আজ শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

Advertise

অস্ট্রেলিয়ার দাবানল-বিধ্বংসী ভয়াবহতা

রণেশ মৈত্র  

অস্ট্রেলিয়া আমার অন্যতম প্রিয় একটি দেশ। বলা চলে আমাদের সেকেন্ড হোম। ২০০০ সালে সেখানে প্রথমবার যাওয়ার সুযোগ হয়। কিছু দিনের মধ্যেই আমাদের নাতি অনির্বাণের জন্ম হয় ওয়েষ্টমিড হাসপাতালে। জন্মের তিন-চার দিন পর নবজাতককে কোলে নিয়ে মহা আনন্দে হাসপাতাল থেকে বাসায় এসেছিলাম। সেই ছবিটি এখনো চোখের সামনে ভাসে।

সিডনিতে সেবার আন্তর্জাতিক মেলা বসেছিল খেলার মেলা। অলিম্পিক নামে বিশ্বজোড়া খ্যাতি তার। তখন সেখানে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে বিশাল space দিয়ে ঐ অলিম্পিকের জানা-অজানা বহু তথ্য, অলিম্পিক মশাল পৃথিবী ঘুরে সিডনি আসার আনন্দময় ছবি বিপুল আগ্রহ নিয়ে দেখতাম। ঐ মশালের শিখা দেখেই অনির্বাণ নাম রেখেছিলাম জন্মের ৩/৪ ঘণ্টার এবং জানবার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই। অনির্বাণ আমাদের অনি আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং সম্ভাবনাময় এক তরুণ ক্রিকেটার। ওদেশে অনির্বাণই প্রবাসী বাঙালি সন্তানদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ক্রিকেট খেলোয়াড়ের গৌরব অর্জন করেছে। পাবনা প্রবাসী বাঙালিরা ভুলে যান নি। দলাদলি বাঙালির চরিত্র তাই কিছুটা দলাদলির সাক্ষাত যেমন পাওয়া যায় তার চাইতে বহুগুণ বেশী পাওয়া যায় প্রবাসে বাঙালিত্ব রক্ষার প্রয়াস-বাঙালি সংস্কৃতি ধরে রাখার আপ্রাণ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা।

অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচবার গিয়েছি সহধর্মিণী পূরবী মৈত্র সহ। নিয়ে গিয়েছে বড় ছেলে প্রবীর। প্রবীর বেশ কয়েক বছর আগে সর্বজনীন ভোটে নির্বাচিত হয়েছিল প্যারামাট্টা সিটি কাউন্সিলের কাউন্সিলার। লেবার পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এবং প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে প্রথম এ গৌরব অর্জন করেছিল প্রবীর। প্রবীর সেখানে আই.টি. ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত আন্তর্জাতিক মানের চিলড্রেন্স হসপিটালে। পুত্রবধূ অপর্ণা গোস্বামী জনপ্রিয় চিকিৎসক।

অসাধারণ সুন্দর পরিবেশ দেখেছি সিডনিতে। ঐ শহরের আবহাওয়ায় যেমন জড়িত রয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়ার আদল, তেমনি রয়েছে স্বাস্থ্যকর পরিবেশও। গ্রীষ্ম, শীত উভয়ই আছে তবে কোনটাই সহ্যাতীত নয় বরং সহনশীল। বাঙালিদের দেখেছি বৈশাখী মেলার আয়োজন করতে, তেমনই দেখেছি একুশে ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ ১৬ ডিসেম্বরের মত জাতীয় দিবসগুলি উদযাপন করতে। প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শহীদ মিনারও। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালও স্থাপন করা হয়েছে পরম শ্রদ্ধায় রবীন্দ্রনাথের মূর্তিও স্থাপিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে তার প্রবেশ পথে। আবহাওয়া এমনই যে কোনদিন হাজারো ছুটাছুটি করলেও, এমন কি গ্রীষ্মকালেও গা ঘামতে দেখি নি কারও আবার প্রবল শীতে কাবু হতে দেখিনি বয়োবৃদ্ধ কাউকেও। তরুণ-তরুণীরা তো প্যান্ট-সার্ট বা গেঞ্জি পরেই দিব্যি ঘুরে বেড়ায় রাস্তায়, পার্কে, বিপণী বিতানগুলিতে।

ধর্ম? হ্যাঁ, ধর্ম আছে ব্যাপকভাবেই তবে তা নিয়ে সামান্যতম বাড়াবাড়ি নেই কোন সম্প্রদায়ের মধ্যেই। উপাসনালয় যেমন গির্জা, প্যাগোডা, মসজিদ, মন্দির প্রভৃতি আছে-প্রার্থনা হয়-অনুষ্ঠানাদিও হয় কিন্তু সর্বত্র মাইক্রোফোনের ব্যবহার থাকলেও তার আওয়াজ উপাসনালয়ের বাইরে যায় না-শব্দ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত কঠোর কিন্তু স্বত:স্ফূর্ত।

সর্বাধিক সামাজিকতা সেখানে প্রত্যক্ষ করেছি পঞ্চ-পানী, জীব-জন্তুর প্রতি ভালবাসা এবং তা যেন পশু-পাখি-জীব-জন্তুর পক্ষ থেকে মানুষের প্রতিও সমভাবে বিদ্যমান এমন অপূর্ব দৃশ্য সিডনিতে দেখার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু সেই অস্ট্রেলিয়া আজ কয়েক মাস ধরে জ্বলছে পুড়ছে অসংখ্য বৃক্ষ ও বন। গাছ-গাছালি পুড়ে ছাই হাজার হাজার বাড়ি-ঘর অগ্নিদগ্ধ বহু মানুষ ও আগুনে পুড়ে ধরাধাম থেকে বিদায় নিয়েছেন।

লক্ষ লক্ষ পশু পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য পত্র পত্রিকায় বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে, অপরাপর ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য একইভাবে দেখে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভুগছি কোন কোন দৃশ্য দেখে চোখের জল সম্বরণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। অস্ট্রেলিয়া নয় প্রাণবন্ত সিডনিও নয়। মনে হয় যেন এক ভীতির রাজ্য, আতংকের শহর ভেসে উঠছে চোখের সামনে। অবিশ্বাস্য মনে হলেও করুণ সত্য ও বাস্তব ঐ দৃশ্যগুলো।

জানা যাচ্ছে, যে দেশের মানুষ pollution কাকে বলে, তা জানেন না, কদাপি তা চোখেও দেখেন নি-সেই দেশের বাতাস আজ polluted. চোখে মুখে মাস্ক পড়ে চলতে হয়। সকলেরই কম পক্ষে একটি করে গাড়ি থাকায় কিছুটা রক্ষা। কারণ বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তার ধারেই পার্ক করা গাড়িতে উঠে নিজ নিজ কর্মস্থলে সকাল বেলায় যাওয়া সারাদিন কাজ শেষে সন্ধ্যায় বা রাতে একই ভাবে বাড়ি ফেরা। তাই দূষিত বাতাস নাকে-মুখে ঢুকতে পারে না কৃত্রিম ব্যবস্থার দ্বারা প্রতিরোধের কারণে।

উত্তপ্ত অস্ট্রেলিয়া-উত্তপ্ত সিডনি। পাঁচ দফায় দীর্ঘ সাড়ে চার বছর সিডনিতে বাস করা কালে দেখেছি ঈষদুষ্ণ সিডনিকে। একটি হাফশার্ট পরারও দরকার বোধ করি বাসায় নিজেরা নিজেরা অবস্থান কালে। সেখানে আজ প্রচণ্ড উত্তাপ ঠেকাতেই মোটা জামা পরতে হচ্ছে। যেন কোন মরুভূমির দেশ-উত্তপ্ত বালির দেশ। প্রকৃতির উত্তাপ যেখানে দুপুরে ২৭-২৮০ সেলসিয়াস অতিক্রম করত না সেখানে ঐ উত্তাপ ভোরের শীতলতা বলে আখ্যায়িত হচ্ছে দুপুরে তা বেড়ে ৪৫০-৫০” সেলসিয়াসে পৌঁছাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার তো বটেই পৃথিবীর কোন দেশই মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলি বাদে এমন পরিস্থিতির শিকারে পরিণত হয়েছেন কি না তা রীতিমত গবেষণার বিষয়।

স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিকভাবে চলছে কিনা জানি না-তবে সর্বত্রই প্রতিরোধক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, তেমন অনুমান করাটা উন্নত ঐ দেশটির জন্য স্বাভাবিক। তদুপরি মাধ্যমিক পর্যায়ের উপরের শিক্ষার্থীদের প্রায় সবারই নিজস্ব গাড়ি থাকায় বায়ু দূষণের হাত এড়ানো সম্ভব হচ্ছে বলে অনুমান করছি।

সেখানে থাকাকালে নিয়মিত পার্কে যেতাম ব্যায়াম করতে। যে দিন সকালে প্যারামাট্টা পার্ক নামক বিশাল পার্কে যেতাম-দেখতাম গাছ-গাছালির শীর্ষেই শুধু নয় মাঠের ঘাসের উপর অসংখ্য নানা জাতীয় পাখি বসে আছে-লাফাচ্ছে অথবা মাটি থেকে খুঁটে খুঁটে খাবার সংগ্রহ করছে। পাশ দিয়ে যে মানুষজন চলাচল করছে, সেদিকে তাদের আদৌ কোন নজর নেই। তারা বোধ হয় ভাবে মানুষ তো পশু-পাখি-জন্তু-জানোয়ারের শত্রু নয় বরং বিশ্বস্ত বন্ধু। মানুষও তেমনটাই ভাবে তাই একটি ঢিলও ছুঁড়ে না কেউ কোন পশু-পাখি-জীব-জন্তুর প্রতি। তাই জীবজন্তু পশু পাখি সমগ্র অস্ট্রেলিয়ার এক অমূল্য সম্পদ। ভাবতে কষ্ট লাগে আজ সেগুলি কী যন্ত্রণায় আগুনে পুড়ছে দাপাদাপি করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।

গরু-মহিষ-উট হাতি ঘোড়া প্রভৃতিও অসংখ্য ঐ দেশটিতে। কিন্তু তাদের জন্য বন ও জলের দরকার। বন তো পুড়ে ছাই-তাই তারা আশ্রয়হীন। বাঁচানো কঠিন বা অসম্ভব বিবেচনায় উটের মত বৃহদাকার জন্তুকে গুলি করে মারা হচ্ছে বলে সামাজিক মাধ্যমে দেখেছি। কারণ উট নাকি অত্যধিক জল যায় কিন্তু বর্তমানের পরিবেশগত কারণে বিশুদ্ধ পানীয় জলেরও অভাব।

এখনও অনেক অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারি করে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে লক্ষাধিক বাড়ি কোটি কোটি গাছ পুড়ে ছাই। অস্ট্রেলিয়া যেন অগ্নিকুণ্ডের মাথায় দাঁড়িয়ে যে কোন দুর্ঘটনা, বড় সড় রকমের, যে কোন সময়ই ঘটে যেতে পারে এবং জনজীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।

ঐ দেশে নানা ধরণের মাংস প্রায় সবাই খেয়ে থাকেন। মুরগীর মাংস, বিশেষ করে ব্রয়লার মুরগী সর্বাধিক পরিমাণে বাজারে বেচাকেনা হতে দেখেছি। আমরা যাকে ‘দেশী মুরগী’ বলি সেটাও পাওয়া যায় তবে তার সরবরাহ কম এবং সর্বত্র পাওয়া যায় না। কিন্তু সেই মুরগীর প্রতিও কত আদর। চারটা মুরগী বা একটি মুরগীও শত করে পা বেঁধে ঝুলিয়ে নেওয়া নিষিদ্ধ কারণ তার দ্বারা পশু-নির্যাতন হয়-যা সে দেশের আইনে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

পশু-পাখির প্রতি এমন আদর, এমন স্নেহ, এমন গুরুত্ব দিতে আর কোথাও দেখি নি। অস্ট্রেলিয়ার মানুষ অত্যন্ত প্রাণি বান্ধব, জীব-জন্তু-বৃক্ষ বান্ধব বলেই এমনটি সম্ভব হয়েছিল। পরিবেশ সার্বিকভাবেই সবার জন্যে স্বাস্থ্য সম্মত ছিল। কিন্তু আগুন তার সর্বগ্রাসী রুদ্রতা নিয়ে গোটা অস্ট্রেলিয়া বিশেষ করে তার গোটা তিনেক রাজ্যে যে ভয়াবহ তা-ব চালাচ্ছে তার ফলে যে কোটি কোটি গাছ, পশু-পাখি, জীবজন্তু পুড়ে ছাই হয়ে গেল-আবহাওয়াকে যেভাবে উত্তপ্ত করে তুললো-তাতে বহুদিনের জন্য ঐ দেশে পরিবেশ বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। নিশ্চিন্তে যে দেশে শ্বাস প্রশ্বাস নিতে পারতো মানুষ ও প্রাণিকুল তার উপর যে প্রতিক্রিয়া পড়বে তাও মারাত্মক। শিশুদের উপর তাৎক্ষণিক কোন প্রতিকূল প্রতিক্রিয়া না পড়লেও তাদের বিকাশের অনুকূল পরিবেশ তারা পাবে কি না-স্বাস্থ্য বিদেরাই তা বলতে পারেন।

মনে পড়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সর্বশেষ সিডনি যাই নাতনি ঈহিতার (বাঁধন) বিয়ে উপলক্ষে। শত শত নিমন্ত্রিত মানুষের কি উজ্জ্বল আনাগোনা। কত নিশ্চিন্ত নির্ভাবনা মানুষের মুখগুলি। যদি ভবিষ্যতে কখনও আবার সিডনি যাই দেখবো কি তেমন মুখ?

প্রতি সপ্তাহে দুটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনি ও রবিবারে কত বাড়িতেই না নিমন্ত্রণ খেলাম-কত সামাজিক রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেই না যোগ দিলাম টেলিভিশনের সাক্ষাৎকার দিলাম, দেশ থেকে যাওয়া কত অতিথির সম্বর্ধনা সভায় যোগ দিলাম, দুর্গাপূজা, সরস্বতী পূজা এবং অন্যান্য উৎসবে যোগ দিলাম তেমন পরিবেশ কি আজও আছে সেখানে?

জানি, প্রশ্ন করে লাভ নেই। তবে উৎসাহিত হই, এই বিশাল অগ্নিকাণ্ডে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁদের ক্ষয়ক্ষতির সাধ্যমত লাঘব করার জন্য অস্ট্রেলিয়াবাসী উদারহস্তে দান করছেন, বাঙালি কমিউনিটিও তাঁদের মত করে ত্রাণ সংগ্রহে আত্মনিয়োগ করেছেন জেনে।

মানব দরদী সকলের প্রতি আন্তরিক সমর্থন জানাই। একাত্মতা ঘোষণা করি অগ্নিদগ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত, যন্ত্রণাক্লিষ্ট অস্ট্রেলিয়াবাসীর প্রতি।

রণেশ মৈত্র, লেখক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক; মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ইমেইল : raneshmaitra@gmail.com

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ২৪ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২৯ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৬ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬০ ইয়ামেন এম হক একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ২৭ এনামুল হক এনাম ৩১ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৪ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৫৫ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৪৫ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৩ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৩৪ রাজেশ পাল ২৪ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ ১১ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী

ফেসবুক পেইজ