১২ আগস্ট, ২০১৮ ২১:২০
একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণী শিল্পী সুষমা দাস বলেছেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির জনক ও তাঁর পরিবারবর্গকে হত্যা করা ছিলো ইতিহাসের এক নৃশংসতম কালো অধ্যায়। জঘন্যতম এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে এ দেশের ক্ষমতা লোভী একটি অপশক্তি দেশকে অভিভাবক শূন্য করে নিজেদের নীলনকশা বাস্তবায়নের প্রয়াস চালিয়েছিল। নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হয়ে কুখ্যাত খুনিদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
রোববার (১২ আগস্ট) “আমরা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার চাই” (আবহবিচ) এর উদ্যোগে সিলেট কেন্দ্রিয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন তিনি।
এসময় তিনি পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশে পলাতক থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের অবিলম্বে দেশের মাটিতে ফেরত এনে দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান।
সংগঠনের সভাপতি মুকির হোসেন চৌধুরী’র সভাপতিত্বে ও দেবব্রত রায় দিপনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান।
উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আল আজাদ, ওয়ার্কাস পার্টি সিলেটের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সিকান্দর আলী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এনামুল মুনীর, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সভাপতি মিশফাক আহমদ মিশু, সাধারণ সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত, ছড়াকার অজিত রায় ভজন, গীতিকবি হরিপদ চন্দ, ২৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এম এন ইসলাম, জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আব্দুল সাত্তার, ২৬ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ সুরমা কাঠ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জোবায়ের, জাতীয় শ্রমিক লীগ জেলা নির্বাহী সদস্য হেলাল আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা আবু মিয়া, শ্রমিক লীগ নেতা আবু মিয়া, কামরুল ইসলাম সোহেল, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের বদরুল ইসলাম লস্কর রাজু ও যুবনেতা আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, ৭৫’ এ জাতির জনক হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মূলত বাংলার রক্তস্নাত ইতিহাসকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিলো। এরই ধারাবাহিকতায় সেই অপশক্তি আজো বাংলার আনাচে-কানাচে থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
আপনার মন্তব্য