আজ বুধবার, ০৩ জুন, ২০২৬

Advertise

সমাজের সকল ন্যায়-অন্যায় কেন আমরা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখব?

ড. শামীম আহমেদ  

চট্টগ্রামে ‘ব্যবসায়ী-তাওহিদি জনতার’ ব্যানারে একদল মৌলবাদী, অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীকে একটি শো-রুম উদ্বোধনে বাধা দেয়ার হুমকি দেয়ায় তিনি নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে যাননি। ছুটির দিনের সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর সারাদিনই ফেইসবুকে বন্ধুস্থানীয় অনেকের পোস্টে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের বন্যা বয়ে যেতে দেখলাম। মেহজাবিন ধর্মান্ধদের হুমকিতে শো-রুম উদ্বোধন করতে না পারলে আমার লিস্টের প্রগতিশীল বন্ধুরা কেন তাতে খুশি হবে কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না। সন্ধ্যাবেলা চাচী’স চা নামক এক পাকিস্তানি দোকানে ‘কাড়াক চা’ এবং ‘চাচী’স ফ্রাইজ’ খেতে খেতে পাশে বসা প্রায়-বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলাম ঘটনাটা কী আমাকে বুঝিয়ে দাও। মেহজাবিনের অনুষ্ঠান ভণ্ডুল হওয়ায় তোমরা এত খুশি কেন? সে বলল, আরে এই মেয়ে তো লাল বিপ্লবী। আমি বললাম, তো? বলল, সে তখন এত লাফাইছে আর এখন হুজুররা তাকে দোকান উদ্বোধন করতে দেয় নাই, আমরা খুশি হবো না? উচিৎ শিক্ষা হইছে।

আমি আধ-খাওয়া আলুর টুকরোয় লেগে থাকা পাকিস্তানি সসের স্বাদ নিতে নিতে বললাম, এটা কেমন কথা! তুমি কি বলতে চাচ্ছ যে ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের এত এত ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালানোর প্রতিবাদ করে মেহজাবিন ঠিক করে নাই? আমিও তো ওই সময়ে প্রতিবাদ করেছি। প্রায়-বন্ধুটি বলল, আরে তুমি তো আর প্রোফাইল লাল করো নাই। আমি বললাম লাল করি নাই সেটা অন্য বিষয়। ছাত্র আন্দোলনের ভিতর ষড়যন্ত্রকারীরা ঢুকে সেটাকে অন্য দিকে নিয়ে যাচ্ছিল বুঝেছিলাম বলে লাল করি নাই, কিন্তু ওই সময় প্রতিটি ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ করেছি, শেখ হাসিনার পতন চেয়েছি। আবার এখন মেহজাবিনকে যে উগ্র মৌলবাদীরা তার অধিকার বঞ্চিত করছে, শিল্পকলায় নাটক হতে দিচ্ছে না সেটারও প্রতিবাদ করছি। দুটোই অন্যায়, দুটোরই প্রতিবাদ করা যায়, এমনকি যদি ক্ষমতায় দুটি ভিন্ন সরকারও থাকে!

প্রায়-বন্ধু মেয়েটি আমার কথায় খুব একটা সন্তুষ্ট হলো না। বিড় বিড় করে বলল, “Whatever! তোমার কথা আলাদা। তুমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ। তুমি প্রতিবাদ করতেই পারো। এই মেয়ে করে নখরামি, সে হচ্ছে নায়িকা।” আমি বললাম, ওই সময় তো বেশিরভাগ নায়িকাই প্রতিবাদ করেছে। কয়েকজন কেবল করেনি। যারা প্রতিবাদ করেছে এবং যারা করেনি আমি মনে করি এটি উভয়পক্ষেরই নিজস্ব অবস্থান। সেজন্য এখন তাদের উপর অন্যায় করা হলে সেটার প্রতিবাদ করব না আমরা?

আলোচনাটা এখানে থেমে গেল। পরে প্রায়-বন্ধুটি আমাকে বলল, তুমি বেশি সুশীল। আমরা সাধারণ মানুষ। আমরা যা করি পুরোটাই করি। ভাগাভাগিতে নাই। আমি বললাম তার মানে আওয়ামী লীগ বা তার সমর্থকরা কিছু করলে তোমার কাছে তার সব ঠিক, আবার যারা বিএনপি-জামায়াত সমর্থন করে তাদের কাছে ইউনূসের সময় সব ঠিক, তাই তো? সে উত্তর দিল না। আমিও নিজ ভাবনায় মগ্ন হলাম।

কিছুদিন আগে খেয়াল করলাম ছাত্রলীগের এক সাবেক নেত্রী, যাকে আমি বেশ পছন্দ করি, সে আমার ফ্রেন্ডলিস্টে নেই। লিস্টে না থাকা খুব বড় ব্যাপার না। গত ৬ মাসে আমি আড়াই হাজার মানুষকে আনফ্রেন্ড করেছি। আমাকেও শত শত মানুষ আনফ্রেন্ড করেছে। ফেইসবুকের বন্ধুত্ব অনেকক্ষেত্রেই অর্থহীন। কে থাকল না থাকল তাতে খুব বেশি কিছু যায় আসে না। এই মেয়েটিকে যেহেতু আমি পছন্দ করতাম, ইনবক্সে নক করে বললাম, ঘটনা কী? সে বলল, ভাইয়া আপনার মতো সুশীল মানুষ আমার আর সহ্য হচ্ছে না। আমি ফ্যাসিবাদের অংশীদার, খুনি হাসিনার নেতৃত্বেই আমার আস্থা, আপনাদের মতো যারা সবসময় সত্য বলার মহান দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন, তাদের সাথে আমার ফ্রেন্ডশিপের দরকার নাই। আমি বললাম, আচ্ছা।

এই ঘটনা গত সোমবার পিকারিং বা এজাক্সের চাচী’স চায়ে বসে বসে, সেই একই চা আর চাচী’স ফ্রাই খেতে খেতে আলোচনা করছিলাম বন্ধু ফাইয়াজ জামালের সাথে। ৫ অগাস্টের পর পাকিস্তানি রেস্তোরাঁয় বেশি যাওয়া হচ্ছে, কেন জানি না! বন্ধু ড. জামালকে বলছিলাম, আমাকে আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াত কেউই দেখতে পারে না। ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত। ফাইয়াজ বলল বিএনপি-জামায়াতের সমর্থকরা কোন মতেই ভিন্নমত নিতে পারে না। এটা সে পর্যবেক্ষণ করেছে। অথচ তাদের অসহিষ্ণুতা তারা চাপিয়ে দেয় আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উপর। তাদের তুলনায় আওয়ামী লীগের সমর্থকদের অনেকের মধ্যে সত্য মেনে নেবার এবং আত্মসমালোচনার হার অনেক বেশি। এই যে আমি নিয়মিত লিখেই যাচ্ছি ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা দেশের মানুষের সাথে যা করেছেন, তা ঠিক করেননি; আওয়ামী লীগের দরকার নতুন নেতৃত্বের অধীনে পুনর্গঠিত হওয়া – এই অবস্থানের জন্য বিএনপি-জামায়াতের কেউ তো প্রশংসা তো করেইনি, উপরন্তু ৫ অগাস্টের পর বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ডের কেন বিচার চাই, কেন ইউনুস সরকারকে বাংলাদেশের অন্যতম ব্যর্থ সরকার বলি, এই সত্যটুকুর জন্যই তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত থাকে।

আমি বুঝি না কেন আপনারা যেকোনো দল বা সরকারের সকল ভাল খারাপের নির্মোহ আলোচনা করতে পারবেন না! কেন একই মানুষ বলতে পারবেন না যে শেখ হাসিনা ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট ভয়াবহ ব্যর্থ হয়েছেন, তার শাসনামলে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করেছেন, দুর্নীতিকে মেইন্সট্রিম করেছেন, অযোগ্য অপদার্থ লোকদের দেশ ও দলের দায়িত্ব দিয়েছেন; আবার শেখ হাসিনার শাসনামলেই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সেরা ছিল, পদ্মা সেতু, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো অসামান্য কাজ হয়েছে, বিদ্যুৎ ও জনগণের নিরাপত্তা, নারী নেতৃত্ব ও নারীর সক্ষমতা, বঞ্চিত জনগণের সামাজিক সুবিধা ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণে। কেন একই মানুষ বলতে পারবেন না যে দেশের ছাত্র অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী ভূমিকার জন্য তার পতন অবশ্যম্ভাবী ছিল, তার পতনের পর দেশে অবিশ্বাস্য অবনতি হয়েছে প্রতিটি ক্ষেত্রে, মৌলবাদীরা দেশের সর্বক্ষেত্রে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে, অন্যায়-অত্যাচারের আক্ষরিক অর্থেই কোন প্রতিকার নাই, অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকার এইসব হত্যা-খুন-জখমের বিচার না করার ব্ল্যাংক চেক দিয়ে দেশকে অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে। সেই মানুষই আবার কেন ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার পাওয়া নিয়ে গর্ব করতে পারবে না, কেন বলতে পারবে না গ্রামীণ ব্যাংক-ব্র্যাক সারাবিশ্বে নারী উন্নয়নের এক অনন্য মডেল?

কেন যে যা ডিজার্ভ করে, তাকে তা বলা যাবে না? কেন যারা বিএনপি-জামায়াত করে, বা মাস্টারমাইন্ডদের দোসর তারা মেহজাবিনের শোরুম উদ্বোধনে মৌলবাদীদের হুমকির প্রতিবাদ করতে পারবে না? কেন তারা শিল্পকলায় নাটক বন্ধে হতাশ হবে না? কেন তারা ৫-৮ অগাস্ট শত শত পুলিশ-মানুষ হত্যায় বিষণ্ণ হবে না? কেন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা রেজওয়ানা হাসানের পলিথিন বন্ধ বা নদী উদ্ধারের উদ্যোগে খুশি হবে না? কেন তারা কিছু কিছু জায়গায় যোগ্য মানুষের পদায়নে সন্তোষ প্রকাশ করবে না? কেন আমাদের সবকিছু দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখতে হবে?

এই যে দেশের কোটি কোটি মানুষ কোন অপরাধ হলে আগে খবর নেয়ার চেষ্টা করে অপরাধী কোন দলের ছিল, তারপর সেই ঘটনার পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেয় – এর চাইতে ভয়াবহ ব্যাপার আর কিছু হতে পারে না। ধানমন্ডি ৩২ এ অগ্নিকাণ্ডে, পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়িদের উপর নিপীড়ন হলে, হিন্দুদের নির্যাতন করলে তাতে বেদনার্ত হবার জন্য কেবল আওয়ামী লীগের সমর্থক হওয়া লাগবে কেন? কেন ১৫ জুলাই থেকে ৫ অগাস্ট শত শত ছাত্রের উপর নির্বিচারে গুলি চললে তাতে দল-মত নির্বিশেষে সবার অন্তর কেঁপে উঠবে না?

দল যাবে, দল আসবে, সরকার পাল্টাবে, ইতিহাস পুরনো হতে হতে একসময় ফিকে হয়ে আসবে, কিন্তু একটি জাতি যদি ব্যক্তি হিসেবে, জনগণ হিসেবে মাথা তুলে না দাঁড়াতে পারে – তাহলে ঘুরে দাঁড়াবার কোন সুযোগ কখনই আসে না। ড. ইউনূস যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে শপথ নিয়েছিলেন, তা তিনি ভঙ্গ করেছেন, মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর আওয়ামী লীগের ঘোরতর সমর্থকও গোপনে গোপনে আশা করেছিলেন যে ইউনূস সরকার হয়ত দেশটাকে আসলেই হিংসা বিদ্বেষ থেকে মুক্ত করে নতুনভাবে দাঁড় করাবেন - কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি। সবকিছুর জন্য সময় লাগে না। ঘোষণা দিয়ে যখন উপদেষ্টা-সমন্বয়রা সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়, পুড়িয়ে দেয়, মানুষ হত্যা করে এবং তারপর সরকার তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে না বলে প্রজ্ঞাপন জারি করে, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় এর সাথে সময়ের কোন সম্পর্ক নেই; সম্পর্ক নৈতিকতা না থাকার, একটি গোষ্ঠীকে নির্মূল করার পৈশাচিক জিঘাংসার।

অন্যদিকে দেশের মানুষও তার নিজ নিজ দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেশের এই অবনমনে খুশি বা দুঃখিত হচ্ছেন। দিনের শেষে ব্রিটিশরা আমাদের যে ভৃত্য বানিয়ে গেছে, আমরা সেটিই রয়ে গেছি। আমাদের কেউ কেউ এখনও আওয়ামী লীগের ভৃত্য, কেউ বিএনপি-জামায়াতের আর খুব সম্প্রতি গত এক দশকে একটা উচ্চবিত্ত, শিক্ষিত উচ্চমধ্যবিত্ত গোষ্ঠী ব্যাপক সুযোগ-সুবিধার ভিত্তিতে আমেরিকার ভৃত্য। তাই মেহজাবিন মৌলবাদের হুমকিতে পড়লে আমরা আগে দেখব জুলাই মাসে তার অবস্থান কী ছিল, কিংবা এম এ মান্নান গ্রেপ্তার হলে খুঁজে দেখব তিনি কোন দলের এমপি ছিলেন। তারপর সিদ্ধান্ত নিব প্রতিবাদ করা যায়, কি যায় না!

আর যারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার চেষ্টা করবেন, তারা বিবেচিত হবেন “সুশীল, চেতনা, বুদ্ধিজীবী”’ অথবা “যদি কিন্তু তবু” ইত্যাদি বিশেষণে। যতক্ষণ নিজের ঘর থেকে আমরা নিজেরাই পরিবর্তিত হচ্ছি না, রাষ্ট্র বা সমাজে কোন পরিবর্তনের আশা করা বাতুলতা মাত্র।

লাল বিপ্লবী মেহজাবিন আপনার ওপর উগ্র-তাওহিদি-মৌলবাদীদের হুমকির প্রতিবাদ করে গেলাম। একই সাথে প্রতিবাদ করলাম শিল্পকলা একাডেমিতে নাটক করতে না দেয়া মধ্যযুগীয় বর্বরতারও।

ড. শামীম আহমেদ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও সামাজিক-বিজ্ঞান গবেষক।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৪ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১১৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৭ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪১ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর