আজ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

Advertise

ফের মিথ্যাচার, এইসব সাংবাদিকতা বন্ধ হবে কি?

এস এম নাদিম মাহমুদ  

দেশের বাহিরে যারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে এসেছেন, যারা গবেষণা করছেন, তাদের যে কাউকে যদি যে জিজ্ঞেস করেন যে, সে কতবার ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ড, পোস্টার অ্যাওয়ার্ড কিংবা ওরাল প্রেজেন্টেশনের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন, তাহলে দেখবেন তাদের সেই সংখ্যা নেহাত কম হবে না।

ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডগুলো দেয়া হয় মূলত কোন সিম্পোজিয়াম/কনফারেন্সে যোগ দেয়ার নিবন্ধনের সময় জমা দেয়া গবেষণার সারাংশ (অ্যাবস্ট্রাক্ট) উপর ভিত্তি করে, আর পোস্টার/ওরাল দেয়া হয় মূলত প্রেজেন্টেশনের ধরন, গবেষণার থিম, প্রাপ্ত ডেটা এবং রেফ্রি কিংবা উপস্থিত বিশেষজ্ঞদের প্রশ্নের উত্তরের সন্তুষ্টির উপর ভিত্তি করে।

প্রায় প্রতিটি সায়েন্টিফিক মিটিং এই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। বলা বাহুল্য, ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডগুলো এয়ার টিকিট, থাকার ব্যবস্থা ও খাওয়া এবং নিবন্ধনের অর্থ সরবরাহ করে।

একাডেমিক জীবনে এই ধরনের পুরস্কার ভাল কিছু করার জন্য আমাদের অনুপ্রাণিত করে। যারা গবেষণায় আছেন তারা এই ধরনের পুরস্কারে অভ্যস্ত।  

যাই হোক, এতো কিছু বলার উদ্দেশ্যে এই প্রকাশিত খবরটির জন্য। যুগান্তরের অনলাইন ভার্সনে শিরোনাম করেছে, ‘‘এবার যুক্তরাষ্ট্র জয় করলেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী ডা. আরিফ’।

এই শিরোনাম দেখে যেকোনো পাঠক মনে করবেন এই ভদ্রলোক ক্রিস্টোফার কলম্বাসের উত্তরসূরি, যে কিনা আমেরিকা জয় করে ফেলছে।

কয়েক সপ্তাহ আগে যারা একটি মিথ্যা সংবাদ তুলে, রাতারাতি খ্যাতির পাহাড়ে নিয়ে গেছেন, সেই পত্রিকা আবারও একটি মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে পুরো সংবাদ মাধ্যমের বিশ্বাস নিয়ে মেতেছেন কি?

২৬ অক্টোবরের সংবাদে যারা ৬১‘ বছরের ইতিহাসে জাপানে ‘সেরা বিজ্ঞানী বলে দাবি করলেন, প্রথম নন-জাপানিজ বলে চালিয়ে দিলেন, তারা ফের আর একটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন মনে হয়।

চলুন দেখি, তারা নতুন সংবাদটিতে কি ধরনের মিথ্যাচার করছে।
# খবরের শুরুতে তারা বলছেন, ওয়ার্ল্ড সিম্পোজিয়ামে সারা পৃথিবী থেকে ১১ জনকে বাছাই করা হয়েছে সেরা তরুণ বিজ্ঞানী হিসেবে।