আজ মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

Advertise

অজনপ্রিয় কথা

জাকিয়া সুলতানা মুক্তা  

রাজধানীর মিরপুরে বাহাত্তর বছর বয়সী এক বয়োবৃদ্ধা মা সাতদিন মরে পড়ে থাকার পর, তার মৃতদেহ থেকে পচা গন্ধ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার দরুন প্রতিবেশীরা টের পেলে; পুলিশ এসে উক্ত পচা-গলিত লাশ উদ্ধার করে। এমন অমানবিকতার দৃষ্টান্ত স্বভাবতই মৃত বৃদ্ধার সন্তানদের অমানবিক চরিত্রকে উন্মোচিত করেছে। মানুষ এমন স্বার্থপর সন্তানদের প্রতি বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়াই প্রকাশ করেছে। তারা যথাযথ প্রক্রিয়ায় বৃদ্ধার উক্ত সন্তানদের শাস্তি নিশ্চিতকরণের দাবি তুলছে। আসুন দেখে নিই, আইন কী বলছে?

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ (Parents Maintainance Act 2013) অনুসারে, 'ভরণপোষণ' বলতে বোঝানো হচ্ছে- সন্তানকে তার পিতা-মাতাকে নিয়মিত খাবার, পোশাক, চিকিৎসা, বাসস্থান এবং শারীরিক ও মানসিক সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত সঙ্গ প্রদান করতে হবে।

এখন এই আইনে সন্তান তার পিতামাতার প্রতি কী কী দায়িত্ব পালনে বাধ্য থাকবে? আইন অনুসারে, এখানে সন্তানের দায়িত্ব হবে~
১. প্রত্যেক সক্ষম ও সামর্থ্যবান সন্তানকে অবশ্যই নিজ পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে।

২. পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকলে, তাদের নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দায়িত্ব ও খরচ ভাগ করে নিতে হবে।

৩. পিতামাতা যদি সন্তানদের সাথে একত্রে না থেকে আলাদা থাকেন, তবে সন্তানদের দৈনন্দিন বা মাসিক আয়ের একটি যুক্তিসঙ্গত অংশ—যা কোনোভাবেই কমপক্ষে ১০ শতাংশের কম হতে পারে না—নিয়মিত পিতা-মাতাকে প্রদান করতে হবে।

এমতাবস্থায়, সন্তান যদি এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় তবে কী শাস্তি তার বা তাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে? আইন এক্ষেত্রে বলছে~
১. কোনো সন্তান যদি বিনা কারণে পিতা-মাতার ভরণপোষণ না দেন বা তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন, তবে পিতা বা মাতা আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।

২. অভিযোগ প্রমাণিত হলে অপরাধী সন্তান সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৩. জরিমানার অর্থ অনাদায়ে সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।

তবে এখানেও কথা আছে। আইন বলে, "কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।

অতএব কী দাঁড়ালো বিষয়টা?
মৃত বৃদ্ধা সন্তানদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করবেন কী করে? আর তার অমানবিক সন্তানদের শাস্তিই বা হবে কীভাবে? আইনের ফাঁক গলে অভিযুক্ত বের হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আর এখন তো মবের রাজ্য, মিডিয়া ট্রায়ালে লোকে সন্তানদের ছবি/ভিডিও প্রচার করে বিচারের কাঠগড়ায় তোলার দাবি করছে। যা আরও অমানবিক অন্যায়ের দ্বার উন্মোচনের সুযোগ করে দিতে সক্ষম। তাই এটিও সমর্থনযোগ্য নয়। আইনগতভাবে তো নয়ই।

কেন লেখার প্রথমেই লিখেছি অজনপ্রিয় কথা লিখবো? কারণ আমি মনে করি না আইন দিয়ে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব।

সামাজিকভাবে আমাদের পিতা-মাতাগণ সন্তানের দায়িত্ব প্রায় আজীবনই কোন না কোনভাবে নিয়ে থাকেন। আমাদের সমাজের সামাজিক মূল্যবোধের আলোকে সৃষ্ট আইন বলে, সন্তান তার বাবা-মায়ের বৃদ্ধবয়সের সম্বল। অর্থাৎ সন্তানের কর্তব্যই পিতামাতার প্রতি যাবতীয় কল্যাণমূলক দায়িত্ব পালন করা। কেননা আমাদের সমাজের বাবা-মায়েরা সন্তান লালন-পালন করতে গিয়ে প্রায়শই নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে দেন। নিজেদের ভালো-মন্দের বিষয়ে কোনো বিবেচনাতেই গুরুত্ব দেন না। সন্তানের ভালো-খারাপটাই তাদের কাছে সর্বাধিক প্রাধান্য পায়। তাই যে সন্তান তার বাবা-মায়ের দায়িত্বে অবহেলা করে সে এই সমাজে ঘৃণিত।

আইন, তা সে সাংবিধানিকই হোক কী সামাজিক আইন; সন্তান এখানে অভিযুক্ত। কিন্তু আমি এখানে সন্তানের দায়িত্বহীনতা আর অমানবিকতার বিরুদ্ধে বলার পাশাপাশি, বিদ্যমান আইনের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলাপ তুলতে চাই। আমি এখানে রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই। এই দুর্ভাগা মায়ের সাথে যা হয়েছে তাতে তার জন্ম দেওয়া সন্তানেরা যেমন অভিযুক্ত হয়, একইসাথে আমি মনে করি এক্ষেত্রে এদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, অর্থনৈতিক কাঠামো, মনস্তাত্ত্বিক গড়ন আর জীবন দর্শনও সমানভাবে বা ক্ষেত্রবিশেষে এরচেয়ে বেশি অভিযুক্ত হয়। কারণ এই মা তো আজীবন তার সন্তানদের এই রাষ্ট্রের জন্যই গড়েছেন। একজনকে বুয়েট থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়িয়ে শিক্ষক হিসেবে তৈরি করেছেন। আরেকজনকে করেছেন যুগ্মসচিব, অন্যজনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের যোগ্য করে তুলেছেন পাত্রস্থ করানোতে। তো এই সন্তানেরা তো তাদের প্রতিষ্ঠিত জীবনে জীবনভর এই সমাজ আর এই রাষ্ট্রকেই সার্ভ করে গেলো। মাকে তো কিছু ফিরিয়ে দিতে পারলো না বা দিলো না। এই মা যদি সন্তানদের কাছ থেকে ভরণপোষণ দাবি করতে পারে, কেন এই রাষ্ট্রের কাছ থেকেও চাইতে পারবে না?

রাষ্ট্র কেন এই মায়ের দায়িত্ব নিলো না?
আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন, রাষ্ট্র এই সন্তানদের বেতন-ভাতা যা দিচ্ছে তাতে এই বাবা-মায়ের হক আছে। রাষ্ট্র দায়িত্ব পালন করেছে তা থেকে বৃদ্ধা বাবা-মায়ের জন্য ১০% বরাদ্দের আইন করে। তো মায়াটা কোন আইনে তৈরি হবে? দায়িত্ববোধটা কীরূপে সৃষ্টি হবে? কোন আইনের বলে তা সম্ভব বলে মনে করেন? আর যদি এমন হয়, একক পরিবারের সন্তানের ওপর শিশু সন্তান, নিজ পরিবার, বাবা-মায়ের সবার দায়িত্ব; আবার ক্যারিয়ারের দায়িত্ব পালন। তবে সন্তানেরা কীভাবে তা সব সামলায় আজকের দুনিয়ায়? যদি এমন হয় নিজ পরিবারের জীবনসঙ্গী থাকে আরেক স্থানে, কর্মক্ষেত্রে হয় আরেক স্থানে, আর বাবা-মা থাকে ভিন্ন কোথাও; তখনকার বাস্তবতায় সন্তান কীভাবে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করবে? আবার যদি সামলানোর মতন আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান থাকেও, পর্যাপ্ত দায়িত্বশীল নার্সিং ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের কোনো নিশ্চয়তা কি আছে এই সমাজে? কীভাবে নয়টা-পাঁচটা কর্মক্ষেত্রে থেকে, একইসাথে কোনো সন্তানের জন্য পরিবারের সবাইকে যথাযথ সময় দেওয়া সম্ভব? না শিশুদের দেওয়া সম্ভব, না বয়োবৃদ্ধদেরকে। এর ওপর এখন আমাদের সমাজে যৌথ পরিবারের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। একক পরিবারগুলোর মধ্যেও দুইজন দুই স্থানে থাকার বাস্তবতা অহরহ। তো কীভাবে এসব বাস্তবতায় পিতা-মাতার ভরণপোষণ সুষ্ঠুভাবে করা সম্ভব? শিশুদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব? সম্ভব না আসলে!

উদ্ভূত সমাজ-বাস্তবতায় অবশ্যই আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে। সবকিছু পরিবারের ওপর চাপালে হবে না। এখনকার সমাজ কৃষিভিত্তিক যৌথ পরিবারের ধারণায় আবদ্ধ নয়। এখনকার সমাজ অত্যন্ত গতিশীল, একক পরিবারের মধ্যেও আরও ক্ষুদ্র পরিবারের বাস্তবতা ক্রিয়াশীল। তাই বাস্তবতা মেনেই আমাদের সমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য বণ্টন নিশ্চিত করা বাঞ্ছনীয়। এক্ষেত্রে আমার প্রস্তাবনা~

১. প্রতিটি জেলায় জেলায়, সম্ভব হলে পাড়ায় পাড়ায় পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ বৃদ্ধাশ্রম ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র নির্মাণ করা।

২. বৃদ্ধাশ্রম ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলো সরকারিভাবে সঠিক নিয়ন্ত্রণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও নজরদারির মধ্যে রাখা।

কেন আমি রাষ্ট্র ও সমাজকে দায়িত্ব নিতে বলছি?
কারণ আমার ধারণায়, আমরাই শেষ প্রজন্ম যাদের সম্ভব হচ্ছে পিতা-মাতার ভরণপোষণ করা, তাদের সঙ্গ দেওয়া। আমাদের সন্তানদের জীবনবাস্তবতায় তা হয়তো সম্ভব হবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না আমার সন্তান আমার ভরণপোষণ না করতে পেরে সমাজের কাছে 'কুলাঙ্গার' হিসেবে বিবেচিত হোক, আইন তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করুক। কেননা বিদ্যমান ব্যবস্থায় আমরা আমাদের প্রজন্মের বহুজন তাদের সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দিতে পারছি না। কর্মক্ষেত্রের চাপ থেকে শুরু করে, যাবতীয় জীবনবাস্তবতায় তা অনেকক্ষেত্রেই সম্ভব হয়ে ওঠে না। সন্তানেরা হয় শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে বড় হচ্ছে, নইলে কাজের সহকারীদের হাতে বেড়ে উঠছে অথবা একা একা শুধু পিতা-মাতার সাথে জীবন দেখার সুযোগ পাচ্ছে। এতে সার্বিক অর্থে তারা পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে ওঠার শিক্ষাটা পাচ্ছে না। সুতরাং তাদের ওপর দায়িত্বের বোঝা চাপালেই তো হবে না, উক্ত ভার বহন করার মতন সে বা তারা সামর্থ্যবান কিনা সেটাও তো বিবেচনায় রাখতে হবে। আর সামর্থ্যের অভাব থাকলে কিংবা অপারগ হলে রাষ্ট্র ও সমাজ কি বয়োবৃদ্ধ তার নাগরিকগণের দায়িত্ব নেবে না? যদি না নেয় তবে তো এ রাষ্ট্র কল্যাণ রাষ্ট্র হলো না। রাষ্ট্রকে অবশ্যই কল্যাণ রাষ্ট্র হয়ে উঠতে হবে।

আর পিতা-মাতাকেও নিজ নিজ সন্তানদের শুধু প্রতিষ্ঠিত ঝকঝকে ক্যারিয়ার গড়াতে মনোযোগ দিলে হবে না, একইসাথে সন্তানদের মায়া-মমতা, সংবেদনশীলতা, দায়িত্ববান হতে শেখাতে হবে। যান্ত্রিক জীবনে সন্তানদের যেন তারা যন্ত্র না বানায়, কারণ যন্ত্র কখনো মানবিক হবে না। সন্তানদের মানবিক ও প্রাণবিক করে গড়ে তোলাটাকে জীবনের সার্থকতা বিবেচনা করেও আমাদের অভিভাবকদের শিখতে হবে। তাই সব দোষ আমি কেবল সন্তানদের দিতে রাজি নই, এই অমানবিকতা রোধে একইসাথে অভিভাবকদের সঠিক প্যারেন্টিং না করতে পারা ও রাষ্ট্রের উদাসীনতাকেও একইসাথে দায়ী করতে চাই। বরং সন্তানের চেয়ে আমার বিবেচনায়, তাদের দায়টাই এখানে বেশি।

কেননা কোনো সন্তানই নিজ ইচ্ছায় বাবা-মায়ের কোলে আসে না। বাবা-মায়েরা তাদের ইচ্ছায় সন্তানের জন্ম দেওয়ার দায়িত্ব নেয়। রাষ্ট্র সেই সন্তানের কাছ থেকে সেবা নিয়ে থাকে। বাবা-মায়েরা রাষ্ট্রের সেবার জন্য তাদের সন্তানদের তৈরি করে। বাবা-মায়েদের দায়িত্ব তাদের সন্তানদের সঠিকভাবে লালন-পালন করার, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেই বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেওয়ার। কেননা এই বাবা-মায়েদের গড়া সন্তানদের সেবাতেই রাষ্ট্র এগিয়ে চলে। বাবা-মায়ের প্রতি অবশ্যই সন্তানদের কর্তব্য রয়েছে, যেহেতু বাবা-মায়েরা তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু যেহেতু তাদের ইচ্ছায় তারা বাবা-মায়ের পরিবারে বা পৃথিবীতে আসে না, তাই শুধু সন্তানদের ওপর আজকের বাস্তবতায় সব দায়িত্ব চাপানো সঠিক বিবেচনা নয়। রাষ্ট্রকে একটু কল্যাণমুখী হয়ে উঠতে হবে। সন্তানদের ওপর এত ভার না দিয়ে, নিজেরাও একটু দায়িত্বশীল হয়ে উঠুক। তবে সন্তানেরাও আরও সহজভাবে নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে দায় নিতে শিখবে।

জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৮ অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল আফসানা বেগম আবদুল গাফফার চৌধুরী আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একুশ তাপাদার এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৬৬ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান কেশব কুমার অধিকারী খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুনাইদ আহমেদ পলক জুয়েল রাজ ১১৯ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৭ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪২ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর