ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি

১৩ মার্চ, ২০১৯ ১৮:২৫

ফেঞ্চুগঞ্জে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারূন আহমদের নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হারূন আহমদের দশ দফা নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষনা করেছেন।

বুধবার (১৩মার্চ) দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হারূন আহমদ ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ ইস্তেহার ঘোষনা করেন।

দশ মফা ইস্তেহারের মধ্যে রয়েছে গ্রামীন জনপদের উন্নয়ন, জুড়ি গাং খনন, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলাকে শতভাগ স্যানিটেশনের আওতায় আনা, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলাকে মাদক মুক্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহন, সচেতনত তৈরির মাধ্যমে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্টাতা কল্পে পদক্ষেপ গ্রহন, নারীর অধিকার নিশ্চিত করন, দেশের রেমিটেন্স অর্জনকারী ফেঞ্চুগঞ্জের প্রাবাসীদের সম্মানিত করা, উপজেলার বেকার তরূন তরূনীদের বেকারত্ব দর করনে কাজ করা,  শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্হার উন্নয়নে কাজ করা।

ইস্তেহার ঘোষণাকালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী  হারুন আহমদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উপজেলাকে আধুনিকায়ন,রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও জনসাধারনের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলাকে একটি আধুনিক উপজেলায় রূপান্তরিত করা হবে।

ঘোড়া মার্কা  প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী হারুন  আহমদ বলেন, ‘মানুষের খেদমতের উদ্দেশ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। নির্বাচনী গণসংযোগে যেখানে যাচ্ছি সেখানেই সাধারণ মানুষের সাড়া পাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেভাবে স্বতঃস্ফুর্তভাবে সাড়া দিচ্ছে, আমার বিশ্বাস ১৮ মার্চ নির্বাচনে এলাকার সচেতন  মানুষ আমাকে ঘোড়া প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে  হারুন আহমদ বলেন, নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক জনতার রায়কে তিনি মেনে নিবেন। তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি প্রশাসন একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ, নিরপক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন  উপহার দিবে,সেই রকম ব্যবস্হা নিচ্ছে প্রশাসন।

তিনি বলেন, আমি প্রাবাসী হলে ও দেশের জন্য আমার মন কাঁদে, তাই আমি দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে এ বাকী জীবন টুকু মানুষের সেবা করে  কাটাতে চাই।  

আপনার মন্তব্য

আলোচিত