আজ সোমবার, ২২ জুলাই, ২০২৪

Advertise

ছড়া, ছড়ি বা ঝিরিকেও ‘নদী’ স্বীকৃতি দিন

আব্দুল করিম কিম  

বাংলা ভাষায় নদীর প্রচলিত ও অপ্রচলিত অনেক প্রতিশব্দের মধ্যে রয়েছে ছড়া ও ঝিরি। ইংরেজিতে ছড়া বা ছড়িকে ‘ক্রিক’ এবং ঝিরিকে ‘স্ট্রিম’ বলা হয়। সংকীর্ণ ও অগভীর এসব প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ মূলত পাহাড়-টিলা থেকে সমতলের দিকে কলকল শব্দে নেমে আসে। মিলিত হয় অন্য ছড়া বা নদীর সঙ্গে।

ছড়া বা ঝিরির পানির সাধারণত তিনটি উৎস থাকে– পাহাড় বা টিলাপৃষ্ঠে জমে থাকা পানি; ভূপৃষ্ঠের পানি এবং ভূগর্ভ থেকে উৎসারিত পানি। এই ছড়ার প্রবাহ শুষ্ক মৌসুমে তলানিতে নেমে এলেও বর্ষায় রুদ্র রূপ ধারণ করতে পারে। বৃষ্টিপাতের মাত্রা বেড়ে গেলে ও পাহাড়ি ঢল নেমে এলে ছড়ার সীমানা বিস্তৃত হয়। শুষ্ক মৌসুমে প্রবহমান পানি থাকে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার।

ছড়া বা ঝিরি সমতলের নদী বা খালের মতো নয়। এর রয়েছে আলাদা বাস্তুতন্ত্র। ছড়ায় প্রবাহিত জলজ প্রাণে সমতলের নদীর চেয়ে ভিন্ন প্রজাতির মাছ, সাপ, ব্যাঙের বসতি থাকে। ছড়াতীরেও থাকে বিশেষ প্রজাতির জীববৈচিত্র্য। ছড়া তীরের বৃক্ষ, তৃণ ও গুল্মের রয়েছে স্বাতন্ত্র্য। পাহাড়ি ছড়ায় কাদামাটি সাধারণত থাকে না। ছড়ায় বালু ও ছোট-বড় পাথরের আধিক্য থাকে। সব ছড়া বা ঝিরিতে সারাবছর পানিপ্রবাহ না-ও থাকতে পারে।

বাংলাদেশের নদ-নদীর তালিকায় ছড়া বা ঝিরিকে নদী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যদিও অনেক ছড়া দেশের পরিচিত নদ-নদীর চেয়ে আকারে বড়। কোনো কোনোটি রুদ্র রূপ ধারণ করে। সিলেট বিভাগে মহিষখোলা, চলতি বা জালুখালি, চেলা, সোনালী চেলা, আশাউড়া, মৌলা, রাঙপানি, নলজুরি, দোনা, সুরই, গুগালীছড়া, মূরইছড়া, বিলাশছড়া, লঙ্গাই, লাঘাটা, করাঙ্গী মূলত বড় আকারের ছড়া হলেও নদী হিসেবে স্বীকৃত।

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট বিভাগে ছোট-বড় পাহাড়-টিলার এই জলপ্রবাহকে ‘ছড়া’ নামে অভিহিত করা হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, কক্সবাজার এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকা) এই প্রবাহ ছড়ি ও ঝিরি নামে পরিচিত। অর্থাৎ সিলেটে যা ‘ছড়া’, চট্টগ্রামে তা ‘ছড়ি’।

চট্টগ্রাম বিভাগে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের নামে ‘ছড়ি’র ছড়াছড়ি। ‘ছড়ি’যুক্ত জেলা আছে ১টি (খাগড়াছড়ি); উপজেলা আছে ১১টি ও ইউনিয়ন আছে ৫০টি। সিলেট বিভাগে ‘ছড়া’ নামযুক্ত জেলা-উপজেলা না থাকলেও ২টি ইউনিয়ন রয়েছে। সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় আছে ‘ঘিলাছড়া’ এবং জকিগঞ্জ উপজেলায় আছে ‘খলাছড়া’ ইউনিয়ন। আর সিলেট বিভাগের ৪৮টি চা-বাগানের নামের সঙ্গে ‘ছড়া’ যুক্ত রয়েছে। পাশ দিয়ে প্রবাহিত প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের নামেই পরিচিতি পেয়েছে এগুলো। যেমন উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান ‘মালনীছড়া’ গড়ে উঠেছে ‘মালনীছড়া’ প্রবাহের নামে। ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সিলেট নগর হয়ে সুরমা নদীতে মিশেছে।

সিলেট মহানগরীতে প্রায় ৩০টি ছড়ার নাম পাওয়া যায়। যদিও অদূরদর্শী নগর পরিকল্পনায় এসব ছড়ার অধিকাংশই ড্রেন বা নর্দমায় পরিণত হয়েছে। সিলেট নগরীর সৌন্দর্য ছিল ছোট ছোট পাহাড় ও সেখান থেকে নেমে আসা এসব প্রাকৃতিক জলপ্রবাহের স্বচ্ছ ও সুপেয় পানি চার দশক আগে নিজেও পান করেছি।

সিলেট মহানগরে প্রবাহিত ছড়াগুলো হচ্ছে মালনীছড়া (চৌকিদেখি-হাউজিং এস্টেট-মিরেরময়দান-সাগরদিঘি-বাঘবাড়ি), তেলনীছড়া (আম্বরখানা), গুদামছড়া (বহর আম্বরখানা), গোয়ালীছড়া (তেররতন-উপশহর-ছড়ারপাড়), মংলীছড়া (রিকাবীবাজার), মঙ্গলীছড়া (লোহারপাড়া-দরগাগেট), মুগনীছড়া (কাজিরবাজার), হলদিছড়া (শাপলাবাগ, ব্রাহ্মণপাড়া, সাদীপুর), বাবুছড়া (দক্ষিণ সুরমা), বড়ছড়া (দেবপুর), ঝুনিয়াছড়া (লাক্কাতুরা), বলরামছড়া (জিন্দাবাজার-জামতলা-তালতলা), বারুতখানাছড়া, জল্লার ছড়া, মির্জাজাঙ্গাল ছড়া, বৈঠাছড়া, কালীবাড়ী ছড়া, ব্রাহ্মণ ছড়া, যুগনীছড়া, ধোপাছড়া, ভুবিছড়া, নীলবাড়ি ছড়া।

আগেই উল্লেখ করেছি, পাশ দিয়ে প্রবহমান ছড়ার নামে রয়েছে একাধিক চা বাগান। চা বাগান মূলত গড়ে উঠেছে পাহাড়-টিলাভূমিতে। সেখানে অবস্থিত প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ বা ছড়া/ছড়ির নামেই পরিচিত হয়েছে ছোট-বড় ৪৮টি চা বাগান। এ ছাড়া সিলেট জেলার অন্যান্য চা বাগান হলো– সদর উপজেলার কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া ও ছড়াগাং; ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মোমিনছড়া ও ডালুছড়া; জৈন্তাপুর উপজেলার বাগছড়া; কানাইঘাট উপজেলার লোভাছড়া ও নুনছড়া। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার খেজুরীছড়া, উদনাছড়া, হুগলীয়াছড়া, মাকড়িছড়া, জাগছড়া, টিপড়াছড়া, আমরাইল ছড়া, হরিণছড়া, বিলাসছড়া, লাখাইছড়া, পুটিয়াছড়া, বর্মাছড়া, ফুলছড়া, কাকিয়াছড়া, সোনাছড়া ও খাইছড়া; কমলগঞ্জ উপজেলার পদ্মছড়া, দেওড়াছড়া, বাঘাইছড়া, কামারছড়া, দেওছড়া, সুনছড়া, ভাগীছড়া, পালকিছড়া ও ডবলছড়া; কুলাউড়া উপজেলায় হলিছড়া রাঙ্গীছড়া ও মুড়ইছড়া; বড়লেখা উপজেলায় লক্ষ্মীছড়া; রাজনগর উপজেলায় উদনাছড়া চা বাগান।

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার চৈলতাছড়া, কামাইছড়া ও বালুছড়া; চুনারুঘাট উপজলার চন্ডিছড়া; মাধবপুর উপজেলার সাতছড়ি চা বাগান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় রয়েছে কালাছড়া চা বাগান। চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার কৈয়াছড়া-ডলু; কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগগাছড়া; রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঠান্ডাছড়ি চা বাগান। চা-বাগানের বাইরে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার পুঁটিজুড়িতে আছে রূপাইছড়া রাবার বাগান। সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাটে রয়েছে ‘বড়ছড়া’ স্থলবন্দর। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে মেঘালয় থেকে নেমে আসা বড়ছড়া।

দেশের প্রধান দুই বনাঞ্চল মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ও হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে একাধিক ছড়া। লাউয়াছড়ায় রয়েছে লাউয়াছড়া, কালাছড়া, মাগুরছড়া, জানকীছড়া, জাগছড়াসহ আরও কিছু ছড়া বা ঝিরি। আর সাতটি ছড়ার প্রবাহের কারণে অপর বনাঞ্চলটির নামে হয়েছে ‘সাতছড়ি’। মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে রয়েছে তেঁতুলতলা ছড়া ও সাহাপুর ছড়া।

কমলগঞ্জের রাজকান্দি হিল রিজার্ভ ফরেস্টে রয়েছে বাঘাইছড়া, সোনারায়ছড়াসহ নাম না জানা একাধিক প্রবাহ। বড়লেখা উপজেলার পাথারিয়া বনাঞ্চলে মাধবকুণ্ড ঝরনার প্রবাহটির নাম ‘মাধবছড়া’। জুড়ি উপজেলার লাঠিটিলা ও হারারগজ বনাঞ্চলে রয়েছে লালছড়া, রূপাছড়া, হায়াছড়া, শুকনাছড়া, জড়িছড়া। সিলেট বিভাগে পাহাড়-টিলায় গড়ে তোলা খাসিয়া, গারো ও ত্রিপুরাদের একাধিক পুঞ্জি বা পল্লিও রয়েছে ছড়ার নামে। এসব পুঞ্জির বাসিন্দারা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে ছড়ার পানি ব্যবহার করে। তাই ছড়ার পাশে গড়ে তোলা বসতির নাম ছড়ার নামেই রাখা। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় আছে দোনা ছাদিছড়া পুঞ্জি ও রাতাছড়া পুঞ্জি।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজলেয়ায় ডলুছড়া ত্রিপুরাপল্লি, চলিতাছড়া পানপুঞ্জি, লাংলিয়াছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, ধনছড়া খাসিয়াপুঞ্জি,সোনাছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, হরপাছড়া ত্রিপুরা পল্লি, জাম্বুরাছড়া ত্রিপুরা পল্লি, সাতগাঁও পাহাড়ে আমরাইলছড়া সাঁওতাল ও গারো পল্লি। কমলগঞ্জে দেবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, লাউয়াছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, মাগুরছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, কালাছড়া ত্রিপুরা ও গারো পল্লি, গোবিনছড়া খাসিয়াপুঞ্জি, কামারছড়া পানপুঞ্জি, ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি। কুলাউড়ার কাঁকড়াছড়া পুঞ্জি, মুরইছড়া পুঞ্জি, এওলাছড়া পুঞ্জি, উগারছড়া পুঞ্জি, ডলুকছড়া পুঞ্জি, সোনাছড়ি পুঞ্জি, মনছড়া বস্তি, চৈলতাছড়া পুঞ্জি, লম্বাছড়া বাগান বাড়ী পুঞ্জি, ইছাছড়া পুঞ্জি, বেগুনছড়া, লংলাছড়া পুঞ্জি, পুঁটিছড়া পুঞ্জি, রাঙ্গিছড়া খাসিয়াপুঞ্জি। ভাটেরা ইউনিয়নে ইছলাছড়া পুঞ্জি ও হবিগঞ্জের বাহুবলে রয়েছে আলিয়াছড়া পুঞ্জি।

উল্লিখিত ছড়াগুলোর বাইরেও পাওয়া যায় অনেক ছড়া। সিলেট বিভাগের চার জেলা মিলিয়ে প্রায় দুইশ ছড়ার নাম পাওয়া যায়। বিভিন্ন জেলা- উপজেলা ও ইউনিয়নে ছড়িয়ে থাকা এসব ছড়া হারিয়ে যেতে বসেছে। ভারতের মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা অনেক ছড়ার গতিপথ পরিবর্তিত হয়েছে। ওপারে জলাধার তৈরি করে ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দেওয়া করা হচ্ছে। এদিকে দেশের অভ্যন্তরে নির্বিচারে পাহাড়-টিলা কাটা ও পাহাড়-টিলায় থাকা বনাঞ্চল নিধনের কারণে ছড়ায় পানির প্রবাহ ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। যার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে হাইল হাওড় ও হাকালুকি হাওড়ে।

পাহাড়ি ছড়া বিনাশের আরেকটি কারণ হচ্ছে নির্বিচারে বালু উত্তোলন। সিলেট বিভাগের একাধিক ছড়ায় পাওয়া যায় মূল্যবান সিলিকা বালু। এই বালু বিজ্ঞানভিত্তিক উপায় অবলম্বন না করে নির্বিচারে উত্তোলন করার খেসারত দিতে হচ্ছে একাধিক চা বাগান ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানকে। নির্বিচারে বালু উত্তোলনে এসব এলাকার পাহাড়-টিলায় ধস নামছে। বনভূমি উজাড় হচ্ছে। ছড়া শুকিয়ে যাওয়ায় বন্যপ্রাণীরা পানির অভাবে লোকালয়ে চলে আসে।

মানুষের পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে ছড়ার বাস্তুতন্ত্র বিনষ্ট হচ্ছে। অনেক ছড়া ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়েছে। অনেক ছড়ার নামের পরিবর্তন ঘটেছে। তাই ‘ছড়া’ বা ‘ছড়ি’ নামের প্রাকৃতিক পানির এই অনন্য প্রবাহকে সুরক্ষা করার উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে। ছড়ার বিলুপ্তিতে সিলেট বিভাগের নদ-নদী ও হাওর বিনাশ হবে। তাই সিলেট বিভাগের সব ‘ছড়া’ সংরক্ষণে ছড়াপাড়ের মানুষকে সচেতন করা প্রয়োজন। ছড়া রক্ষা করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন ‘ছড়া’কে চিহ্নিত করা।

আর ছড়া, ছড়ি বা ঝিরিকে ‘নদী’ হিসেবে স্বীকৃতিও জরুরি। কারণ প্রাকৃতিক গঠন ও প্রতিবেশগত চরিত্রের দিক থেকে এগুলো নদীই। কিন্তু প্রতিশব্দ হিসেবে ছড়া, ছড়ি বা ঝিরি নাম থাকার কারণে নদীর মতো গুরুত্ব পায় না। অথচ বিশ্বের অন্যান্য দেশে এ ধরনের প্রবাহ নদী হিসেবেই স্বীকৃত ও সংরক্ষিত। আমাদের দেশেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার কোনো কারণ নেই।

আব্দুল করিম কিম, সমন্বয়ক, সিলেটের ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি ও প্রকৃতি রক্ষা পরিষদ।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৬ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭১ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৪৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ৩৩ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৭ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১০৯ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪১ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯১ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ১৯ রাজেশ পাল ২৮ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাওন মাহমুদ