টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Advertise
কবির য়াহমদ | ১০ আগস্ট, ২০২৬
বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জাতীয় মননচর্চার স্মারক প্রতিষ্ঠান। ‘বাংলা একাডেমি লেখক অভিধান’-এর পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রকাশের উদ্যোগ নিশ্চিতভাবেই প্রশংসনীয় এবং সময়োপযোগী। ৯ আগস্ট ফেসবুক পেজে প্রকাশিত তথ্য আহ্বানসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে এতে সাহিত্যিক মানদণ্ডের অস্পষ্টতা, বয়সসীমা, ডিগ্রিকেন্দ্রিক আমলাতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সর্বোপরি স্পর্শকাতর ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাহীনতার মতো একাধিক নীতিগত ও প্রশাসনিক ত্রুটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অভিধান তৈরির প্রক্রিয়ায় যে পেশাদারত্ব, দূরদর্শিতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি যত্নবান হওয়ার কথা ছিল, বর্তমান বিজ্ঞপ্তিতে তার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে লেখক অভিধানে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্যে অন্তত ১৯ ধরনের তথ্য চেয়েছে। এরজন্যে আবশ্যিক তথ্য হচ্ছে: লেখকের নাম; পিতা ও মাতার নাম; জন্মস্থান; জন্মতারিখ; বর্তমান ঠিকানা; স্থায়ী ঠিকানা; মোবাইল নম্বর; ই-মেইল; শিক্ষাগত যোগ্যতা (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, পাসের সাল, শ্রেণি/বিভাগ); পেশা; প্রকাশিত গ্রন্থের নাম (প্রকাশক ও প্রকাশনাকাল এবং বিষয়); প্রাপ্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারের নাম ও সাল; শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদের অনুলিপি; জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধনের অনুলিপি; প্রকাশিত গ্রন্থের ইনার পেজের অনুলিপি; সম্প্রতি তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এছাড়াও দিতে হবে স্বামী/স্ত্রীর নাম; হোয়াটস অ্যাপ নম্বর; এমফিল/পিএইচডি ডিগ্রির অভিসন্দর্ভের শিরোনাম, এ তিন তথ্য যদিও আবশ্যিক নয়।
প্রাথমিক শর্ত হিসেবে বেঁধে দেওয়া হয়েছে লেখকের জন্ম হতে হবে ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯০ বা তার পূর্বে। হিসাব করলে দেখা যায়, এই অভিধানে নাম তোলার জন্য একজন লেখকের সর্বনিম্ন বয়স হতে হবে সাড়ে ৩৫ বছর। ভাবা যায়! বাংলা একাডেমির লেখক অভিধানে স্থান পেতে হলে অন্য যোগ্যতার পাশাপাশি আপনাকে সাড়ে ৩৫ বছরের বেশি বয়সের হতে হবে। লেখক অভিধানে নাম উঠানোর যোগ্যতা কি তবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘রাষ্ট্রপতি’ পদের যোগ্যতার সমান? আমাদের সংবিধান অনুযায়ী দেশে রাষ্ট্রপতি পদের জন্য ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর লাগে। বাংলা একাডেমি কি তবে সাহিত্যিক মেধার চেয়ে রাষ্ট্রপতির বয়সের স্কেলকে লেখক অভিধানের মাপকাঠি হিসেবে উপযুক্ত মনে করল?
সাহিত্য বা মেধার বিচার কখনো বর্ষপঞ্জি বা বয়সের কোঠায় নির্ধারিত হতে পারে না। বিশ্বসাহিত্য তো বটেই, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসেও সুকান্ত ভট্টাচার্য (২০ বছর ৮ মাস), সোমেন চন্দ (২১ বছর), আবুল হাসান (২৮ বছর) কিংবা রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর (৩৪ বছর) মতো তরুণ বয়সে কালজয়ী সাহিত্য সৃষ্টির দৃষ্টান্ত ভূরি ভূরি। বাংলা একাডেমি যদি তাদের কৃত্রিম বয়সসীমার নীতিতে অটল থাকে, তবে এসব সাহিত্যিকদের কি তারা এই অভিধানে জায়গা দিত না? লেখক অভিধান যদি সমকালীন সাহিত্য ও লেখকদের বস্তুনিষ্ঠ প্রতিনিধিত্ব করতে চায়, তবে মূল মানদণ্ড হওয়া উচিত ‘সাহিত্যিক অবদান’, কোনো কৃত্রিম বয়সসীমা নয়। সুকান্ত-আবুল হাসানদের বয়স দেখেও কি বাংলা একাডেমি বুঝতে পারছে না যে, লেখক ও লেখার জন্য বয়সসীমা কোনোকালেই প্রযোজ্য নয়।
বয়সের অসংগতির পাশাপাশি বিজ্ঞপ্তিতে লেখকদের প্রাথমিক থেকে উচ্চতর শিক্ষার সব পাবলিক পরীক্ষার সনদপত্র জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, তা এক বড় মৌলিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। বাংলা একাডেমি কি তবে নির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে লেখকদের বাদ বা অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেবে? শিক্ষাগত যোগ্যতায় যিনি পিছিয়ে আছেন, কিংবা যিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গণ্ডি পার হতে পারেননি, কিন্তু নিজস্ব প্রজ্ঞায় কালজয়ী সাহিত্য রচনা করেছেন বাংলা একাডেমি কি তাকে/ তাদের বাদ দেবে? সাহিত্য রচনার সাথে অ্যাকাডেমিক ডিগ্রির সম্পর্ক কতটুকু? তথ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য এই তথ্য তারা চাইতে পারে, কিন্তু এটাকে আবশ্যিক করে দেওয়ার মধ্যে যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, প্রথাগত উচ্চশিক্ষার সনদপত্রের সাথে সাহিত্যিক মেধার কোনো সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি ছাড়াই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছেন এবং নোবেল অর্জন করেন। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দশম শ্রেণির গণ্ডি পার হতে পারেনি। অর্থাভাবের কারণে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এফএ পড়া বন্ধ হয়ে যায়, অথচ তিনি ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রথাগত উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন হয়নি। নামোল্লেখে পরিসর দীর্ঘ হতে পারে বলে কিছু নাম উল্লেখ করলে বুঝা যায়, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শীর্ষপুরুষ আল মাহমুদ, কবি হেলাল হাফিজ কিংবা তীক্ষ্ণ মননের লেখক আহমদ ছফার ক্ষেত্রেও প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রির তোয়াক্কা না করে নিজস্ব প্রজ্ঞায় কালজয়ী সাহিত্য রচনার প্রমাণ আমরা পাই। বাংলা একাডেমির লেখক অভিধানে স্থান পাওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল পরীক্ষার সনদের বাধ্যবাধকতা কেবল আমলাতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিই প্রকাশ করে না, বরং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত স্বশিক্ষিত ও সহজাত সাহিত্যিকদের অবমূল্যায়ন করে। বৈষম্য সৃষ্টি করে। কালজয়ী সাহত্যিকদের সাহিত্যকর্মের মূল্যায়ন ও পাঠের জন্য পাঠককে প্রথমে লেখকের উচ্চতর ডিগ্রি আছে কি নেই সে হিসাব কষতে কাউকে দেখা যায়নি। কোন সাহিত্যিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন এটা নিয়ে কোনো বিশ্লেষক-সমালোচককে কারও সাহিত্যকর্মের বিচার করতেও দেখা যায়নি।
‘প্রাপ্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারের নাম ও সাল’ নামের যে তথ্য প্রদানে বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে এটা কোন যুক্তিতে? একজন লেখককে বাংলা একাডেমির অভিধানে নাম উঠাতে কি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেতেই হবে? না পেলে কি তিনি বাংলা একাডেমির দৃষ্টিতে লেখক নন?
বিজ্ঞপ্তির আরেক শর্ত হলো— লেখকের অন্তত ৩টি “মানসম্পন্ন প্রকাশিত গ্রন্থ” থাকতে হবে। এই ‘মানসম্পন্ন’ শব্দের প্রাতিষ্ঠানিক মাপকাঠি কী, তার কোনো নির্দেশনা নেই। কে বা কারা এই মান নির্ধারণ করবেন? কোনো নিরপেক্ষ বিচারক প্যানেল, নাকি এটি নিছকই কোনো আমলাতান্ত্রিক বা রাজনৈতিক বাছাইয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে? সংজ্ঞার্থহীন ও অস্পষ্ট শর্ত সবসময়ই স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের সুযোগ তৈরি করে। তদুপরি, বর্তমান ডিজিটাল যুগে ই-বুক, অনলাইন গবেষণা সাময়িকী, যৌথ বা সম্পাদিত গ্রন্থ এবং অনুবাদের অবস্থান এই প্রক্রিয়ায় কী হবে, সে বিষয়েও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ নেই।
অভিধানের মূল কাজ একজন লেখকের সাহিত্যিক পরিচিতি; তার গ্রন্থপঞ্জি, বিষয়বস্তু, পুরস্কার ও মূল অবদান উপস্থাপন করা। কিন্তু বাংলা একাডেমি পিতা-মাতার নাম, স্বামী/স্ত্রীর নাম, ঠিকানা, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র ও সকল সনদপত্রের ফাইল দাবি করে সাহিত্যিক পরিচিতির আড়ালে একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের কঙ্কাল উন্মোচন করতে চাইছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তথ্যের আনুপাতিকতার নীতি এখানে সরাসরি লঙ্ঘিত হয়েছে। তারা কি তবে গুগল ফর্মে একজন কবি-সাহিত্যিকের জীবনবৃত্তান্ত নিচ্ছে? কেন নিচ্ছে, কেন নেবে? হ্যাঁ, প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সমৃদ্ধ করতে তারা চাইতে পারে, কিন্তু এগুলোর এমন অনেকগুলো তথ্যকে দিতে বাধ্য করছে, যার অনেক তথ্য ও নথি অনেক লেখকের থাকবে না, অনেক লেখক এগুলো প্রদান করতে আগ্রহী নাও হতে পারে।
বিজ্ঞপ্তির সবচেয়ে উদ্বেগজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ দিক হলো ‘ডেটা প্রাইভেসি’ বা তথ্য সুরক্ষা নীতির অনুপস্থিতি। লেখকদের কাছ থেকে এনআইডি/ জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদ এবং যোগাযোগের সংবেদনশীল তথ্য চাওয়া হচ্ছে একটি উন্মুক্ত সাধারণ গুগল ফর্মের মাধ্যমে। একটি দায়িত্বশীল জাতীয় প্রতিষ্ঠান যখন নাগরিকদের স্পর্শকাতর ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে, তখন সেখানে একটি স্পষ্ট ‘ডেটা প্রাইভেসি নোটিস’ থাকা বাধ্যতামূলক। গুগল ফর্মে সংগৃহীত এই বিপুল ডেটা কোথায় সংরক্ষিত হবে, এই তথ্যে কাদের প্রবেশাধিকার থাকবে, প্রকাশিত অভিধানে এর কতটুকু ছাপা হবে এবং কতটুকু গোপন থাকবে তা অস্পষ্ট। সর্বোপরি, এই তথ্য যদি হ্যাকারদের হাতে ফাঁস হয়ে যায়, তবে তার দায়ভার কে নেবে?
জাতীয় পর্যায়ে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা দেশে নতুন কিছু নয়। এ বছরের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট থেকে ১৪ হাজার সাংবাদিকের এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। ওই উন্মুক্ত তালিকায় আমার নিজের সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্যও অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এই নিরাপত্তা ত্রুটির বিরুদ্ধে অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার চেষ্টা করেও আমি ব্যর্থ হয়েছি; পুলিশ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। রাষ্ট্র বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো নাগরিকদের এই সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের পর কোনো কার্যকর প্রতিকার বা অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক ও বাংলা একাডেমির তুলনায় শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান যেখানে নাগরিকদের তথ্য রক্ষায় চূড়ান্ত ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে, সেখানে বাংলা একাডেমি কোন ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামোর ওপর ভর করে থার্ড-পার্টি গুগল ফর্মের মাধ্যমে এই সংবেদনশীল তথ্যগুলো সংগ্রহ করছে? এখানে আমার মতো হাজার হাজার মানুষ ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস সত্ত্বেও আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিকার পায়নি।
নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার আগে যেকোনো রাষ্ট্রীয় বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্পষ্ট আইনি অঙ্গীকার, নিজস্ব এনক্রিপ্টেড সার্ভার ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট মেয়াদের পর সংবেদনশীল ফাইল মুছে ফেলার সুনির্দিষ্ট নিয়ম প্রদান করা বাধ্যতামূলক। একই সাথে তথ্য ফাঁস বা নিরাপত্তা ত্রুটি ঘটলে প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি ও ক্ষতিপূরণ নীতি থাকা উচিত। বাংলা একাডেমির কী আছে এখানে?
বাংলা একাডেমি কেবল কোনো সরকারি দপ্তর নয়, এটি আমাদের জাতীয় মনন ও সাহিত্যচর্চার সর্বোচ্চ প্রতীক। এর স্লোগান হচ্ছে ‘বাংলা একাডেমি জাতির মননের প্রতীক’। একটি মানসম্পন্ন লেখক অভিধান প্রণয়নের উদ্যোগটি প্রশংসনীয় হলেও, বর্তমান ফরম্যাট লেখকদের জন্য হয়রানিমূলক, মেধার বিচারে বৈষম্যমূলক এবং তথ্য সুরক্ষার দিক থেকে চরম ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের উচিত প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অবিলম্বে প্রত্যাহার অথবা পুনর্বিবেচনা করা।
কৃত্রিম বয়সসীমা, অযৌক্তিক তথ্য ও সনদের বাধ্যবাধকতা বাতিল করে, কেবল সাহিত্যিক অবদানের ওপর ভিত্তি করে তথ্য সংগ্রহের পরিধি সীমিত রাখা এবং আধুনিক ডেটা প্রাইভেসি আইন মেনে নিরাপদ প্রক্রিয়ায় তথ্য আহ্বান করা উচিত। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্য-সুরক্ষিত ‘লেখক অভিধান’ নিশ্চিত করতে এই পরিবর্তনের বিকল্প নেই।
১০ আগস্ট ২০২৬
মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।
আপনার মন্তব্য