টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Advertise
কবির য়াহমদ | ২৭ জুলাই, ২০২৬
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী দলীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে যে ঘটনাপ্রবাহ তৈরি হয়েছে, তা এখন আর কেবল এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঘটনায় সীমাবদ্ধ নেই। এটি এখন দেশের বিচারব্যবস্থা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং আইনের শাসনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে ঘোষিত ‘আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা’র নীতিকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
কথিত ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও’র আলোচনার বাইরে এখানে কাজ করছে রাজনৈতিক প্রভাব। নারী-কাণ্ডে বিতর্কিত হওয়ার পর, বিয়ের দাবি এবং এর স্বপক্ষে তথ্যপ্রমাণ হাজিরের পরেও প্রশ্ন থাকে, এগুলোর মাধ্যমে প্রচলিত আইন যথাযথ অনুসরণ করা হয়েছে কি না। এখানে স্বাভাবিক ভাবে সামনে আসে ‘মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইন, ১৯৬১’ এবং ‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিস্ট্রিকরণ) আইন, ১৯৭৪’; এবং এ দুটি আইনে বর্ণিত পদ্ধতি এক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়নি, যা আইনের দৃষ্টিতেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তবে সীমাবদ্ধতা হচ্ছে— সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার না চাইলে কেউ শাস্তি পায় না। গাজী নজরুল ইস্যুতে তার প্রথম স্ত্রী এবং কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীসহ উভয় পরিবার তার পক্ষে নেমেছে বলে এখানে কেউ আইনি প্রতিকার চাইছে না। ফলে কাগজে শাস্তির বিধান থাকলেও সেটা বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
গাজী নজরুল ইসলাম তার দল জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিস্কৃত হয়েছেন। তারা নির্বাচন কমিশন ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে— তাদের দলীয় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ‘নৈতিক স্খলন’ হয়েছে। আর এ নৈতিক স্খলনের কারণে তারা সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণার অনুরোধ করেছে। বাস্তবে ও আইনের দৃষ্টিতে কেবল দলীয় সিদ্ধান্ত ও দলীয় প্যাডে একটা চিঠিতেই কারও ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণ হয় না; এটা প্রাতিষ্ঠানিক সূত্রে আসতে হয়। এজন্যে আদালতের রায় লাগে। গাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে সেটা হয়নি, হচ্ছেও না; কারণ বিয়ে নিয়ে আইনের যে ব্যত্যয়, সে জন্যে কেউ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে না। ফলে আইনে থাকলেও সেই আইনের ফাঁকফোকর দিয়েই রেহাই পেয়ে যাচ্ছেন গাজী নজরুল ইসলাম এমপি।
জামায়াত তাদের এমপির পদ শূন্য ঘোষণার যে আবেদন করেছে ইসি ও স্পিকারের কাছে— এর ফলাফল কী হবে এটাও এক প্রশ্ন এখন। গাজী নজরুল ইসলামকে তার দল থেকে বহিস্কারের পর ২৩ জুলাই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ‘দল থেকে বহিষ্কৃত হলে সংসদ সদস্যপদ থাকবে কি না, এটি অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। এমনকি কেউ যদি দল থেকে পদত্যাগও করেন, তবে সেটি রেফারেন্স আকারে পার্লামেন্ট থেকে আসতে হবে। পার্লামেন্ট থেকে যদি এটি ইসির কাছে পাঠানো হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন বিষয়টি আমলে নেবে এবং যথাযথ তদন্তপূর্বক বা শুনানিপূর্বক বিষয়টি নিষ্পত্তি করবে।’ ফলে ধারণা করা যায়, ইসিতে জামায়াতের চিঠির কোনো মূল্য নেই। ইসি মাছউদ আরও বলেছেন, ‘তিনি (গাজী নজরুল) যদি পদত্যাগ করেন, সেটা কিন্তু নির্বাচন কমিশনে আসবে না। সংবিধানের আর্টিকেল ৬৭ অনুযায়ী, সংসদ সদস্য পদ ছাড়া এক বিষয়, আর দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করা ভিন্ন বিষয়। কেউ যদি সংসদ সদস্যপদ ছাড়েন, এবং পার্লামেন্ট যদি সেটি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায়, তখন নির্বাচন কমিশন যথাযথ তদন্তপূর্বক বিষয়টির ওপর সিদ্ধান্ত দেবে।’
ইসি এটাকে বলছেন, ‘বিতর্কিত বিষয়’; অর্থাৎ সরাসরি তাদের করার কিছু নেই। এক্ষেত্রে স্পিকারের রুলিং জরুরি। স্পিকারের রুলিংয়ের ক্ষেত্রে আইন ও সংসদীয় রেওয়াজ প্রাসঙ্গিক হয়ে যায়। বাংলাদেশের সংসদীয় রাজনীতিতে দলীয় বহিষ্কারের পর এমপি পদ নিয়ে একাধিক নজির রয়েছে। ১৯৯৮ সালে বিএনপির দুই এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন ও ডা. মোহাম্মদ আলাউদ্দিন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দিলে বিএনপি তাদের বহিষ্কার করে স্পিকারের কাছে পদ বাতিলের আবেদন জানায়। স্পিকারের কাছ থেকে তখন ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ার পর বিএনপি আদালতে যায়। পরবর্তীতে আদালত ইসিকে সিদ্ধান্ত নিতে বললে নির্বাচন কমিশন অনুচ্ছেদ ৬৬(৪) অনুযায়ী বিতর্ক নিষ্পত্তি করে তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের আমলে অষ্টম জাতীয় সংসদে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবু হেনাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। তার সংসদ সদস্য থাকবে কি না–বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তখন সংবিধানের ৭০(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবু হেনার সদস্য পদ রাখার সিদ্ধান্ত নেন তৎকালীন স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার। দল থেকে বহিষ্কার হলেও তার সদস্যপদ বাতিল হয়নি। নবম সংসদে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এইচএম গোলাম রেজাকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হলেও দলটি স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। ফলে তিনি পুরো মেয়াদে আসন ধরে রাখেন। ২০১৪ সালে হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের পর দল সরকারি দল আসন শূন্য ঘোষণা করতে স্পিকারকে চিঠি দেয়। আবদুল লতিফ সিদ্দিকী দল থেকে পদত্যাগের পর পদ শূন্য হয়। রেওয়াজের ক্ষেত্রে এখানে দেখা যাচ্ছে অভিন্নতা নেই। ফলে গাজী নজরুল ইসলামের ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত আসতে পারে— এটা এখনই তাই বলা কঠিন।
জামায়াত স্পিকার ও ইসি— উভয়কেই আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়ায় এটি গোলাম রেজার মতো গোপনে আটকে থাকার সুযোগ নেই। আবার সংবিধানে পদত্যাগে সংসদ সদস্য পদ শূন্যের সরাসরি বিধানও নেই। সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে’ আদালত কর্তৃক অন্তত ২ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তবেই এমপি পদ বাতিল হবে। স্ত্রীরা মামলা না করায় যদি পারিবারিক আদালতে তার কোনো সাজা না হয়, তবে কেবল রাজনৈতিক দলের চিঠির ওপর ভিত্তি করে স্পিকার বা ইসি সরাসরি পদ বাতিল করতে পারেন কি না— তা নিয়ে এক দীর্ঘ আইনি টানাপড়েন তৈরির সুযোগ রয়ে গেছে। এখানে কোনোভাবে স্পিকারের রুলিং এবং অথবা ইসির সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্যপদ শূন্য ঘোষণা যদি হয়ও, তবু গাজী নজরুল ইসলামের সুযোগ থাকছে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের।
এখন পর্যন্ত এটা ধারণা করা যাচ্ছে যে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ মামলা করবে না। ফলে নৈতিক স্খলনের স্বীকৃতি আদালত থেকে এক্ষেত্রে আসার সম্ভাবনা নেই। বাকি থাকল একটা হত্যাচেষ্টা মামলা। কথিত ‘দ্বিতীয় স্ত্রী’র মামা এবং এমপির সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান ওরফে ওবায়দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদনের পর হত্যাচেষ্টার একটা মামলা করেছেন। এই মামলা গ্রহণ হয়েছে এবং মামলায় এখন পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনি কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হচ্ছে না। অদ্যাবধি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা প্রশাসনের কাউকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এই মামলা নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়নি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, “ওবায়দুর রহমান রাজধানীর পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় থাকতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কাজ করতেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলামের ওই বাসায় যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে ওবায়দুরের ভাগনির সঙ্গে নজরুল ইসলামের অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে ওবায়দুর পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে এ সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।” এজাহারে আরও বলা হয়, “সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও ওই তরুণীর কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে তাকে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। এতে নজরুল ইসলামের সন্দেহ হয়, ওবায়দুরই গোপনে ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের কাছে দিয়েছেন। সেই সন্দেহ থেকেই ১৪ জুলাই তার নির্দেশে অন্য আসামিরা ওবায়দুরের ওপর হামলা চালান।” বাদী ওবায়দুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, “সেদিন বেলা ১১টার দিকে আমিনুর রহমান কৌশলে তাকে বাসার ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিদের সঙ্গে নিয়ে লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে মেঝেতে ফেলে গলাচেপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম চিৎকার করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।”
আইনে ‘হত্যাচেষ্টা’ একটি অতি গুরুতর ও আমলযোগ্য অপরাধ। ঘটনার পর পল্লবী থানার এসআই রাকিবুল হুদা ২২ জুলাই আসামি আমিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত তাকে কারাগারে পাঠান এবং আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন। কিন্তু মূল প্রশ্ন থেকে যায় অন্য জায়গায়— যে সংসদ সদস্যের হুকুমে ও উপস্থিতিতে এই হামলা চালানো হলো, সেই প্রধান আসামি গাজী নজরুল ইসলাম বিষয়ে নির্বিকার পুলিশ। অথচ হত্যা, দুর্নীতি, সহিংসতা বা কোনো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে সংসদের বাইরে থেকে কোনো সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তারে সাধারণ আইন অনুযায়ী পুলিশের কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হয় না। সংসদ অধিবেশন না থাকলে এবং গ্রেপ্তারের স্থান যদি সংসদ ভবনের বাইরে হয়, তবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে একজন সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে পারে। এখন সংসদ অধিবেশন চলছে না, সে ক্ষেত্রে আগাম অনুমতিরও প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও সরকার ও প্রশাসনের ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে রয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলামের সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে কি না এটাও যেমন আগাম বলা যাচ্ছে না, তেমনি বলা যাচ্ছে না তাদের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী ও গাড়িচালকের দায়ের মামলার ভবিষ্যৎও। তিনি কি আদৌ গ্রেপ্তার হবেন, তিনি কি আদৌ বিচারের মুখোমুখি হবেন, তার নৈতিক স্খলনের যে আওয়াজ এটা কি আইনি দৃষ্টিতে স্বীকৃত হবে— এগুলোই এখনকার প্রশ্ন। তবে এখন পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে আইনপ্রণেতা গাজী নজরুল ইসলাম আইনের ঊর্ধ্বে অনেকটাই। যা সংবিধানে উল্লিখিত সমতার নীতি নয়, এটা সুস্পষ্ট বৈষম্য।
কোটা ব্যবস্থা বিলোপের নামে চব্বিশে জুলাইয়ের যে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, সরকার পতনের ‘এক দফা’ আন্দোলনে যাওয়ার আগে এর মূল চেতনা ছিল সমতা ও বৈষম্যের অবসান। আজকের জামায়াত, সংসদ সদস্য গাজী নজরুল এবং বিএনপি সরকার— সবাই সেই আন্দোলনেরই প্রত্যক্ষ সুফলভোগী। যে আন্দোলন দিয়ে এত দূর আসা তাদের, সে আন্দোলনের পরের সরকার, সংসদ ও সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বৈষম্যের এমন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হতাশাজনক। এক জুলাইয়ে বৈষম্যের বিলোপ যদি হয়, আরেক জুলাইয়ে কেন বিপরীতমুখী যাত্রা?
সিলেট, ২৭ জুলাই ২০২৬
মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।
আপনার মন্তব্য