত ৩ মে এই দাবিতে ব্যবসায়ীদের একটি মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বিভাজকগুলো ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের সময়সীমা বেঁধে দেন সিসিকের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

কামরানের এই সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রায় ১৫ দিন পর, রমাজের ঠিক আগ মূহূর্তে করিমউল্লাহ মার্কেটের সামনের সড়কের বিভাজক তুলে নিলো সিসিক।

বুধবার রাত এগারোটার দিকে নগর পুলিশের সহায়তায় সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এই বিভাজকের ৬টি খুঁটি তুলে যানচলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেন। ফলে কালিঘাট- লালদিঘিরপাড় সড়ক থেকে আসা মাঝারা যানবাহন এখন সরাসরি রাস্তা পরিবর্তন করতে পারবে। এসময় সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানও উপস্তিত ছিলেন।

এসময় সিটি মেয়র আরিফুল হক জানান, আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নয়, ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থেই সড়ক বিভাজক অপসারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে ছড়ার পাড় মাছিমপুর, কালিঘাট, লালদিঘিরপাড় এলাকার কেউ মারা গেলে মরদেহবাহি গাড়ি কোর্ট পয়েন্ট হয়ে ঘুরে আসতে দীর্ঘ সময় লাগে। তাই জনস্বার্থে বিভাজকের আংশিক খুলে দেয়া হয়েছে। তবে, এই পয়েন্টে চলাচলকারীদের অবশ্যই ট্রাফিক সিগ্যানাল মেনে চলতে হবে।

মেয়র বলেন, বিভাজক অপসারণের ফলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রনে তেমন কোন ক্ষতি হবে না।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত