আজ শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬

Advertise

বাংলাদেশের জন্য ম্যাজিক হতে পারে ‘বিমসটেক’

জুয়েল রাজ  

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরবর্তী ইউনুস সরকারের সময়, ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক অনেকটাই উত্তপ্ত অবস্থায় ছিল। ভারতের পক্ষ থেকে সরাসরি কিছু না বললেও তাদের পদক্ষেপগুলো ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশের পক্ষে শেখ হাসিনা পরবর্তী সময়ে ইউনুস সরকার ও শেখ হাসিনা সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া গোষ্ঠীর মূল হাতিয়ার ছিল ভারত বিরোধিতা। বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু আগের অবস্থায় এখনো ফেরত যায়নি।

বিশ্ব-রাজনীতির নানা বলয় নানাভাবেই কাজ করছে। কিন্তু চরম বাস্তবতা ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক দুই দেশের স্বার্থেই সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ থাকা জরুরি। ইউনূস আমলে অস্বাভাবিক দুই দেশের অসহযোগিতার দুর্দশা আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ শুধু ভারত নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়াতেই নিজেদের সুসম্পর্ক বজায় রাখলে ভারত নির্ভরতা ও অনেকটা কমবে। আর সেই দিক থেকে ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল, টেকনিকাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন’ (বিমসটেক) বাংলাদেশের জন্য একটি ম্যাজিক হতে পারে।

বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশকে নিয়ে গঠিত এই আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিশ্বের অর্থনৈতিক ডামাডোলেও কার্যকরী ভূমিকা নিতে সক্ষম। বিমসটেকের আসল উদ্দেশ্যই হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারষ্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে মানুষের সার্বিক উন্নয়ন। বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক যে বিশ্বরাজনীতি কৌশল, বা সরাসরি প্রতিযোগিতা সেখানে বাংলাদেশের একক অবস্থান অসহায় ছাড়া আর কিছু নয়। দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে, নিরাপত্তার প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়ে বিমসটেকের অগ্রযাত্রা বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিমসটেক। মূল ঘোষণাপত্রে বলা হয়, বিমসটেকের উদ্দেশ্যই হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। শুরুতে ৫টি দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও অনেক আশা নিয়ে আরও দুটি দেশ নিজেদের স্বার্থেই বিমসটেকে যোগ দেয়। বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে সমুদ্রপারেরই মায়ানমার ও থাইল্যান্ড রয়েছে এই আঞ্চলিক অর্থনৈতিক গোষ্ঠীতে। তবে যাত্রা শুরু করেছিল বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান বিমসটেকে যোগ দেয়। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গবেষণাভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলাও এই সংস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য। আন্তর্জাতিক এ সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায়।

বিমসটেক মূলত ১৪টি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে কাজ করে- যেমন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, পরিবহন, যোগাযোগ, পর্যটন, কৃষি এবং জঙ্গিবাদ মোকাবেলা। দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধনেরও কাজ করে সংস্থাটি। একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ এবং টেকসই দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিমসটেকের স্বপ্ন। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য তাই বিমসটেক খুবই জরুরি। বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের ঘোষিত পররাষ্ট্র নীতির সঙ্গে মিল রয়েছে বিমসটেকের। এই অঞ্চলের অতীত ইতিহাস চর্চা, সংস্কৃতির বিকাশ, উদার দৃষ্টিভঙ্গি এবং একে অপরের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা বৃদ্ধি প্রভৃতি বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের সুবিধা রয়েছে বিমসটেকে।

অর্থনীতি, প্রযুক্তি, পরিবহন, কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, জঙ্গিবাদ দমন এবং দারিদ্র্য হ্রাসসহ নানাবিধ বিষয় বর্তমানে কোনও একটি দেশের নিজস্ব সমস্যা নয়। সমাধানও কোনও দেশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। বিমসটেকের সদস্য প্রতিটি দেশই আন্তর্জাতিক স্তরে শান্তি রক্ষায় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। বাংলাদেশ নিজেই রয়েছে বিমসটেকের নেতৃত্বে। তাই দেশের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থেই আরও শক্তিশালী করতে হবে এই সংস্থাটিকে।

২০১৪ সালে ঢাকায় বিমসটেকের স্থায়ী সচিবালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এখনো পর্যাপ্ত জনবল ও বাজেট সংকটে ভুগছে। সচিবালয়ের কার্যক্রম তথ্য সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।টেকসই ও কার্যকর দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্যই বিমসটেক সক্রিয়তা জরুরি। বিশ্বায়নের এই যুগে এই অঞ্চলের মানুষও যাতে উন্নত বিশ্বের মানুষদের মতোই এগিয়ে থাকতে পারে তার জন্যও জরুরি এই সংগঠনের সক্রিয়তা।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বদলে এখন জরুরি বহুপাক্ষিক সম্পর্ক। বাংলাদেশের নতুন সরকারের উদ্যম ও প্রত্যাশাই হোক বিমসটেকের গতি ও ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি। এমনটাই মনে করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. এ কে এম মাহমুদুল হক। বিমসটেকের মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডেও সম্প্রতি আঞ্চলিক এই সংস্থার বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার কথাও বলেছেন। তার মতে, ঢাকার বিমসটেক সচিবালয় পুরোদমে কর্মপ্রক্রিয়া শুরুর জন্য প্রস্তুত। আর বিমসটেকের অগ্রযাত্রায় সদস্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লাভবান হবে সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের বর্তমান সরকারেরও উৎসাহ রয়েছে বিমসটেকের অগ্রযাত্রায়। তাই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামও এই আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর প্রশংসা করেছেন। তার মতে, বিমসটেক হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। তবে তিনি চান আরও বেশি সমন্বয় থাকুক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে। মানবিক মূল্যবোধেরও বিকাশ চেয়েছেন তিনি। তার মতে, সদস্য দেশগুলোর মানুষের সার্বিক বিকাশের স্বার্থেই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে হবে।

বিমসটেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জোরদার সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতি এবং বহুপাক্ষিক যোগাযোগ বৃদ্ধির হাত ধরে। আঞ্চলিক গোষ্ঠীকে আরও কার্যকর করে দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে চায় বাংলাদেশ। এর ফলে সদস্য দেশগুলোর সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। শুধুমাত্র সাইনবোর্ড বা দপ্তর খুললেই চলবে না, বিমসটেককে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে। শীর্ষ সম্মেলনে সীমাবদ্ধ থাকলেও চলবে না, সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার ক্ষেত্রেও হতে হবে মনোযোগী।

মুক্তবাণিজ্য চুক্তি দ্রুত চূড়ান্ত ও কার্যকর করার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মাঝে শুল্ক বাধা দূর করে আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য বহুগুণ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ।সড়ক, রেল ও নৌপথের আধুনিকায়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। বিশেষ করে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে ট্রানজিট সুবিধা বৃদ্ধি এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে বাণিজ্যের প্রসার ঘটানো। ঢাকায় অবস্থিত বিমসটেক সচিবালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার করা। বাংলাদেশ নিজে বিমসটেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সভাপতিত্ব গ্রহণের মাধ্যমে সংস্থাটির কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আনার প্রত্যাশা করে। বঙ্গোপসাগরের বিশাল সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় আঞ্চলিক গ্রিড বা পাইপলাইন স্থাপনের মাধ্যমে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারিত করা। সন্ত্রাসবাদ দমন ও সাইবার নিরাপত্তার মতো অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য একটি কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ আঞ্চলিক জোট খুবই জরুরি। এই জোট গঠিত হলে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বহর অনেকটাই বাড়বে। শুধু ভারত নয়, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান প্রভৃতি দেশের সঙ্গেও সরাসরি বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে উঠবে। উন্নত হবে পর্যটন শিল্প। আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে কর্মসংস্থানেরও বাড়বে সুযোগ। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যেও পারষ্পরিক বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে। তার সুফল পাবেন জনগণ। সমুদ্র অর্থনীতিকে ব্যবহারের পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বাড়বে। মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সংস্কৃতির বিকাশও ত্বরান্বিত হবে। সবচেয়ে বড় কথা, সাতটি দেশের মানুষই অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। জঙ্গিবাদ নিয়ে কঠোর অবস্থান কার্যকর হলে আঞ্চলিক শান্তিও প্রতিষ্ঠিত হবে দক্ষিণ এশিয়ায়। কমবে অস্থিরতা।

বাংলাদেশের সরকারপ্রধান বর্তমানে সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি এই স্থবিরতা কাটিয়ে সংগঠনকে গতিশীল পথে এগিয়ে নিতে সক্ষম। তাই অনেকেরই প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য বিমসটেক হতে পারে একটি ম্যাজিক। এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়াতে নিজেদের শক্ত অবস্থান প্রমাণ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে।

জুয়েল রাজ, সম্পাদক, ব্রিকলেন; যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি, দৈনিক কালেরকন্ঠ

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১১৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৭ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪১ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর