Advertise

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১০ এপ্রিল, ২০২০ ০১:১৭

যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর মিছিলে নতুন ১ হাজার ৪৪৩ লাশ

করোনাভাইরাস

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ১৪শ’র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১টা পর্যন্ত এই সংখ্যা ১৬ হাজার ২৩১ জন। করোনা নিয়ে সর্বশেষ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের প্রকাশিত তথ্যে এমনটা জানা যায়।

এছাড়া ইউরোপের দেশ স্পেনে নতুন করে প্রাণ গেছে ৪৪৬ জনের। এদিকে, ইতালিতে নতুন করে আরও ২ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। ফলে সারাবিশ্বে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ৯৪ হাজার ছাড়ালো। আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ সাড়ে ৮৫ হাজার।

এরইমধ্যে মহামারি ঠেকাতে ব্যর্থতার দায়ভার দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে কথার লড়াই শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অঞ্চলের হিসেবে কোভিড নাইনটিনে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি ইউরোপে। এরইমধ্যে, মারা গেছেন ৬২ হাজারের বেশি মানুষ। স্পেন-ইতালি-যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানি-এ ৫ দেশেই, আক্রান্ত প্রায় ৬ লাখ।

তবে দেশের হিসেবে সবচেয়ে ভয়াবহ সময় পার করছে যুক্তরাষ্ট্র। ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১৯ দিনে দেশটিতে সংক্রমণ বেড়েছে ৩০ গুণ। যেখানে মহামারির অন্যান্য কেন্দ্রস্থলে সংক্রমণ লাখের কোঠা ছাড়াতে সময় লাগে, এক-দেড় মাসের বেশি

যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতির এমন ভয়াবহতার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওপর দায় চাপিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সংস্থাটিতে, আর্থিক অনুদান বন্ধেরও হুমকি দিয়েছেন তিনি। জবাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারির মতো ভয়ঙ্কর বিষয়কেও রাজনৈতিক হাতিয়ার করছে কেউ কেউ।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন,”বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কারণেই আজ এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চীনের ভুলভাল তথ্যের ওপর ভরসা করেছে সংস্থাটি। যখন আমি চীনের সাথে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করলাম, তখন সংস্থাটি আমার সমালোচনা করেছে। তারা জানেই না কখন কিসে গুরুত্ব দিতে হয়।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম বলেন, “এই সংকটের মধ্যে ভাইরাস নিয়ে রাজনীতির ফল হবে মৃত্যুর মিছিল আরও বড় হওয়া। নির্বাচনে রাজনৈতিক স্কোর বাড়াতে কোভিড নাইনটিন ইস্যুর ব্যবহার মানে আগুন নিয়ে খেলা করা। বিপজ্জনক এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর ঐক্যের সময় এটা।”

করোনায় এখন প্রতিদিন নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রায় ৮৫ হাজার মানুষ; অর্থাৎ, মিনিটে ৫৯ জন। বিশ্বের নানা প্রান্তে প্রতি মিনিটে নিভে যাচ্ছে কমপক্ষে পাঁচটি প্রাণ। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায়, লকডাউনের সময় বাড়াচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত