১২ এপ্রিল, ২০২০ ২২:৪০
সিলেট জেলাকে লকডাউন ঘোষণার পর জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার অভ্যন্তরে বসবাসকারি নাগরিকদেরকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষায় ও সাধারণ মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নিয়ে মতবিনিময় সভা রোববার অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, উপজেলার দারিদ্র ও মধ্যেবিত্ত পরিবারগুলো করোনা ভাইরাস জনিত কারণে প্রায় ২০ দিন থেকে কাজ কর্ম না থাকাতে পরিবারগুলোর মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। ইতি মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ৬টি ইউনিয়নে যে বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে তা চাহিদার তুলনায় একেবারেই নগন্য। এর জন্য লোকজন শুধু জনপ্রতিনিধিকে দুষারূপ করে আসছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীন বলেন, যে ভাবেই হোক মানুষকে বুঝিয়ে নিতে হবে। পর্যায় ক্রমে সরকারের বরাদ্ধ আমাদের কাছে আসছে, আসার সাথে সাথে জনপ্রতিনিধির মাধ্যমেই ঘরে আটকে পড়া লোকদের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হবে। সরকারের নিয়ম বিধি মেনে সবাইকে বাড়িতে থাকতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং লকডাউন মেনে চলতে হবে।
অপর দিকে জৈন্তাপুর উপজেলা থেকে করোনা ভাইরাস সনাক্ত’র জন্য ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেটে পাঠানো হলে এ পর্যন্ত ৫ জনের মেডিকেল রির্পোটে ভাইরাস পাওয়া যায় নি। লকডাউনের পর বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ৯ জন নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এদের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেটে প্ররেণ করা হবে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলা করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ মোহাম্মদ আমিনুল হক সরকার।
এতে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়াম্যান কামাল আহমদ, সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারুক আহমদ, জৈন্তাপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বশির উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের (মহিলা) ভাইস চেয়ারম্যান পলিনা রহমান। ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান, আব্দুর রশিদ, বাহারুল আলম বাহার, শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, আমিনুর রশিদ, মোঃ ইয়াহিয়া (ভারপ্রাপ্ত) সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও গণ মাধ্যম কর্মী। পরে ৬টি ইউনিয়নের ৬টি কিটনাশক ওষুধ ছিটানোর মেশিন ও ব্লেচিং পাউডার চেয়াম্যানদের কাছে হস্তান্ত করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ।
আপনার মন্তব্য