আজ শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

Advertise

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি কি অধরা থেকে যাবে?

জুয়েল রাজ  

এই বছর নভেম্বরে বাংলাদেশে স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা অর্থনৈতিক মন্দা সব মিলিয়ে সেই যাত্রা পথ আরও তিন বছর দীর্ঘ হয়েছে। আগামী তিন বছর তাই বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধরে নেওয়া যাক, ২০২৯ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করার প্রয়াস স্থগিত রাখবে। ইতিমধ্যেই ঢাকার অনুরোধে ইতিবাচক ইঙ্গিতও নাকি মিলেছে। তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে ২০২৬-এর নভেম্বরের বদলে ২০২৯-এর নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি রাষ্ট্র হিসাবে সকল সুযোগ সুবিধা বাংলাদেশ পাবে।

সরকারের অনুরোধে এলডিসি তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বৃদ্ধির অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনার সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)। বাংলাদেশ আশা করছে সেই সুপারিশ কার্যকর হবে। ফলে আরও তিন বছর হাতে পাবে বাংলাদেশ। এলডিসি থেকে কোন দেশ উন্নীত হবে তা পর্যালোচনা করে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের অধীন গঠিত এই সিডিপি। তাদের সুপারিশে অনেকটাই স্বস্তিতে বাংলাদেশ। কারণ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেলেই বড় ধরনের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে দেশের অর্থনীতি।

২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে সিডিপি। তাই সেই প্রস্তুতির জন্য সময় পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সেই সময়টাকে বাংলাদেশ সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারবে। নাকি বাংলাদেশের বিভাজিত রাজনীতি ও প্রতিহিংসার কারণে সেই অর্জনের কৃতিত্বের কারণে আরও পিছিয়ে যাবে। নব্বইয়ের দশকে সাবমেরিন ক্যাবল (SEA-ME-WE-3) কনসোর্টিয়ামের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে বিনা মূল্যে এই নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ তখন রাজী হয়নি বলে প্রায় এক যুগ পরে আইটি।দুনিয়াতে সংযুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। যেখানে ভারত আমাদের চেয়ে এগিয়ে যায় আইটি খাতে। আজ পুরো বিশ্বের আইটি খাতে ভারতীয়দের জয়জয়কার ।

মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণ সুযোগ পরবর্তীতে এই সুযোগ নাও আসতে পারে।অর্থনীতিবিদদের মতে, 'গ্র্যাজুয়েশন কোয়ালিফিকেশন' বা উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্যতা বাংলাদেশের রয়েছে। কিন্তু'গ্র্যাজুয়েশন প্রিপেয়ার্ডনেস' বা উত্তরণের প্রস্তুতিতে রয়ে গিয়েছে ব্যাপক ঘাটতি। সেটাই চিন্তায় রেখেছে বিএনপি সরকারকে। মনে রাখতে হবে, কোনো দেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় সূচক পূরণ করেছে কিনা সেটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি জরুরী উত্তরণের ফলে সম্ভাব্য ধাক্কা মোকাবিলাও। টেকসই ভাবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োজন ব্যাপক প্রস্তুতি। জাতিসংঘ চায়, এলডিসি উত্তরণের সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী চ্যালেঞ্জের কারণে কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে। সবদিক বিবেচনা করেই স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ। এই স্বীকৃতি জাতি হিসাবে যেমন আমাদের জন্য গর্বের হবে পাশাপাশি আর্থিক ঝুঁকি ও বাড়বে।কারণ উন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশকে যেভাবে সহযোগিতা করে উন্নয়নশীল দেশ সেই সাহায্য পায় না।

বাস্তবতা হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আর স্বল্পোন্নত দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। জাতিসংঘের সমস্ত সূচকেই বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। অর্থাৎ দেশের উত্তরণের যোগ্যতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু গত কয়েক বছরে কোভিড-পরবর্তী সংকট,

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সরবরাহ বিঘ্ন এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের মতো নানা ঘটনা এলডিসি-পরবর্তী প্রস্তুতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের গতিকে ধীর করে দিয়েছে। তাই প্রস্তুতির জন্য কিছু অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজনীয়তা আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

বাংলাদেশ ২০১৮ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের তিনটি সূচকেই সক্ষমতা অর্জন করে। ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নেও এই অর্জন অক্ষুণ্ণ ছিল। তখন ভাবা হয়েছিল, ২০২৪ সালেই বাংলাদেশের উত্তরণ সুপারিশকৃত হবে। কিন্তু সে সময়ে কোভিড-১৯-এর কারণে উত্তরণ সুপারিশটি দুই বছর পিছিয়ে ২০২৬ সালের নভেম্বরে করা হয়।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) বলেছে, সময়সীমা বৃদ্ধিতে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং ডব্লিউটিও'র সাধারণ নিয়মের আওতায় পরিচালনার প্রস্তুতি জোরদারের সুযোগকে কাজে লাগানো উচিত বাংলাদেশের। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে বেশ কিছু ঝুঁকি রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য সুবিধা হারানোর আশঙ্কা, রাজস্ব ও আর্থিক কাঠামোর দুর্বলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের সীমাবদ্ধতা। তাই সরকারকে অর্থনীতি স্থিতিশীল করার পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, জ্বালানি নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা এবং আর্থিক সংস্থান বাড়ানোসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশের সরকারি সংবাদ সংস্থা বাসস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডব্লিউটিও'র উপ- মহাপরিচালক শিয়াংচেন ঝাং বলেছেন, 'উত্তরণ-প্রক্রিয়ায় থাকা এলডিসি দেশগুলোর জন্য মসৃণ ও টেকসই রূপান্তর নিশ্চিত করতে ডব্লিউটিও সদস্যরা ইতোমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।'

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স, বাংলাদেশ (আইসিসিবি) বলেছে, এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ আরও কঠিন অধ্যায়ের সূচনা করবে। মোকাবেলায় প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সংস্কার এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার আরও বেশি সক্ষমতা।

যে অসুবিধাগুলো বাংলাদেশকে মোকাবেলা করতে হবে, উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেলেই বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এখনকার শুল্কমুক্ত ও কোটা-মুক্ত বাজার সুবিধা হারাবে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় বড় দেশে বিঘ্নিত হবে রপ্তানি বাণিজ্য। তৈরি পোশাক খাত (আরএমজি) হচ্ছে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশেরও বেশি। আরএমজি খাতে ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ হতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে কমতে পারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা। যদি উৎপাদনশীলতা না বাড়ে এবং নতুন বাজার বা উচ্চমূল্যের পোশাক পণ্যে বৈচিত্র্য আনা না যায়, তবে এই খাতের বর্তমান সুবিধাজনক অবস্থান হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

তেমনি এলডিসি থেকে উত্তরণ বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগও এনে দিবে, শুধু পোশাক খাতেই সীমাবদ্ধ না থেকে তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ওষুধ শিল্প, চামড়া, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, সেবা খাত ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ তৈরি হবে। বড় শিল্পের সুযোগ সৃষ্টি হবে, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।এই খাতগুলো দীর্ঘমেয়াদে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রেখে নতুন কর্মসংস্থান তৈরিতেও বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এরজন্য চাই আন্তর্জাতিক বাজারে উপযুক্ত বন্ধু। বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন পরে বাংলাদেশের সেই বন্ধু কি আছে বা সৃষ্টি হয়েছে? বিশেষ করে ভারতের সাথে এক ধরণের চাপা স্নায়ুযুদ্ধ জারী রয়েছে বাংলাদেশের ।

দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে তাদের উৎপাদন নির্ভর অর্থনীতি। বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর ভারত থেকে সহজেই কাঁচামাল ও প্রযুক্তি আমদানি করে বাংলাদেশও বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ, গ্যাস, শিল্পের উপযোগী কাঁচামাল প্রভৃতি ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। আগামী দিনে সম্পর্কের উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থেই ভারতের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক বুনিয়াদের সুবিধা নিতে পারি আমরা। এবং সেটি অবশ্যই নিজেদের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রেখেই উন্নয়নের সঠিক দিশায় উন্নীত হতে ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিকে আমরা ব্যবহার করতেই পারি।

একটা প্রবাদ বহুল প্রচলিত "প্রতিবেশী বদল করা যায় না" ভারত আমাদের সবচেয়ে কাছের এবং পরীক্ষিত প্রতিবেশী। তাই কঠিন সময়ে নিজেদের স্বার্থেই দুর্বল অর্থনীতির পাকিস্তান বা চীন নয়,তার বদলে ভারতীয় প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমাদের অগ্রযাত্রার পথ সুগম করার কথা চিন্তা করতে হবে। চীনের বাংলাদেশ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ আছে এবং তা অর্থনীতির চেয়ে ভূ রাজনীতি বেশি প্রাসঙ্গিক । ভারতকে চাপে রাখতে চীন বাংলাদেশে তাদের অবস্থান শক্ত করতে চাইবে সেটাই স্বাভাবিক।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে মেক ইন ইন্ডিয়া বা আত্মনির্ভর ভারত কর্মসূচির সাফল্যকে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরছে জাতিসংঘ। তারেক রহমান কি সবার আগে বাংলাদেশ শ্লোগানে সেই সফলতা অর্জন করতে পারবেন? নাকি রাজনীতির ঘোলাপানিতে শিকার খুঁজতে গিয়ে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি অধরা থেকে যাবে?

জুয়েল রাজ, সম্পাদক, ব্রিকলেন; যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি, দৈনিক কালেরকন্ঠ

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১১৯ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৭ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪২ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর