আজ রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

Advertise

সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও চ্যালেঞ্জ

ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন  

পৃথিবীর চারভাগের তিনভাগ জুড়েই রয়েছে সাগর-মহাসাগর, যা পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ইকোসিস্টেম। অর্থনীতিতে সমুদ্রসম্পদের রয়েছে বিরাট ভূমিকা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বৃদ্ধি, অতিরিক্ত মৎস্য শিকার ও সামুদ্রিক দূষণের কারণে বৈশ্বিক সমুদ্রের সংরক্ষিত এলাকা থেকে প্রাপ্ত অর্জন ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়ছে সমুদ্রসম্পদের নিরাপদ আশ্রয়। জাতিসংঘের ২০১৭ সালের এসডিজি রিপোর্ট অনুসারে, বৈচিত্র্যময় সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকার গড় বিস্তৃতি ২০০০ সালে ৩২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৭ সালে দাঁড়িয়েছে ৪৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মৎস্য আহরণ উপযোগী সামুদ্রিক জলরাশি অতিরিক্ত মৎস্য আহরণের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। মৎস্য আহরণে অস্থিতিশীলতা ১৯৭৪ সালের ১০ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০১৩ সালে ৩১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সাগর, মহাসাগর ও সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বৈশ্বিক উন্নয়ন এজেন্ডা ২০৩০-এ গৃহীত হয়েছে এসডিজি ১৪। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ১৪-এর লক্ষ্য হলো, সামুদ্রিক জলরাশির ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় এলাকার ইকোসিস্টেমের দূষণ রোধ। সেই সঙ্গে সামুদ্রিক অস্তিত্বের প্রভাব সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ ও এর টেকসই ব্যবহার বৃদ্ধি করা। টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশও সাগর, মহাসাগর ও সমুদ্রসম্পদের টেকসই ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। সমুদ্রসম্পদের চ্যালেঞ্জগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মোকাবিলা করতে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে সামনে।

বাংলাদেশের মোট সমুদ্রসীমার আয়তন প্রায় এক লাখ ২১ হাজার ১১০ বর্গকিলোমিটার। সাম্প্রতিক সময়ে সেন্টমার্টিনের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে শুরু করে সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশের দিকে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ৭১০ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বিস্তৃত সমুদ্রাঞ্চল বিভিন্ন প্রজাতি ও প্রকারের সমুদ্রসম্পদের উৎস। সামুদ্রিক কচ্ছপের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজনন এলাকা হলো সমুদ্রের পূর্ব উপকূল। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল অঞ্চলও এই পূর্ব উপকূলেই অবস্থিত। পূর্ব এশিয়া-অস্ট্রেলেশিয়ান এবং মধ্য এশিয়ান অঞ্চলের প্রায় ১০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আবাসস্থল, বিচরণ কেন্দ্র এবং তাদের শীতকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কেন্দ্রীয় উপকূল এলাকাকে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল বিশ্বের বিলুপ্তপ্রায় ১০ প্রজাতির উপকূলীয় পাখির আশ্রয়স্থল। পশ্চিম উপকূলীয় এলাকায় স্তন্যপায়ী প্রাণী, যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার এবং বিভিন্ন সরীসৃপ লোনা পানির কুমিরের আশ্রয়স্থল। সাম্প্রতিক এফএওর (ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অরগানাইজেশন) প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক উৎস থেকে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে ২৫তম এবং সামগ্রিক মৎস্যচাষে পঞ্চম। বর্তমান প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পারলে ২০২২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশের দখলে চলে আসবে মৎস্য আহরণের শীর্ষস্থান।

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্যসম্পদ ছাড়াও বাংলাদেশ সমুদ্র-তীরবর্তী এলাকা তেল ও গ্যাসের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। যদিও এখনও পর্যন্ত সমুদ্র এলাকায় তেল ও গ্যাস খননে খুব বেশি সাফল্য আসেনি। সমুদ্র এলাকায় তেল ও গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে এখন পর্যন্ত মিয়ানমারের নিকটবর্তী অগভীর সমুদ্রাঞ্চলকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ এরই মধ্যে মিয়ানমারের আরাকান উপকূলীয় এলাকায় অনেক বড় গ্যাসক্ষেত্র (শিও, ফু, মিয়া) আবিস্কৃত হয়েছে। বাংলাদেশ অংশেও রয়েছে এর সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এরই মধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে নিয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।

সরকারের নানামুখী উদ্যোগের পরও সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রয়ে গেছে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ। তেল কোম্পানি এবং নিলামকারীরা সহজসাধ্য ও স্বল্প ব্যয়ের কারণে সাধারণত সমুদ্র উপকূলীয় অগভীর অঞ্চলে খনন করতে আগ্রহী হয়। কিন্তু এসব এলাকায় খনন কাজের ফলে সামগ্রিক পরিবেশ, আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং মৎস্যসম্পদের ওপর বিরাট বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। এছাড়াও এসব খনন কাজের সময় সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া তেল, মৎস্যসম্পদ, মৎস্যক্ষেত্র, মৎস্য প্রজনন ও পরিচর্যা, লবণাক্ত জলাভূমির ইকোসিস্টেম, প্রবাল, ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম, উপকূলীয় পর্যটন, লবণ শিল্প, জনজীবন ও স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে প্রাপ্ত সুবিধা কমিয়ে দিতে পারে। উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে চট্টগ্রামের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলে জাহাজ ভাঙা ও মেরামত শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড; সমুদ্র উপকূলীয় পরিবেশের ওপর যার বিরাট প্রভাব রয়েছে।

এই শিল্পের কারণে শিল্পাঞ্চল ও এর আশপাশের এলাকার মৎস্যসম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সবচেয়ে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটছে জাহাজ ভাঙার সময়ে সামুদ্রিক খাদ্য শিকলে নিঃসরিত দূষণের ফলে। উপকূলীয় এলাকায় অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ, অধিক পরিমাণে বাচ্চা মাছ নিধন, বিভিন্ন বাঁধ নির্মাণ, পলি জমা, কীটনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ও দূষণ ইত্যাদির কারণে উপকূলীয় এলাকার জীববৈচিত্র্য দ্রুত কমে আসছে এবং পরিবেশগত বিপর্যয় ডেকে আনছে। মনুষ্যসৃষ্ট দূষণ ও ক্রমবর্ধমান মৎস্য চাহিদা ও আহরণ প্রতিবছরই বাড়ছে। একদিকে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য অবৈধ প্রক্রিয়ায় মৎস্য আহরণের কারণে সব ধরনের মাছ ও চিংড়ি মারাত্মক নিধনের শিকার হচ্ছে; অন্যদিকে চিংড়ি ও নরম খোলবিশিষ্ট সামুদ্রিক কাঁকড়ার অতিরিক্ত চাহিদার কারণে এদের বিভিন্ন প্রজাতি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই নিধন হচ্ছে। নগরের পয়ঃনিস্কাশন, শিল্পবর্জ্য, তৈলবর্জ্য এবং জাহাজ ভাঙা কার্যক্রমের কারণে যেমন রাসায়নিক দূষণ ঘটছে, তেমনি বাড়ছে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা। টেকসই সাগর ও মহাসাগর নিশ্চিতকরণের জন্য এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা জরুরি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ একটি বিরাট সমুদ্র এলাকা অর্জন করেছে। এই বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চল প্রাকৃতিক গ্যাস এবং জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ। তবে সমুদ্র তলদেশ থেকে অদক্ষ গ্যাস উত্তোলন সমুদ্রকেন্দ্রিক জীবসম্পদের ওপর বিরাট খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। এ ধরনের সম্পদগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই বর্তমানে দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক সময়ে দুটি সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে, যার একটি হলো ইলিশের নিরাপদ প্রজনন কেন্দ্র এবং অন্যটি তিমির অভয়ারণ্য। সমুদ্রসম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করার বিকল্প নেই। উপকূলীয় অঞ্চল এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও শিল্প কর্মকাণ্ডের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে যে কোনো উপায়ে। টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার জন্য মৎস্য আহরণও টেকসই পরিমাণে বজায় রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের নিমিত্তে সরকার ইতোমধ্যে মৎস্য প্রজনন মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে এবং প্রায় তিন দশক পরে উপকূলীয় এলাকায় মাছের প্রাচুর্যতা পর্যবেক্ষণের জন্য ২০১৮ সালে মৎস্য জনসংখ্যা পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ব্যাপ্তি এখন আর শুধু উপকূলীয় বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবিকার নিরাপদ বলয় তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা সারাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা, বিশেষ করে পুষ্টির জোগানে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহারের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থাপনা বা কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সমুদ্রসম্পদ সুরক্ষায় সমুদ্রাঞ্চল আইন প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার মধ্যে সংঘটিত যে কোনো অবৈধ মৎস্য আহরণ, দস্যুতা, ডাকাতি কিংবা সহিংস ঘটনার মোকাবিলায় বিশেষ আইন করা হয়েছে। আইনে সমুদ্রাঞ্চল নির্ধারণ, দূষণ প্রতিরোধ, অবৈধ মাছ ধরা, দেশি-বিদেশি জাহাজের ওপর নজরদারি এবং সমুদ্রসম্পদ রক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিদেশি মৎস্য নৌযান কর্তৃক মৎস্য আহরণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের সমুদ্রসম্পদ রক্ষা, ব্লু ইকোনমি এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয়ে সমন্বিত আইন। আইনটিতে সামুদ্রিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া ও জলবায়ু, প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে মৎস্যের মজুদ বাড়ানোর লক্ষ্যে অনিয়মিত, অজ্ঞাত, অবৈধ ও অপরিকল্পিত মৎস্য আহরণ বন্ধে কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার। টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য বঙ্গোপসাগরের মৎস্যসম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও এর মজুদ নির্ণয়ের জন্য গবেষণা ও জরিপ জাহাজ 'মীন সন্ধানী'র মাধ্যমে জরিপ চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য আইন-২০১৮ অনুমোদিত হয়েছে এবং বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণাধীন রয়েছে। সামুদ্রিক মৎস্য নীতি-২০১৬-এর সংস্কার করা হয়েছে এবং এটি মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় একটি ভেসেল ট্র্যাকিং মনিটরিং অফিস স্থাপন করা হয়েছে। অধিকতর নজরদারির জন্য ১৩৩টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রলারে ভেসেল ট্র্যাকিং মনিটরিং সিস্টেম (ভিটিএমএস) স্থাপন করা হয়েছে। ৬৭ হাজার ৬৬৯টি যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযানের ডেটাবেইজ প্রণয়ন করা হয়েছে। উপকূলীয় জেলেদের মাঝে জীবন রক্ষাকারী সামগ্রীসহ মাছ ধরার জন্য ১১৮টি অত্যাধুনিক নৌকা বিতরণ করা হয়েছে। সামুদ্রিক জলরাশির ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় এলাকার ইকোসিস্টেমের দূষণরোধ করে টেকসই সাগর, মহাসাগর ও সমুদ্রসম্পদের দক্ষ ব্যবহার ও সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ সরকার। সমুদ্র অর্থনীতিকে সামনে রেখে সমুদ্রে অব্যবহৃত ও এর তলদেশে অউন্মোচিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এই অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করতে আঞ্চলিক সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ।

ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন, মন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ১৪ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২৯ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৫ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ২৪ এনামুল হক এনাম ৩০ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৪ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৫৫ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৪০ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৩ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৩৩ রাজেশ পাল ২৪ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম

ফেসবুক পেইজ