আজ রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

Advertise

বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী  

বঙ্গবন্ধু এমন একটি অর্থনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন যাতে আপামর জনসাধারণ শোষণ-বঞ্চনাহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। মানুষের জন্য মঙ্গল সাধনে ব্যাপৃত অর্থনৈতিক পরিকাঠামো তৈরির জন্য বঙ্গবন্ধু প্রয়াস গ্রহণ করেছিলেন, যাতে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল পরিধায় মানুষের কল্যাণ সাধন করা যায়।

১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের যে নির্বাচনী ইশতেহার ছিল সেখানে এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থার রূপরেখা ঘোষণা করা হয়েছিল, যাতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন করা যায়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করা যায় এবং জনকল্যাণের লক্ষ্যে সার্বজনীন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় ও উন্নয়নের ফলাফল বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে সমভাবে বণ্টিত হয়। দ্রুত মানুষের অর্থনৈতিক পুনর্বাসন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার অব্যবহিত পরপরই ব্যাংক-বীমা, শিল্প-কলকারখানা জাতীয়করণ করেছিলেন, যাতে করে প্রতিষ্ঠানসমূহকে দ্রুততার সঙ্গে ঢেলে সাজানো যায় এবং অর্থনৈতিক বিকাশকে মানবকল্যাণের কাজে লাগানো সম্ভব হয়। তাঁর এ যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত দেশের ব্যাংক-বীমা ও শিল্প-কলকারখানায় উৎপাদনমুখী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গতিময়তা দিতে সক্ষম হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি আমদানি বিকল্পায়ন শিল্প প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সদ্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটি দেশে পাকিস্তানী বাহিনী ও রাজাকাররা যে ধ্বংসস্তূপ তৈরি করেছিল সেখান থেকে উত্তরণের জন্য বঙ্গবন্ধু প্রয়াস গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সব সময় শ্রমজীবী, মেহনতী মানুষের কথা ভেবেছেন। কৃষিজীবীদের প্রতি তাঁর ছিল সুগভীর ভালবাসা। তিনি সব সময় চাইতেন ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত এবং নিরক্ষরতামুক্ত রাষ্ট্র গঠনের জন্য বলিষ্ঠ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে। তিনি কৃষিবিদদের যথাযথ সম্মানার্থে তাদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধু উন্নতমানের বীজ, সার, কীটনাশক এবং সেচ ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেন, যাতে করে কৃষকরা অধিকহারে ফসল ফলাতে পারেন। বস্তুত তিনি অনুভব করেছিলেন যে, কৃষি উন্নয়ন এবং খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিকল্প নেই। এজন্য তিনি কৃষিশিক্ষা, গবেষণা, বাজার সম্প্রসারণ, কৃষিশিল্প ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কৃষি জমির করও মওকুফ করেছিলেন। তিনি সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কৃষিশিক্ষা, গবেষণাকে বাস্তবমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। কৃষিজাত পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। কৃষকদের মঙ্গলের জন্য তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে কৃষির উন্নয়নের জন্য বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি কৃষিক্ষেত্রে সমন্বিত কৃষি চর্চার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন, যাতে আমরা বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য অধিক হারে পেতে পারি এবং কৃষিক্ষেত্রে পণ্যের বহুধাবিভক্তিকরণের মাধ্যমে উৎপাদনকারীরা যেন অধিকহারে পণ্য উৎপাদনে ব্রতী হোন। তিনি সমন্বিত চাষাবাদের ব্যবস্থা করেন, যাতে কৃষকের জমির সীমানার জন্য ফসল উৎপাদন ব্যাহত না হয়। তিনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে সে সময় অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামোয় আনয়নের জন্য একটি গ্রাম উন্নয়ন আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এ লক্ষ্যে তিনি গ্রাম পর্যায়ে সমবায় গঠন, তহবিল, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা প্রভৃতিকে কাঠামোর রূপরেখায় এনেছিলেন। তিনি ২৯৯ একর থেকে ৫০০ একরের মধ্যে একটি গ্রামীণ সমবায় গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮) ঘোষণা করেন। এতে ৪৪৫৫ কোটি টাকার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্য দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা পূরণ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দুঃখজনক যে, বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পরবর্তী শাসকেরা ইচ্ছে করেই প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অপতৎপরতা দেখান। অথচ প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি সুচারুরূপে বাস্তবায়ন করা গেলে তা দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল বয়ে আনত। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ধীরলয়ে করার জন্য তাগিদ দেয়া হয়েছিল, যা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত।

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২/পিও নং ১২৪, ১৯৭২) প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের আর্থিক ও অর্থ ব্যবস্থার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে আর্থিক ও ঋণনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধান, দেশীয় আর্থিক বাজারের প্রচার ও উন্নয়ন, দেশের আন্তর্জাতিক রিজার্ভের ব্যবস্থাপনা, মুদ্রা নোটের সরবরাহ, লেনদেনের নিয়ন্ত্রণ এবং তত্ত্বাবধান, সরকারের ব্যাংক হিসেবে কাজ করা, বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ করা। তিনি কৃষি উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্পঋণ সংস্থা বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন।

জননেত্রী শেখ হাসিনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ শীর্ষক প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্তব্য করেছেন, ‘অন্যায়কে তিনি কোনদিনই প্রশ্রয় দিতেন না। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতে তিনি কখনও পিছপা হননি।’ (পৃ. ৫, নিরীক্ষা, ২৩০ সংখ্যা)। বস্তুত দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু তাঁর শাসনামলে নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। অর্থনৈতিক দর্শনে তিনি মানুষের মঙ্গলের জন্য যাতে দুর্নীতিমুক্তভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় সেজন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্নীতি একটি বড় বাধাস্বরূপ।

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান নানা ফ্রন্টে একাধিক কার্যক্রম গ্রহণ করেন, যাতে করে সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস করা যায়। একটি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। বঙ্গবন্ধু সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বাসী ছিলেন এবং শিক্ষাকে মৌলিক মানবাধিকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করতেন। শিক্ষা বিষয়ে মান উন্নয়নের জন্য ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে প্রতিষ্ঠা করেন। এই কমিশন গঠনের মাধ্যমে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় কি উন্নতি অনুভূত হবে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সুপারিশমালা পেশ করেন। তিনি জানতেন জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর করা গেলে বাঙালিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। বস্তুত শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন গঠন করে সেখানে শিক্ষাবিদদের মাধ্যমেই শিক্ষার মান উন্নয়নে চেষ্টা করেছেন। তিনি আমলামুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন পরিচালনার প্রয়াস নিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু সবার জন্য স্বাস্থ্যনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। কেননা সুস্বাস্থ্য থাকলেই মানুষ কর্মক্ষম থাকবে এবং মানুষের পক্ষে নিরবচ্ছিন্নভাবে ভাল কাজ করা সম্ভব হবে। এ কারণে তিনি স্বাস্থ্যনীতিতে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করতে সচেষ্ট ছিলেন। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতেও সবার জন্য বঙ্গবন্ধুর স্বাস্থ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির পরিচয় পাওয়া যায়। সে সময় প্রাথমিকভাবে গ্রামে ও শহরে ৫০০ চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু পেট্রোবাংলা, বাপেক্স, প্রগতিসহ নানাবিধ প্রতিষ্ঠানও প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর এই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মধারা যদি সঠিকভাবে ১৯৭৫ পরবর্তীতে পরিচালিত হতো তবে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি আরও বেগবান হতো। সাধারণ মানুষের কাছে খাদ্যসহ নানাবিধ পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু টিসিবি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী শাসকরা তা খণ্ডবিখণ্ড করে ফেলেছিলেন। বর্তমান সরকার অবশ্য টিসিবিকে আরও গতিময়তা দিতে চেষ্টা করছে। তিনি বিএডিসির মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নে সচেষ্ট ছিলেন। ইচ্ছাকৃতভাবে পঁচাত্তর পরবর্তী সরকার সেখানে বৈরিতার সৃষ্টি করে। আসলে কোনকিছু সৃষ্টি করতে হলে যে মাহাত্ম্য, ত্যাগ-তিতিক্ষা লাগে তা বঙ্গবন্ধুর মধ্যে ছিল। কিন্তু যে নরাধামরা পৈশাচিক উপায়ে ক্ষমতায় এসেছিল তাদের মনমানসিকতা ছিল নিচু প্রকৃতির। রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় তারা ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থা ও লুটেরা শ্রেণি কায়েম করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার কর্মকাণ্ডকে কেবল বাধাগ্রস্তই করেনি, বরং ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থায় অরাজকতার সৃষ্টি করেছে। বঙ্গবন্ধু মনেপ্রাণে বাঙালিকে ভালবাসতেন বলেই আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে পৃথিবীর বুকে পরিচিত করতে চেয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শনের মূল কথা ছিল- তিনি মানুষের মধ্যকার ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূর করবেন এবং মানুষকে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্ত করবেন। তিনি সম্পদের সুষম বণ্টনের ক্ষেত্রে সমতা বিধানের প্রয়াস গ্রহণ করেছিলেন এবং উচ্চ ও নিম্ন আয়ের গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান দূর করতে সচেষ্ট ছিলেন। পরসম্পদ লুণ্ঠনকারীদের প্রতি তাঁর সহজাত ঘৃণা ছিল।

যে ছয় দফা আন্দোলনকে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতার ধারক-বাহক হিসেবে জাতির জনক ঘোষণা করেছিলেন, স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই তিনি সেই ছয় দফার আলোকে মানুষের মধ্যে কর্মতৎপরতা এবং সাযুজ্যতার ব্যাপ্তি ঘটাতে সচেষ্ট ছিলেন। ঔপনিবেশিক শাসনামলের অবসান ঘটিয়ে শোষণমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ তিনি গ্রহণ করেছিলেন। সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে তাঁর প্রয়াস ছিল অকল্পনীয়। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য অবস্থায় তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত রাষ্ট্রের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করেন। বঙ্গবন্ধু যেভাবে আমদানি বিকল্পায়ন ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, আজ মহামারীর সময় সেটি বজায় থাকলে আমাদের দেশের জন্য ভাল হতো। কিন্তু পঁচাত্তর পরবর্তী সরকার সে প্রয়াস থেকে সরে আসে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু যেভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে চেয়েছিলেন সুদের হার আমানত ও ঋণ উভয় ক্ষেত্রে শহর ও পল্লীর জন্য পার্থক্য রেখে, সেটিও পরবর্তী শাসকেরা তুলে দেয়।

অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী, ম্যাক্রো ও ফিন্যান্সিয়াল ই৪কোনমিস্ট; শিক্ষাসংক্রান্ত বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত; আইটি ও উদ্যোক্তা বিশেষজ্ঞ; সাবেক উপাচার্য প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।ইমেইল: Pipulbd@gmail.com

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১১৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৭ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪১ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর