আজ মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২১ ইং

Advertise

অটিজম ভাবনা এবং সচেতনতা দিবস

সঙ্গীতা ইয়াসমিন  

সারাবিশ্বে অটিজম বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে জাতিসংঘ ২০০৭ সালে এপ্রিলের দুই তারিখে এই দিবসটি উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০৮ থেকেই জাতিসঙ্ঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এই দিবস পালন শুরু করে। বাংলাদেশও সেই যাত্রার শামিল হয়। বাংলাদেশ বছর ১৪তম অটিজম সচেতনতা দিবস পালন করতে যাচ্ছে। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে জাতিসঙ্ঘ নির্ধারিত ২০২১ এর প্রতিপাদ্য হল- কোভিড পরবর্তী বিশ্বে অটিস্টিক শিশুদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি তথা কাজের পরিবেশ উন্মুক্ত করা।

বিষয়টি নিয়ে লিখতে এসে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য হিসেবে প্রতিবন্ধী উন্নয়নকল্পে বর্তমান সরকার বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা থেকে শুরু করে প্রতিবন্ধী উন্নয়ন অধিদপ্তর গঠন, অটিস্টিক শিশুদের জন্য ঢাকাশহরসহ সকল বিভাগীয় শহরে একটি করে অটিস্টিক স্কুল প্রতিষ্ঠাকরণ এবং প্রতিবন্ধী স্কুলগুলোকে সরকারীকরণসহ নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। সরকারের নানামুখী উন্নয়নের স্রোতের সাথে শিশুদের প্রতিবন্ধীতা তথা অটিজমকে গুরুত্বের সাথে যুক্ত করা হয়েছে জেনে আমিও আনন্দিত; অন্তত বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া একজন ভূক্তভোগী মা হিসেবে এ কথা বলতেই পারি।

গত আট বছরে অটিজম বিষয়ক কর্মকাণ্ডের বিশাল ফিরিস্তি দেখে সত্যিই বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে দেশ এগিয়েছে অনেক ক্ষেত্রেই। ভাবতে ভালো লাগছে আমাদের শিশুরা পাচ্ছে জীবনের দাম। পাচ্ছে মানুষের মর্যদায় বেড়ে ওঠার সকল সুযোগ। যেখানে এক্সপার্ট থেকে শুরু করে নানাবিধ সরঞ্জাম, খেলা ও শিক্ষার উপকরণ, এবং থেরাপির ব্যবস্থা রয়েছে বিশেষ স্কুলগুলোতেই। এমন প্রয়োজনীয় সেবা ও বিকাশের ব্যবস্থা যদি সত্যিই আমাদের অটিস্টিক শিশুরা পায়, তবে তারাও রাখবে অবদান দেশ গড়ায়, তারাও হবে স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে সুদক্ষ কারিগর।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা ১৫ শতাংশ কোন না কোনভাবে প্রতিবন্ধী। বেসরকারি হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি হলেও অটিজম আছে এমন শিশুর সংখ্যা দেড় লাখের মত। ঢাকা শহরে শতকরা তিনজন আর ঢাকার বাইরে দশমিক সাত জন অটিস্টিক শিশু আছে বলে ধারণা করা হয়। দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, দেশটিতে এই বিপুল পরিমাণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই শিক্ষার সুযোগ পায়না। ২০০৯ সালে একটি বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা তৈরি হলেও প্রতিবন্ধী শিক্ষা পরিচালনা, শিক্ষাক্রম, পাঠ্যসূচি, শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য কোনো নীতিমালার অস্তিত্ব নেই। এ যাবত প্রতিবন্ধীদের জন্য পরিচালিত স্কুলগুলোর মধ্যে ৫০ টি স্কুল সুইডেনের অর্থায়নে পরিচালিত হয়ে আসছিল। সরকার ১২টি স্কুল এমপিওভূক্ত করায় সর্বমোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২।

আমরা জানি, মানুষের জন্মগত প্রতিবন্ধিতা আদতেই কোনো প্রতিবন্ধকতা নয়, যে সমাজ একজন প্রতিবন্ধীকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না, বস্তুতপক্ষে সেই সমাজই প্রতিবন্ধী। একজন প্রতিবন্ধী শিশু যদি তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার জন্য সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা পায় তখন সে তার সকল প্রতিবন্ধিতা জয় করে ভেতরের সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলে। এমন উদাহরণ আমরা আমাদের চেনা জগতেই দেখতে পাই, যেমন; স্টিফেন হকিংস, হেলেন কিলার প্রমূখ।

দিবস উদযাপনের ফলে নগরকেন্দ্রিক জনগণের কাছে শিশুর অটিজম ততটা নতুন ধারনা নয় এখন। তবে, কার্যকর ফলাফল পেতে আমাদের প্রচার-প্রচারণা হতে হবে আরও বেশী কাঙ্ক্ষিত ফললাভ নির্ভর। সমাজের প্রচলিত ধারনা এবং কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে এসে অটিজমকে মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত করতে না পারলে মূলত প্রচার সর্বস্ব কার্যক্রম হিসেবেই রয়ে যাবে এই বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবন একথা সহজেই অনুমিত হয়। একটা সময়ে, আমাদের শৈশবে প্রতিবন্ধী শিশুকে পূর্বপুরুষের পাপের ফল, কিংবা অভিশপ্ত সন্তান হিসেবে দেখা হত। শিশুটি এবং তার গর্ভধারিণীকেও সমাজের অনেক গঞ্জনা সহ্য করতে হত। সুস্থ-স্বাভাবিক জীবন ছিল না তাঁদের।

যদিও সন্তানের মা কিংবা নারী কেন সন্তানের প্রতিবন্ধিতার দায় নেবে সেটি একটি বিশাল প্রশ্ন। যে রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থায় প্রতিবন্ধীরা সমান অধিকারের মর্যদা পায় না, সেই সমাজই কেবল নিজের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে আনন্দ পায়। কেননা প্রতিবন্ধী শিশুতো রাষ্ট্রেরই দায়। সুতরাং, আমাদের অটিজম সচেতনতার কর্মকাণ্ড মানুষের মন থেকে সেইসব কুসংস্কার, বিদ্রুপ কিংবা অবৈজ্ঞানিক ধারনা দূরীভূত করতে না পারলে, এই সচেতনতা দিবস পালন অন্যান্য দিবস পালনের মতো কেবল লোক দেখানো অর্থের অপচয় ব্যতীত অন্য কিছু নয়।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপি এখনও পর্যন্ত যেহেতু অটিজমের কারণ অজানা, সেহেতু এর প্রতিষেধক নেই, এবং নেই কোনো সুচিকিৎসাও। তবে, আশার কথা হল স্বল্প মাত্রার অটিজম এর সুব্যবস্থাপনা করা গেলে, সেসব শিশুরা অন্য সাধারণ শিশুর তুলনায় অনেক বেশী প্রতিভা, ও মেধার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম, এমন অসংখ্য প্রমাণ আমাদের হাতের নাগালেই আছে। বিশ্বখ্যাত অনেক বিজ্ঞানী, গবেষক, চিকিৎসক, দার্শনিক আছেন যাদের শৈশবে তারাও ছিলেন স্বল্পমাত্রার অটিস্টিক। আর এমন অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দিতে পেরেছেন সেইসব দেশ, যেখানে সকল শিশু পায় একইরকম শিক্ষার সুযোগ ও বেড়ে ওঠার সামজিক পরিবেশ। যেখানে সে বিকশিত হয় স্বমহিমায়, আপন আলোয়, সবটুকু প্রতিভার স্ফুরণ ঘটিয়ে।

পাশ্চাত্য সমাজে মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় মধ্যেই প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে বিশেষায়িত স্কুল থাকলেও সমাজের মূলধারায় প্রতিবন্ধী শিশুদের অন্তর্ভুক্তকরণের জন্য সবরকমের প্রচেষ্টা রয়েছে, এবং যা সর্বজন স্বীকৃত। সরকারের খাতওয়ারী সামাজিক সেবা ও সম্পদের মধ্য দিয়ে অন্য সকল শিশুর মত প্রতিবন্ধী শিশু তথা অটিস্টিক শিশুরাও সমাজে মাথা উচু করে স্বাধীনভাবে, মর্যদার সাথে বাঁচে উন্নত বিশ্বে। আর অটিজমকে তো উন্নত বিশ্বে প্রতিবন্ধিতা থেকে আলাদা করেই দেখা হয়ে থাকে, খুব বড় কোনো সমস্যাই ভাবা হয় না।

আমাদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কিংবা পরিকাঠামো স্থাপনের পাশাপাশি অটিস্টিক শিশুদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গী গঠনে সমাজ মানস তৈরির কাজ সরকারীভাবেই গৃহীত হতে হবে। এক্ষেত্রে ইনক্লুসিভ এডুকেশনের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এক দেশ একিভূত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অদ্যাবধি কোনো সরকারেরই মাথা ব্যথা ছিল না। তথাপিও প্রতিবন্ধী তথা অটিস্টিক শিশুদের জন্য এই ব্যবস্থা নানা কারণেই গুরুত্ববহ সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

শুরু থেকে প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা শিক্ষাব্যবস্থা কিংবা আলাদা কার্যক্রম রেখে এদেরকে মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধীরাও যে আমাদের সমাজেরই অংশ এমন ভাবনাই আমাদের মধ্যে তৈরি হয়নি। আমরা ওদেরকে সহজভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা অর্জন করতে পারিনি। ভেবেছি অভিশপ্ত কিছু, পাপের ফল, কিংবা সমাজ ও পরিবারের বোঝা। বদলানো সময়ে দাঁড়িয়ে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে বদ্ধ পরিকর। আর সেকারণেই উন্নত বিশ্বের অনুকরণে অটিস্টিক শিশুদেরকে বিশেষ স্কুলের মধ্যে না এনে মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করাটা অতি জরুরী। এতে করে অটিস্টিক শিশুরা অন্যান্য শিশুদের সাথে মেশার সুযোগ পায়, তাঁদের অন্যান্য সামাজিক ও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, সমস্যা সমাধানের কৌশল শিখতে পারে, বন্ধুত্বপূর্ণ সুন্দর ও সহমর্মিতার আচরণ শেখে। একইভাবে অন্য শিশুরাও অটিস্টিক শিশুদের প্রতি সহনশীল আচরণ করতে শেখে, সহযোগিতাপূর্ণ ও বন্ধুত্বের এক সুদৃঢ় মেলবন্ধন তৈরি হয় অতি সহজেই। আর এটিই হতে পারে সবচেয়ে সহজ এবং সময়োপযোগী কার্যকরী পদক্ষেপ।

এখনও যখন অটিজমকে অন্যান্য প্রতিবন্ধীতার সাথে একই কাতারে ফেলে লেবেল দিয়ে দেয়া হচ্ছে তখন শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের রাস্তাই শুধু বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাই নয়, সমাজের সর্বসাধারণও সচেতন হতে পারছে না সেই অর্থে। যেকোনো প্রতিবন্ধিতা যে অপরাধ নয়। এই সহজ সত্যটি প্রথমত সরকারকে বিশ্বাস করতে হবে এবং পরে সমাজের সকলকে বিশ্বাস করতে হবে। আলাদা ব্যবস্থার কারণে, লেবেল থাকার কারণে শুরুতেই আমরা একজন প্রতিবন্ধী শিশুর ক্ষমতাকে খাটো করে দেখতে শিখি, অসহায় মনে করি, কিংবা সহানুভূতির চোখে দেখি। আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গী গড়ে উঠেছে আমাদের সামাজিক চর্চা, আচার-আচারণ এবং শিক্ষা-দীক্ষার ফলে। সমাজ মানস তৈরিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ, কেননা দিনশেষে এই শিশুরা রাষ্ট্রের দায় না হয়ে সম্পদ হোক, সেটা রাষ্ট্রেরও প্রত্যাশা। সুতরাং, একটি সুন্দর প্রগতিশীল আধুনিক বাংলাদেশ নির্মানে অটিস্টিক শিশুকেও অন্তর্ভূক্ত করতে হলে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল আরও যেসব বিষয়ে দৃষ্টি দিতে পারেন বলে মনে হয় তা হল-

১. শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা, আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমূল ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবী।
২. মূলধারার সাথে সম্পৃক্তকরণে এনসিটিবির কারিকুলামে মাল্টিগ্রেডিং সিস্টেম এবং ইন্ডিভিজুয়্যাল এডুকেশন প্ল্যান কার্যক্রম সংযুক্তকরণ।
৩. প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক প্রশিক্ষণে স্পেশ্যাল নিড এডুকেশন, অটিজমসহ অন্যান্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর চাহিদা ও সমস্যাবিষয়ক কোর্স সংযুক্তকরণ এবং অন জব প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।
৪. প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগ এবং একই স্কুলে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, খেলার সরঞ্জামসহ, থেরাপিস্ট, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সরবরাহ নিশ্চিতকরণ।
৫. শিক্ষক-অভিভাবক সমাবেশে স্পেশ্যাল নিড বিষয়ে আলোচনা উপস্থাপন ও কাউন্সেলিং সেবা চালুকরণ।

পরিশেষে বলছি, বিশ্বের সকল শিশুর সুন্দর আগামী নির্মাণের প্রত্যয়ে আমাদেরও আছে ভূমিকা আসুন অটিজম সচেতনা দিবসে করি এই অঙ্গীকার। সকল প্রতিবন্ধী তথা অটিস্টিক শিশু হয়ে উঠুক আগামীর বিশ্ব নির্মানের শক্ত হাতিয়ার।

সঙ্গীতা ইয়াসমিন, কানাডা প্রবাসী লেখক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৩৪ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৭ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬১ ইয়ামেন এম হক একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ২৭ এনামুল হক এনাম ৩৩ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ৩১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৫ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৮৩ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৬৭ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫০ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৩৫ রাজেশ পাল ২৫ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ ২০ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা

ফেসবুক পেইজ