Advertise

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি

২৬ মার্চ, ২০২০ ১৯:৪২

গোয়াইনঘাটে টহলে সেনাবাহিনী, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আহ্বান

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রতিরোধে সিলেটের গোয়াইনঘাটে গণসচেতনতা সৃষ্টিতে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ১২ টা থেকে সেনাবাহিনীর দুটি টিম, পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে মাঠে নামে সেনাবাহিনী।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর লক্ষ্যে সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে প্রশাসনকে সহায়তায় করছেন তারা। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে তারা জেলা ও বিভাগীয় করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাব্যবস্থা, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, গোয়াইনঘাটের ১০টি ইউনিয়নের সব এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে তা চলবে। গোয়াইনঘাটের সবকটি হাট-বাজারে মাছ বাজার, ফার্মেসী, মুদি দোকান ছাড়া কোন ধরনের দোকানপাট খোলা না রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়। যদি নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত কোন দোকান বা কাউকে অহেতুক রাস্তাঘাটে ঘোরাঘুরি করতে পাওয়া যায় তা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুস সাকিবের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে গোয়াইনঘাট থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রশাসনের গণসচেতনতামুলক জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোয়াইনঘাট -কোম্পানীগঞ্জ সার্কেল নজরুল ইসলাম, গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল আহাদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কে এম নূর হোসেন নির্ঝর, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচও ডাক্তার রেহান উদ্দিন, আরএমও ডা.খালেদুর রহমান চৌধুরী, ডা. মামুন, উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর রমজান আলী, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলী হোসেন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুস সাকিব বলেন, গোয়াইনঘাটে করোনা ভাইরাস জনিত গণসচেতনতায় প্রশাসনের সমন্বয়ে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। সর্বস্তরের জনসাধারণকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলে হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচা বাজার, মাছ বাজার, ফার্মেসী, মুদি দোকান ছাড়া কোন ধরনের দোকানপাট খোলা না রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়। বিনা প্রয়োজনে অহেতুক হাট বাজার রাস্তাঘাটে জন সাধারণকে না বেরুতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত