১১ মার্চ, ২০২০ ১৬:০০
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এড়াতে সিলেটের গোয়ানঘাট উপজেলার তামাবিল স্থলবন্দরে নজরদারি আরও বাড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা পরিষদ আইনশৃংখলা সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এরই ধারাবাহিকতাায় সিলেটের ব্যস্ততম তামাবিল স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন পরিদর্শন করেছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাকিব।
গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহমদকে সাথে নিয়ে তিনি বুধবার সকাল ১১টায় তামাবিল স্থল বন্দর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি তামাবিল কাষ্টমস ইমিগ্রেশনে কাষ্টমস বিভাগ, ইমিগ্রেশন পুলিশ, বিজিবি, চিকিৎসক, গণমাধ্যম কর্মী, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ সুধি সমাজের সাথে বৈঠক করেন।
এসময় বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশের মানুষদের বাঁচাতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে লিফলেট বিতরণ, সীমান্তে ভারতীয় মানুষজনসহ আগতদের আনাগোনা, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরদারির উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ভারতীয় পাথর, কয়লাবাহী গাড়ির চালকদের স্ক্যানিংসহ করোনা সনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় গৃহিত মেডিকেল টিমের মাধ্যমে পরীক্ষা শেষে প্রবেশের বিষয়টি আলোচনা সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ব্যবসায়ী ও রাজস্ব কর্মকর্তারা আমাদানিকৃত পাথর কয়লার বিপরীতে প্রচুর রাজস্ব আদায় হয়ে থাকে। যে কারণে ভারতীয় চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় ক্ষেপনের দ্বারা রাজস্ব আদায় প্রতিবন্ধকতা যাতে সৃষ্টি না হয় সে জন্য মেডিকেলটিমে আরও কজন ডাক্তার নিয়োগদানের ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বষয়টি জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনের সাথে আলাপ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তামাবিল কাষ্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা সজিব মিয়া, মোঃ ইব্রাহিম খলিল, পর্যটন পুলিশ জাফলং জোনের ইন্সপেক্টর রতন শেখ, তামাবিল ইমিগ্রেশন ফাড়ি ইনচার্জ এস আই মওদুদ আহমেদ রুমি, বিজিবি তামাবিল ফাড়ির নায়েব সুবেদার রবিউল ইসলাম মেডিকেল টিমের ডাক্তারগণ, ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য