আজ বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২০ ইং

Advertise

আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত

মোনাজ হক  

বিজয় দিবসে অখণ্ড শুভেচ্ছা। আমার এখনো পর্যন্ত অপ্রকাশিত বই "আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষিত" দেশে বিদেশে অনেক অনুসন্ধান ও গবেষণা পর্ব শেষে এখন প্রায় শেষ অনুচ্ছেদের কাজ চলছে, আজ বিজয় দিবসে সেখান থেকেই একটি পাতা প্রকাশ করছি।

১৯৭১ সালের প্রভাবশালী জার্মান সাপ্তাহিক পত্রিকা "ডের স্পিগেল"-এর ২০তম বছরের ৫১ সংখ্যা,  প্রকাশ হয় ১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১। মুক্তিযুদ্ধ তখন প্রায় শেষ পর্যায়ে, বাকি ছিলো শুধু ওরোরা-নিয়াজীর চুক্তিতে স্বাক্ষর করা, ঠিক এই সময়ে জার্মান পত্রিকা ডের স্পিগেল একটি লেখার শিরোনাম করে- বাংলাদেশ কি টিকে থাকতে পারবে? (Kann Bangla Desch überleben? সেই নিবন্ধটি ভাবানুবাদ করে প্রকাশ করছি:

বাংলাদেশকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্যকে রূপান্তরিত করবে বলে মনে হয়: পূর্ববাংলা একটি পৃথক রাষ্ট্রে পরিণত হলে এবং চীন হস্তক্ষেপ না করলে ভবিষ্যতে ভারত উপমহাদেশের অবিসংবাদিত শক্তি হয়ে উঠবে। জাতিসংঘও একটি নতুন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছে। প্রথমবারের মতো বেইজিং ও ওয়াশিংটন মস্কোর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। যুক্তির কণ্ঠটি জোরালো মনে হল, দাবি করছিল- এবং এখনও নিরস্ত হয়ে গেল। কারণ এটি অন্তর থেকে আসেনি। সোমালিয়া, জাতিসংঘের বহু জাতির সভার মধ্যে একটা বিশেষ ভূমিকা পালন করে বিল উত্থাপন করেছিলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে, সোমালিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদুল রহমিন অ্যাবি ফারাহ বিল উত্থাপন করে বলেছেন, জাতিসংঘকে এই প্রক্রিয়ায় তর্ক-বিতর্কের ফলহীন নিয়মে আর ব্যবহার করা উচিত নয়, কারণ প্রতি মিনিটে হাজারো জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদেরকে বাঁচাতে হবে'।

এর পর কয়েক মিনিট নিস্তব্ধতায় কেটে গেল। কাশ্মিরের তুষারে ও পূর্ব বাংলার ধানের জমিতে, মেশিনগানগুলো গর্জে ওঠেছে। বোমা বিস্ফোরণ ঘটে চলছে, শহর ও গ্রামগুলি বিধ্বস্ত হচ্ছে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চতুর্থ যুদ্ধে মানুষ হত্যার যুদ্ধ চলছে। নিউ ইয়র্কের নদীর পূর্ব পাড়ে, যদিও জাতিসংঘের প্রাসাদে আমরা নিরাপদ কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্যবাদের লড়াইয়ে ভারতীয় ও পাকিস্তানি সৈন্যরা কেবল অতিরিক্তই নয় তারা অবাঞ্ছিত ছিল। এবার  এশিয়ান উপমহাদেশের "স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে"। প্রথমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী চীন যা এখন পর্যন্ত চুপচাপ রয়েছে, তবে দুর্দান্ত ভাবে গোলটেবিলে বসে আছে, যে কোনো সময়েই আবার ভেটো আসতে পারে। আমেরিকানরা ইন্দোচিনা ছেড়ে যাওয়ার পরে তারা এই দুই পরাশক্তির মধ্যে একজনকে- এইবার ভারত সোভিয়েত ইউনিয়নের বন্ধুত্বের কাছাকাছি অঞ্চলে বাসা বাঁধতে চায়।

কার্ল মার্ক্সের প্রাক্তন দোস্তদের মধ্যে জাতিসংঘের এই প্রথম দ্বন্দ্ব, সোভিয়েত প্রতিনিধি জাকো মালিক এবং চীনা প্রতিনিধি জনগণ হুয়াং হুয়ার মধ্যে দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব। মালিক "সাম্রাজ্যবাদী বিচারকদের" জন্য চীনাদের দোষারোপ করেছেন এবং "সমাজতন্ত্রের প্রতি চীনা বিশ্বাসঘাতকরা যে নিচু স্তরে নেমেছেন" তার ব্র্যান্ডিং করেছিলেন। হুয়াং হুয়া মস্কোতে "সমাজতান্ত্রিক সাম্রাজ্যবাদের" অভিযোগের সাথে লড়াই করে এবং "১৯৬৮ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিরুদ্ধে সোভিয়েত আগ্রাসন" এর কথা স্মরণ করেন।

চীনারা অবশেষে আমেরিকার পুঁজিবাদী নেতৃত্বের একটি খসড়া প্রস্তাবের পক্ষেও ভোট দিয়েছিল, যা বছরের পর বছর ভিয়েতনামে প্রত্যাখ্যান করেছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবার চীনকে হাতে পেয়ে যুদ্ধের অবিলম্বে অবসান এবং সেনা প্রত্যাহার চায় ভারতের কাছে।

রিচার্ড নিক্সন- এই নভেম্বরে চীন সফর করেছেন। পরের ফেব্রুয়ারিতে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি হবেন আবার তাই এই জোটকে চীনাদের পক্ষে সহজ করে তুলেছিলেন। মার্কিন প্রেস মুখপাত্র এবং তাদের স্টেট ডিপার্টমেন্টে প্রকাশ্যভাবে ভারতীয়দের এবং তাদের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে তিরস্কার করেছিলেন, কিন্তু পাকিস্তানি ও তাদের যুদ্ধজাহাজের প্রতি  নিক্সন তার “করুণা” প্রকাশ করেছিলেন। শিকাগো ডেইলি নিউজ মন্তব্য করেছিল,"হস্তক্ষেপহীনতার নীতি থেকে এই প্রস্থান "ইতিমধ্যে উত্তেজনাকর মার্কিন-ভারত সম্পর্ককে আরও উত্তপ্ত করতে পারে এবং কেবল সোভিয়েতদের বিরোধিতার ফলেই এই কাজটি হবে।"

সোভিয়েত ইউনিয়নও নিজেকে ভারতের অনুগত অংশীদার হিসাবে প্রমাণ করেছে, কারণ তারা এতদিন স্থিতিশীলতার ধারাবাহিকতার প্রবক্তা থেকেও এবার তারা হঠাৎ গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের প্রত্যন্ত বদ্বীপে বিপ্লবী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য স্ব-সংকল্পের ও অবাধ নির্বাচনের অধিকার দাবি করেছিলেন। জ্যাকো মালিক পর পর দুবার তার ভেটো ক্ষমতা উত্থাপন করেছিলেন। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১০৬তম এবং ১০৭তম সভায় মস্কোর ভেটো দিয়ে তিনি নিরাপত্তা কাউন্সিলের একটি প্রস্তাব গ্রহণ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এবং প্রত্যেকটি অধিবেশনেই "না" ভোট দিয়েই যাচ্ছিলেন যাতে ভারতীয় সেনারা মূল্যবান সময় অর্জন করতে পারে। তাদের যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুগুলি অবিচলিত বিশ্ব সংস্থা ট্র্যাক করতে পারেনি। তারা পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর বিরুদ্ধে সাবধানতা অবলম্বন করেছিল। "সোভিয়েত উপদেষ্টারা সতর্ক হয়েছিলেন এবং ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে যেভাবে আরব-ইসরায়েলের অভিজ্ঞতা থেকে সতর্ক হয়ে তারা তাদের জেট বিমান জঙ্গিদের কয়েক সপ্তাহ আগে সীমান্তের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে গিয়েছিল"।

নয়াদিল্লি থেকে 'স্পিগেলের' সম্পাদকীয় রিপোর্টার ডিট্রিখ স্ট্রেসার বলেছেন পাকিস্তানিরা আশ্চর্য জনক ভাবে কোনোরকম আক্রমণ করার সুযোগ পাচ্ছেনা। তারা ভারতের বিপুল সৈন্য বহরকে ধ্বংস করতে কিছুই ব্যবহার করেনি"। পাকিস্তানিরা অবশ্য দাবি করেছিল যে তারা মাটিতে ১৬০টি ভারতীয় বিমানকে ও ১০০টি ট্যাংক ধ্বংস করেছিল "খবর রেডিও পাকিস্তান"।

রাওয়ালপিন্ডির স্পিগেল রিপোর্টার সিগফ্রিড কোজলফ্রানজ বর্ণনা করছে যে তার বিজয়ী প্রতিবেদনের জন্য যে দেশাত্মবোধক গানগুলিতে নির্ধারণ করেছিলো তা এখন আর বাজছেনা' ("পাকিস্তান, আমার হৃদয়, আমার জীবন") সংগীতগুলো এখন করুণ শোনাচ্ছে। পাকিস্তানিরা যাই করুক না কেন- এটি চীনাদের পরিকল্পনার সাথে মিল ছিলোনা। চীন ক্রমাগত তাদের অভিযোগগুলি কূটনৈতিক ও সামরিকভাবে পাকিস্তানকে পরামর্শ দিচ্ছে", তবে পরামর্শটি পশ্চিমের ফ্রন্টে কাশ্মিরে  সর্বোত্তমভাবে সহায়তা করেছিল। পূর্ব-সীমান্তে, ভারতীয়রা, পশ্চিম পাকিস্তানের শাসন থেকে মুক্তিকামী বাঙালিদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে এবং পাকিস্তানি সৈন্যদেরকে ক্রমাগত ঢাকায় অবরুদ্ধ করে ফেলেছে, এবং পাকিস্তানিরা পূর্ববঙ্গের জনগণের কাছ থেকেও কোনো সমর্থন পাচ্ছেনা। পূর্ব বাংলা এখন বাংলাদেশ হতে আর কোনো বাধা নেই। জনগণ রাজপথে বেরিয়ে পড়েছে স্লোগানে মুখরিত হচ্ছে 'জয়বাংলা' উদযাপিত হচ্ছে। বাংলার বাড়ির ছাদ থেকে উৎসাহিত হচ্ছে জনগণ, ধ্বনিত হচ্ছে  "জয় বাংলা!" সবুজ-লাল-সোনার রঙের বাঙালি জাতীয় পতাকা ধ্বংসের মাঝেও বাড়িগুলিকে কী উজ্জ্বল করে তুলেছে!

এদিকে নয়াদিল্লিতে, ভারতীয় রাজনীতিবিদরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, যা বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ হবে- এর জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যদিও দেশটি মুক্তিযুদ্ধ দ্বারা ধ্বংস হয়ে গেছে। একটি দেশ যার বছরে মাথাপিছু আয় মাত্র ১০০ ডলার, এটি দরিদ্রতম উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে একটি। ৭৫ মিলিয়ন মানুষ এখন জার্মানির বাভারিয়ার রাজ্যের চেয়ে দ্বিগুণ আকারের একটি অঞ্চলে বাস করবে।

ভারত সীমান্ত পেরিয়ে এক কোটি পূর্ববাংলার শরণার্থী এখন একটি দেশে ফিরে আসবে, যার মাঠ ও বাজারগুলি বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে, যার রাস্তাঘাট, সেতু ও ঘরবাড়ি ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তবুও, নতুন রাষ্ট্রের জীবন সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম পাকিস্তানের পূর্ববর্তী সামরিক সরকারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন, জাতিগতভাবে সম্পূর্ণ বাঙালি মানুষগুলো আবার অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসবে। ছোট এই দেশটি ৭ কোটি বাঙালিরা আবার তাদের জমি কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবে। উর্বর মাটি এমনকি পূর্ববঙ্গকে হিমালয় ও বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী নিম্নভূমিগুলি পর্যাপ্ত পরিমাণে সেচ দেওয়া হলেও এক বছরে বেশ কয়েকটি ধান ফসল কাটার আমেজে বিভোর হবে।

যুদ্ধের ক্ষতি একবার নিরাময় হয়ে গেলে বাংলা দেশ আবার বিশ্বের বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ হবে। যুদ্ধের আগে পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক মুদ্রার বাজেটের ৫০ শতাংশেরও বেশি একা বাঙালিরা পাট বিক্রির গ্যারান্টি দিয়েছিলো।

তবে, ইসলামাবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের দেশের পূর্বাঞ্চল উন্নয়নে কোনও আগ্রহ ছিল না। তাদের জন্য বাঙালিরা ছিল কাঁচামাল সরবরাহকারী, বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহকারী এবং করদাতা। একই সময়ে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানকে পশ্চিম পাকিস্তানি ভোক্তা পণ্য কিনতে বাধ্য করেছিল। যে পণ্যগুলি নিম্নমানের কারণে বিশ্ববাজারে বিক্রি করা যায় না, তারা সেগুলো বিক্রি করে পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে বেশি দাম দিয়েছিল। এমনকি বাংলাদেশে জন্মানো ধানের ক্রয়মূল্য পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পূর্ব বাংলার বেশি দাম পড়ে, যেমনটি পূর্ব বাংলার কাগজ কলগুলিতে তৈরি করা কাগজের দামও দ্বিগুণ অথবা যে কয়লা ভারতের চেয়েও সস্তা দামে চীন থেকে আমদানি করে আবার পূর্ব বাংলার মানুষদের তিনগুণ দামে কিনতে হয়েছিল। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার বাজেটের ৮৫ শতাংশ পশ্চিম পাকিস্তানে বিনিয়োগ করেছিল।

পশ্চিম পাকিস্তানে কারাবন্দি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান একসময় অভিযোগ করেছিলেন,"আমরা যখন স্যাঁতসেঁতে বাংলায় ময়লা আর দুর্গন্ধে শ্বাস নিয়েছি, তখন পশ্চিম পাকিস্তানের নগরীর রাস্তাগুলি সোনা ঝলমলে আবদ্ধ হয়েছে"।

ভারতীয় সহায়তায় মুক্তি পেয়ে নতুন প্রজাতন্ত্র, ভারতকে প্রায় এক কোটি পূর্ব বাঙালি শরণার্থী থেকে মুক্তি দেবে। এটি আগামী কয়েক বছর ধরে ভারতের উপর নির্ভর করবে, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যকে শক্তিশালী করবে এবং মহান শক্তির প্রতি ভারতের আত্মবিশ্বাস জোর করবে।

ইন্দিরা গান্ধীর সৈন্যরা পূর্ব বাংলার রাজধানী ডাকার দ্বারপ্রান্তে ছিল, যখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল কোনও প্রস্তাব আনতে না পেরে অবশেষে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল জাতিসংঘের ১৩১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে আবারও এটি প্রদর্শিত হয়েছে, সিয়েরা লিওনের ভারপ্রাপ্ত কাউন্সিলের সভাপতি ইসমাইল টেলর কামারা বলেছেন, "বড় শক্তিগুলির স্বার্থ স্পষ্ট  হওয়ার সাথে সাথে সুরক্ষা কাউন্সিল নিষ্ক্রিয়তার জন্য বিশ্বের কাছে নিন্দিত হয়" সেই পরিবেশ এখন আর নেই, বাংলাদেশ এখন স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তে। ঢাকার রাজপথে এখন বিজয়ের গান শুরু হয়ে গেছে।

[লেখাটি ১৯৭১ সালের জার্মান পত্রিকা ডের স্পিগেল থেকে ভাবানুবাদ]

মোনাজ হক, সম্পাদক, আজকের বাংলা, জার্মানি।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২৮ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৫ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ২৩ এনামুল হক এনাম ২৯ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২৭ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৪ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৪০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৩২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৩ রণেশ মৈত্র ১৬৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ২৯ রাজেশ পাল ২৪ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬

ফেসবুক পেইজ