২৫ জুলাই, ২০১৫ ১০:১২
সিলেটে শিশু শেখ মো. সামিউল আলম ওরফে রাজনকে (১৪) নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ নিয়ে এই ঘটনায় ১২ জন গ্রেপ্তার হলেন।
ডিবির ভাষ্যমতে, গ্রেপ্তার হওয়া সবশেষ ব্যক্তির নাম আয়াজ আলী (৪৫)। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্টেশনের শেখপাড়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি। সামিউলকে নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী তিনি।
আয়াজকে গ্রেপ্তারের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন।
আয়াজের স্ত্রী রাশেদা আক্তার বলেন, সামিউল হত্যার কিছু দিন আগে মামলার প্রধান আসামি মুহিত আলম তাঁদের এক ছেলেকে মারধর করেন। বিষয়টি সম্প্রতি একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে আসে। এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে রাতে তাঁর স্বামীকে নিয়ে যায় ডিবি।
এলাকার কয়েকজনের ভাষ্য, সামিউলকে নির্যাতনের ঘটনা শুরুর দিকে প্রত্যক্ষ করেন আয়াজ। পরে তিনি সেখান থেকে সরে যান। পরবর্তী সময়ে সামিউলকে নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে স্থানীয় জনতার সঙ্গে প্রতিবাদে যোগ দেন তিনি।
কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ৮ জুলাই খুঁটির সঙ্গে সামিউলকে বেঁধে রোলার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনকারীরাই সামিউলকে নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে।
ঘটনার সঙ্গে ‘সরাসরি জড়িত’ আটজনকে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা। এ ছাড়া ঘটনা ‘প্রত্যক্ষ’ করা আয়াজসহ তিনজন ও এক আসামির স্ত্রীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর পালিয়ে সৌদি আরব গিয়ে ধরা পড়েন কামরুল ইসলাম নামের একজন।
আপনার মন্তব্য