আজ শনিবার, ০৬ জুন, ২০২০ ইং

Advertise

বিডিনিউজের গলা চেপে ধরলে আপনি শ্বাস নিতে পারবেন তো?

এস এম নাদিম মাহমুদ  

ঠিক এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হবে তা স্বপ্নেও ভাবিনি। গত মাস এই বিষয়টি নিয়ে লিখতেও গিয়ে ব্যাকস্পেস দিয়ে মুছে দিয়েছি। একটা নির্মল মিথ্যাকে ডিফেন্ড করার মত ‘অভিরুচি’ আপাতত আমার নেই। কিন্তু বিষয়টি যখন এই দেশের একটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনকারী ঘরের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাকে নিয়ে, বিষয়টি যখন এই দেশের কোটি পাঠকের আস্থাস্থলকে ঘিরে তখন এটি নিয়ে কথা না বললে নিজের বিবেকের সাথে নাফরমানি হয়ে যাবে। তাই অন্তত আপনার প্রশ্বাসে দায়িত্বশীল তথ্য প্রবাহের অবাধ প্রবেশের জন্য লিখছি।

সাংবাদিকতায় আছি প্রায় পনের বছর ধরে। আর এর মধ্যে গত নয় বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠানটির সাথে কাজ করছি তা হলো ‘বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম’। তাই এই পরিবারকে যতটা কাছ থেকে চিনি, ঠিক ততটা আমার পরিবারের সদস্যদের চিনি।

এই প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছি বলে নয়, ঠিক এই প্রতিষ্ঠানটির মত সাংবাদিকতার শিক্ষার বিদ্যালয় খুব কম গণমাধ্যমই আছে, যারা সংবাদের পাশাপাশি সাংবাদিকও তৈরি করে। আর যে সাংবাদিক তৈরি করে, তারা শুধু সংবাদ লিখা কিংবা পরিবেশনায় শিখে না, কীভাবে নিজের মধ্যে ‘সাংবাদিক’ হওয়ার গুণ ধারণ করতে হয়, তা হাতেকলমে শিখে। আর শিখে বলেই তো, তারা এখন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

আমি খুব মন থেকে ধারণ করি, বিডিনিউজের মত যদি আর ২/৪ টি গণমাধ্যম এই দেশে জন্ম নিতো তাহলে দেশে সাংবাদিকতার যে সংকট চলছে, সংবাদে যে আস্থাহীনতা ভর করছে তা অন্তত কেটে যেতে পারতো। আর এই কাজটি যিনি খুব কাছ থেকে করে যাচ্ছেন তিনি হলেন ‘তৌফিক ইমরোজ খালিদী’। আজকে তাকে নিয়ে লিখছি বলে কিছু বাড়িয়ে বলবো না, তবে আমি এই প্রতিষ্ঠানের একজন ক্ষুদ্রকর্মী হিসেবে তাকে যতটা পেয়েছি তা হয়তো এখানে লিখে সময়ক্ষেপণ করতে রাজি নই। আমি বিশ্বাস করি, যদি কখনো বাংলাদেশে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার কথা কারও মুখে চলে আসে, তাহলে অন্য কোন নামের পাশে যে নামটি এগিয়ে থাকবে তাহলো তৌফিক ভাই।

সাংবাদিকতার অনেক ‘ব্যাকরণ’ ও শব্দ সংযোজন দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কীভাবে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে ‘অকথ্য’ তথ্যে সংবাদ পরিবেশন করা হয়, কীভাবে ভূমিদস্যু, ঋণখেলাপি আর ব্যাংকলুটেরা এই দেশের গণমাধ্যমের চালক আসন দখল করে। কীভাবে রাষ্ট্রীয়যন্ত্র ‘সাংবাদিকতা’কে নিজেদের আঁচলে গিঁট মেরে দেয়। ব্যবসায়িক রেষারেষি থেকে কীভাবে কালো টাকায় সংবাদপত্র জন্ম নেয়, তা গত এই দেড় দশকে বেশ কিছু চাক্ষুষ করেছি।

আর এইসব দেখে, মাঝে মধ্যে মনে হয়েছে এই মানুষটি কীভাবে এমন একটি সংবাদপত্রকে ‘বস্তুনিষ্ঠ’ ও আস্থার মোড়কে গত দেড় দশক ধরে ঢেকে রেখে জনগণের কাছে ‘প্রিয়’ তালিকায় উঠে আছে। ব্যাংকগুলো চুষে, রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে, শেয়ারবাজার খসে, কালোবাজারে রমরমা ব্যবসা করে ‘অপেশাদার’রা যখন গণমাধ্যমের সম্পাদক/মালিক বনে গিয়েছে, সেখানে পেশাদারিত্বের সাংবাদিকতা হাতেখড়ি হওয়া তৌফিক ভাইকে সম্পাদক থাকা যে কতটা চ্যালেঞ্জ তা আমার চেয়ে তিনি ভাল বলতে পারবেন।

কয়েক মাস আগে, এই মানুষটির বিরুদ্ধে যে নাটকীয় অভিযোগগুলো এসেছে, তা দেখার পর সত্যি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছি। সেখানে  ‘অবৈধ সম্পদ অর্জন, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, অবস্থান গোপন করার মত শব্দ দ্বারা দুদকের দেয়া চিঠি পড়ে নিজের কাছে নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। দীর্ঘদিন একজন মানুষকে দেখার পর তাহলে কি ভুল জেনেছি? মানুষের পরিবর্তন হয়, তাই বলে তৌফিক ভাইয়ের মত মানুষের মধ্যে এই পরিবর্তন হবে তা আর কেউ বিশ্বাস কলেও আমি অন্তত করছি না। ঠিক কী কারণে, করছি না তার ব্যাখ্যা আর একদিন দেব। আপাতত তৌফিক ভাইয়ের বিরুদ্ধে তোলা ‘ছুতো অভিযোগ’ খড়গ যে শক্তিশালী হয়ে গেছে তা ভাবতেই অবাক লাগছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চোখ রাঙানি বিডিনিউজের উপর যে পড়েছে তাতো কোন সন্দেহ নেই। আমি সত্যি অবাক হয়ে গিয়েছি, কীভাবে এই চক্র বিডিনিউজের পিছনে লেগেছে।

বছর দেড়েক আগে যখন হঠাৎ করে, দেশের সবচেয়ে বড় এই সংবাদপোর্টালকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল, তখন একবার ধাক্কা খেয়েছিলাম ঠিক তখনই আঁচ করতে পেরেছিলাম, এই দেশে সৎভাবে সাংবাদিকতা করে টিকে থাকা বড়ই কষ্টকর। এবারের ঘটনায় বিডিনিউজের উপর যে খড়গ নামানোর চেষ্টা চলছে, তা অত্যন্ত সু-পরিকল্পিত ও সুকৌশলে। এই দেশে অনেক গণমাধ্যমকে যেভাবে চাপে ফেলে হস্তগত করা হয়েছে, ঠিক একই কৌশলে বিডিনিউজের উপর চালানো হচ্ছে। যেসব গণমাধ্যমকে যাঁতাকলে ফেলে মালিকানা ছাড়তে হয়েছে, তাদের সিংহভাগই ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত কিন্তু তৌফিক ভাইয়ের মত একজন মানুষের কাছে যখন এই কৌশল খাটাতে আসবেন তখন আপনারা তা পারবেন না। কারণ, তিনি এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করেছেন এই দেশে মানুষদের কথা বলার আশ্রয়স্থল হিসেবে, নিশ্চয় তার কয়েক ডজন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ঢাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জন্ম নেয়নি।

যে ভদ্রলোক কল্পিত গল্প সাজিয়ে ফায়দা লুটানোর চেষ্টা করছেন, তিনি হয়তো ভুলে গেছেন, তার চেয়ে কয়েকগুণ আদর্শিক সাংবাদিক এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। ‘ভুলে ভরা’ শব্দের পোস্ট দিয়ে তিনি যে আঙুল তোলার চেষ্টা করেছেন, তিনি হয়তো ভুলে গেছেন ‘সুবিধাবাদী’ শব্দটি। তিনি হয়তো ভুলে গেছেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন যে সাংবাদিক সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডানপন্থী সাংবাদিকদের সংগঠন। যাই হোক, তার বিষয়ে কথা বলতে অভিরুচি আটকে যাচ্ছে।

যে প্রতিষ্ঠানটি প্রকাশ্যে সংবাদ করে বিনিয়োগের দাবি করলো, সেই খবরটিকে আপনি যখন রাজকীয় কেলেঙ্কারি বলে দাবি করতে পারেন, তখন আপনার কাছে কথিত ব্যাংক ডাকাতকে প্রভু মনে হতে পারে তাতে অবাক হওয়ার কোন ঘটনা নয়। আর এইসব ব্যাংক ডাকাতরা যখন জনগণের পকেট কাটে তখন আপনার মুখে কলুপ আটবে তাই স্বাভাবিক।

দেখুন, আপনি বিডিনিউজের অকল্যাণ চান ভাল কথা, কিন্তু একবার ভাবুন তো বিডিনিউজ ছাড়া আপনি কতটা সচল? আপনার পত্রিকার প্রতিনিধিরা সংবাদ পাঠানোর পরও যখন আপনার কোন আস্থা থাকে না তখন আপনি কোন নিউজপোর্টাল দেখে নিউজ ট্রিট করেন?

দেশে যদি ৩০ পার্সেন্ট বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশিত হয়, তার বড় একটা কৃতিত্ব এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে। আজ যদি বিডিনিউজকে অবরুদ্ধ করতে চান, তাহলে করুন, তবে মনে রাখবেন, ওয়ান-ইলেভেনে ‘শিখে দেয়া বুলি’ আর প্রেসরিলিজের সংবাদের শিরোনাম যখন বিশেষ অনুসন্ধানী খবর হিসেবে গেলানো হলেও এই বিডিনিউজকে গেলানোর মত শক্তি ছিল না। হেফাজতের হাজার হাজার কর্মী মরা শিরোনাম পত্রিকায় আসলেও এই বিডিনিউজে ছিল না। যুদ্ধাপরাধীদের যখন ব্যবসায়িক পরিচয়ে খবর দেন, তখন এই প্রতিষ্ঠান ওই যুদ্ধাপরাধীকে ইন্ট্রোতে পরিচয় করে দেয়। উস্কানি আর গুজবের সংবাদ করে যখন এই দেশের সংবাদপত্র হাস্যকর হয়ে উঠে, তখন এই বিডিনিউজ গুজব রটানোর লোমহর্ষক ঘটনা তুলে আনে। বাসে মানুষ পোড়ানোকে যখন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম বলে চালিয়ে দিয়েছিলেন, তখন তৌফিক ভাইয়েরা সেটাকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে পাঠকদের কাছে তুলে ধরে। মাঝে মধ্যে ক্ষমতাশীলদের অক্সিজেনের ঘাটতিও পূরণ করে।

এতো কিছুর পরও যদি আপনি মনে করেন, বিডিনিউজের প্রয়োজন নেই তাহলে মনে রাখবেন, একদিন এই বিডিনিউজের অভাববোধ আপনি হাড়ে হাড়ে টের পাবেন। যে সংবাদপত্রের অনুকরণে শত শত পোর্টাল করেছেন, এরপরও গত দেড় দশকে বিডিনিউজের আসে পাশে ভিড়তে পারেননি কিংবা ভবিষ্যতে পারবেন না।

এতো কিছু লেখার পর অনেকে মনে করবেন হয়তো এই প্রতিষ্ঠানের নুন খাই তাই এতো গুণ গাইছি। কিন্তু আপনি বিশ্বাস করেন বা না করেন, গত পাঁচ বছর ধরে এই সংবাদপত্রে লিখছি বিনাবেতনে। অনেক গণমাধ্যমে লোভনীয় বেতনসহ কাজ করার অফার দিয়েছে, তা শ্রদ্ধাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি কেবল এই প্রতিষ্ঠানটি ভালোবাসি বলে। সাংবাদিকতা শিখছি, শ্রম দিয়ে অর্থ পাওয়ার জন্য শিখিনি। মনের ভাল লাগা থেকে বিডিনিউজে লিখি। তাই, এটা মনে করার দরকার নাই যে কথাগুলো লিখলাম তৌফিক ভাইকে খুশি করার জন্য নয়, স্রেফ একজন পাঠক হিসেবে একজন সাধারণ সংবাদকর্মী হিসেবে।

আমার বিশ্বাস, সরকার খুব কাছ থেকে বিডিনিউজের উপর চলা ষড়যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করবে। তৌফিক ভাই যদি প্রচলিত আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাকে শাস্তি দিন, তাকে জেলে পাঠান কিন্তু একটি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চাকারি ‘শিক্ষালয়’ তথা আধুনিক সাংবাদিকতার বাতিঘরকে নিয়ে খেলবেন না। এই প্রতিষ্ঠানটির জন্ম হয়েছে সকল অন্ধকার ঘুচানোর জন্য, নিজেরা অন্ধকারে বাস করার জন্য নয়।

আশা করি, খুব শিগগির বিডিনিউজের উপর চলা অদৃষ্ট শক্তির হাত থেকে এই প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করুন। আমাদের মনে রাখা উচিত, যার কণ্ঠরোধ করতে আপনি চাচ্ছেন, তা করতে পারলে আপনি-আমি আর শ্বাস নিতে পারবো না।

এস এম নাদিম মাহমুদ, জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২৮ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৫ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ২৩ এনামুল হক এনাম ২৯ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২৭ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৪ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৪০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৩২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৩ রণেশ মৈত্র ১৬৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ২৯ রাজেশ পাল ২৪ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬

ফেসবুক পেইজ