আজ শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Advertise

মহামান্য-মাননীয় ব্যক্তির নয়, প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য

কবির য়াহমদ  

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রের মাধ্যমে গত ৯ সেপ্টেম্বর জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণের সাথে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁদের পদবির পূর্বে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয় শব্দ’ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সিদ্ধান্তটি অনতিবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রের পর, এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ এসব শব্দ সৌজন্যের খাতিরে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আধুনিককালে এসব শব্দ ব্যবহারে ‘অস্বস্তিও তৈরি’ হয়। এসব বিবেচনা থেকেই সরকার দাপ্তরিক কাজে এর ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে পরিপত্র জারি করেছে। তবে তিনি এটাও বলেছেন, মৌখিকভাবে এসব শব্দ ব্যবহারে আইনগত কোনো বাধা নেই।

সচিবের এই ব্যাখ্যায় যে অস্বস্তির কথা উল্লেখ হয়েছে, এর মূলে অনেকেই এসব শব্দকে দেখেন ঔপনিবেশিক প্রথার উত্তরাধিকার হিসেবে। তাদের ধারণা, এগুলো প্রজাতন্ত্রের সাধারণ নাগরিক ও জনপ্রতিনিধির মধ্যে এক কৃত্রিম দূরত্ব তৈরি করে। আপাতদৃষ্টিতে এ যুক্তি একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো নয়। কিন্তু গভীর পর্যালোচনার প্রশ্ন হলো, এই শব্দ দুটি কি সত্যিই কেবল সামন্ততান্ত্রিক বা ঔপনিবেশিক উত্তরাধিকার, নাকি রাষ্ট্রকাঠামোর ধারাবাহিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদার পেছনে এর যুক্তি আছে?

শুরুতে বলা দরকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীগণকে আপনি যদি ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেন, তবে এটাকে অলঙ্কারের বাহুল্য বলে মনে হবে। কিন্তু এই পদবিধারীদের সাংবিধানিক অবস্থান ও প্রটোকল বিবেচনায় আনেন, তবে এটাকে আর বাহুল্য মনে করার কারণ নেই। কারণ এখানে ব্যক্তিকে নয়, আদতে প্রতিষ্ঠানকে সম্মানসূচক শব্দে সম্বোধন করা হচ্ছে। আজ যিনি রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী, তিনি ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’; কাল তিনি বা তারা যখন উল্লিখিত পদে থাকবেন না, তখন আর এই বিশেষণে ভূষিত হবেন না। অর্থাৎ শব্দগুলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক অথবা ব্যক্তিপূজা-ধর্মী নয়, বরং ব্যক্তি অতিক্রম করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে সম্মান জানায়। এ মৌলিক পার্থক্য বিবেচনায় না নিলে শব্দগুলোর মাধ্যমে অস্বস্তি তৈরি হয় বলে ভাবা যায়, এবং এসবকে বৈষম্য রূপেও চিত্রিত করা যায়।

রাজনৈতিক সরকার হিসেবে রাজনীতিকদের, বিশেষ প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রীগণকে উল্লেখে সরকার ‘মাননীয়’ শব্দের ব্যবহার চাইছে না, এটা নিয়ে তাই আলোচনা না করে, আমরা যদি কেবল রাষ্ট্রপতির নামের সঙ্গে যুক্ত ‘মহামান্য; শব্দের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করি, তবে প্রথমেই উল্লেখ করে পদটির সাংবিধানিক অবস্থান। রাষ্ট্রপতির পদ একটি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, আর সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতি এই ধরনের আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা প্রকাশ কোনো বৈষম্যমূলক অনুশীলন নয়, বরং প্রজাতন্ত্রেরই এক প্রাতিষ্ঠানিক ঐতিহ্য।

সম্মানসূচক সম্বোধন কেবলই বাংলাদেশের একক কোনো চর্চা নয়। বিশ্বজুড়ে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘হিজ এক্সেলেন্সি’ বা ‘দ্য অনারেবল’ সম্বোধন করা হয়। জাতিসংঘ ও এর অধীনস্থ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতেও এটিই সর্বজনস্বীকৃত প্রটোকল। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বহু গণতান্ত্রিক দেশে রাষ্ট্রীয় নথিতে সম্মানসূচক উপাধি ব্যবহারের এই রীতি প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু আমাদের পরিপত্র সেখানে সম্মানসূচক শব্দমাত্রকেই বিদায় করে দিচ্ছে, বিকল্প কিছু না রেখেই। অফিসিয়াল কাগজপত্রে কাউকে মহামান্য অথবা মাননীয় রূপে সম্বোধন করলে তার প্রতি আনুগত্য অথবা অধীনে চলে যাওয়া বোঝায় না, এটা একপ্রকার রীতি, এবং বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত প্রথা। গত ফেব্রুয়ারি ও আগস্টে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যে চিঠিগুলো পাঠিয়েছেন, সেগুলোতেও সম্বোধনের ক্ষেত্রে ‘হিজ এক্সেলেন্সি’ শব্দদ্বয়ের উল্লেখ ছিল। বাস্তবতা বিবেচনা করলে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অবস্থান এক নয়, এখানে ‘হিজ এক্সেলেন্সি’ লিখে ট্রাম্পের বিব্রত হওয়ারও কিছু নেই, এবং এটা তার জন্যে অস্বস্তি তৈরির কোনো শব্দও নয়; কারণ এটা দাপ্তরিক শিষ্টাচার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রের দুর্বলতা হলো অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক নথি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পত্রালাপের সীমানা স্পষ্ট করা হয়নি। রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র পেশ কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই আন্তর্জাতিক প্রটোকল অনুসরণ না করলে তা রাষ্ট্রে রাষ্ট্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিষ্টাচারের ঘাটতি হিসেবেই গণ্য হতে পারে। আবার রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তিকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে যখন সম্মানসূচক শব্দের ব্যবহার হবে না, তখন সেটাও শিষ্টাচারের ঘাটতি হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধানের নামে জারি হওয়া সিদ্ধান্ত সবসময় তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত না হলেও, সেগুলো তাঁরই নামে রাষ্ট্রীয় নির্দেশ হিসেবে জারি হয়, নিছক ব্যক্তিগত পরামর্শ হিসেবে নয়। উদাহরণ হিসেবে এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, সদ্যসাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের নামে এমন অনেক অধ্যাদেশ, পরিপত্র, প্রজ্ঞাপন জারি হতে দেখেছি আমরা, যা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক আদর্শের বিপরীত, তবু সেগুলো তার নামে জারি হয়েছে; এবং এর কারণ এখানে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন, তিনি প্রতিষ্ঠান।

রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা নিছক কোনো বাহ্যিক শোভা নয়। যে ভাষার মাধ্যমে রাষ্ট্র নিজের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলে, সেই ভাষাই নির্ধারণ করে দেয় রাষ্ট্র নিজেকে কতটা গুরুত্ব দেয়। ভাষা থেকে আনুষ্ঠানিকতা তুলে দিলেই সম্পর্ক স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণতান্ত্রিক হয়ে যায় না; বরং অনেক সময় সম্পর্কের এই প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হারিয়ে তা বিপজ্জনকভাবে ব্যক্তিনির্ভর হয়ে পড়ে। প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা দুর্বল হলে পদবীধারী ব্যক্তি তখন কেবলই ব্যক্তি হয়ে পড়েন।

কথিত অস্বস্তি কাটাতে রূপান্তরের প্রয়াস চালানো উচিত সেখানে, যেখানে প্রকৃত সংকট দৃশ্যমান। সমস্যা ‘মহামান্য’ বা ‘মাননীয়’ শব্দগুলোতে নয়; সমস্যা হচ্ছে বিশ্লেষণে। সাংবিধানিক পদবিধারী ব্যক্তিকে যখন কেবল ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তখনই অস্বস্তি ডালপালা মেলে। রাষ্ট্রপতির প্রকৃত ক্ষমতা সীমিত, তাঁর অধিকাংশ কাজই হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে। কিন্তু এই বাস্তবতা পদের আনুষ্ঠানিক মর্যাদাকে খর্ব করে না। প্রতীকী পদের প্রাতিষ্ঠানিক সম্মান তার হাতে থাকা প্রকৃত ক্ষমতার পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে সংবিধান তাকে কোন স্থানে বসিয়েছে তার ওপর। যুক্তরাজ্যের রাজাও নির্বাহী ক্ষমতাহীন, তবু ‘হিজ ম্যাজেস্টি’ সম্বোধন অক্ষুণ্ন থাকে, কারণ ওই সম্বোধন ক্ষমতার স্বীকৃতি নয়, পদের স্বীকৃতি। সমস্যাটা তাই আসলে এখানেই: আমরা সম্বোধনকে ক্ষমতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছি, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নয়; আর এই গোলমাল থেকেই সামনে আসছে পপুলিস্ট শব্দ ‘অস্বস্তি’।

রাষ্ট্রপতিকে আমরা কেবল ব্যক্তি হিসেবে দেখব, নাকি প্রতিষ্ঠান হিসেবে? সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদটি অনেকাংশে আলঙ্কারিক, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া তিনি কার্যত কিছুই করতে পারেন না। সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ একবার আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘মাজার জিয়ারত আর মিলাদ মাহফিল ছাড়া রাষ্ট্রপতির আর কোনো কাজ নেই’। কাজ না থাকা সেই রাষ্ট্রপতির তবু ছিল একটি অলঙ্কার, ‘মহামান্য’ শব্দের অলঙ্কার। অথচ রাষ্ট্র যে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স মেনে চলে, সেখানে প্রথম স্থানটি রাষ্ট্রপতিরই। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে দেশে আলোচনা চলমান, স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদেও এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছেছে। সেই প্রকৃত ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা না করে কেবল সম্মানসূচক অভিধা নিয়ে এই কাড়াকাড়ি অন্যায্য।

যদি সত্যিই ‘মহামান্য’ শব্দে বৈষম্যের প্রকাশ ঘটে বলে ধরে নেওয়া হয়, তবে প্রশ্ন ওঠে, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স কেন থাকবে, বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা কেন, বিশেষ আইনই বা কেন? আমি এই শব্দের ব্যবহারে বৈষম্য দেখছি বলে ওইসব প্রশ্ন তুলছি না; বরং পদমর্যাদাক্রম, প্রটোকলসহ বাকি সবকিছুই প্রয়োজনীয় বলেই মনে করি। একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মুহূর্তেই দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে যান। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেওয়ার আগেই দলের দায়িত্ব ছেড়েছেন, ছেড়েছেন দলের সদস্যপদও। কারণ পদটি সর্বজনীন এবং সাংবিধানিক। এখানে তাই শব্দে বৈষম্য সৃষ্টির সুযোগ নেই, কারণ সম্বোধনটি প্রতিষ্ঠানকে, ব্যক্তিকে নয়।

অনেকেই যুক্তি দেন যে প্রজাতন্ত্রে সব নাগরিক সমান, তাই কারও নামের আগে বিশেষ কোনো বিশেষণ থাকা উচিত নয়। নৈতিকতার দিক থেকে এই যুক্তির অবস্থান শক্তিশালী, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু নাগরিক সমতার প্রশ্নটি মীমাংসিত হয় আইনের সমান প্রয়োগে, সম্পদের সুষম বণ্টনে এবং নাগরিকের বিচার পাওয়ার নিশ্চিত সুযোগে, দাপ্তরিক নথির শব্দচয়নে নয়। আমাদের রাষ্ট্রব্যবস্থায় যখন এই মৌলিক জায়গাগুলোতে স্পষ্ট বৈষম্য বিদ্যমান, তখন কেবল শব্দ কেটে সমতা প্রতিষ্ঠার এই চেষ্টা অনেকটাই প্রতীকী সান্ত্বনার মতোই মনে হয়।

অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক যোগাযোগকে সহজ ও প্রাঞ্জল করার আলোচনা চলতেই পারে, কিন্তু সাংবিধানিক ও কূটনৈতিক পরিসরে রাষ্ট্রের প্রধান পদগুলোর আনুষ্ঠানিক ঐতিহ্য ও সম্মান বহাল থাকা আবশ্যক। আর যদি সত্যিই এমন পরিবর্তন জরুরি মনে হয়, তবে তা আসা উচিত ব্যাপক রাজনৈতিক ঐকমত্য ও সংসদীয় আলোচনার মধ্য দিয়ে, কোন প্রশাসনিক অথবা আমলাতান্ত্রিক পরিপত্রের মাধ্যমে নয়। কারণ ওই শব্দগুলো কোনো ব্যক্তির সাময়িক অহংকার নয়, ওটা রাষ্ট্রের অলঙ্কার এবং মর্যাদার স্বীকৃতি। মহামান্য-মাননীয় তাই ব্যক্তির নয়, প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য; সম্বোধনগুলোকে তাই ব্যক্তিকেন্দ্রিক পরিসরে এনে বিবেচনার সুযোগ নেই।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কবির য়াহমদ, প্রধান সম্পাদক, সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোর; ইমেইল: kabiraahmed007@gmail.com

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৮৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১২২ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৮ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১৪ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন ১০ তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৬ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪৩ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর