আজ মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

Advertise

বিশ্বমঞ্চে বিশ্বকবি: পাকিস্তান ছাড়া আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রবীন্দ্রনাথের সম্মান ও স্বীকৃতি

অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান  

বিশ্বসাহিত্যে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অনন্য ও চিরভাস্বর নাম। মানবিক মূল্যবোধ, বিশ্বজনীন চিন্তা এবং বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অবিসংবাদিত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শহর, উদ্যান ও মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাঁর ভাস্কর্য, আবক্ষ মূর্তি, ম্যুরাল ও স্মারক স্থাপন করা হয়েছে। এসব নিদর্শন বিশ্বজুড়ে তাঁর সাহিত্য, দর্শন ও মানবতাবাদী চিন্তার প্রতি শ্রদ্ধা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতীক।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্য, আবক্ষ মূর্তি ও স্মারক:

এশিয়া:
১। ভারত — কলকাতা (জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি ও রবীন্দ্র সদন)
২। ভারত — শান্তিনিকেতন
৩। ভারত — বারানসি
৪। ভারত — নয়াদিল্লি
৫। চীন — সাংহাই (মাওমিং লু)
৬। চীন — বেইজিং (পেকিং বিশ্ববিদ্যালয়)
৭। জাপান — কারুইজাওয়া
৮। জাপান — টোকিও
৯। জাপান — ওসাকা
১০। দক্ষিণ কোরিয়া — সিউল
১১। সিঙ্গাপুর — ইন্ডিয়ান হেরিটেজ সেন্টার
১২। শ্রীলঙ্কা — কলম্বো
১৩। থাইল্যান্ড — ব্যাংকক
১৪। ভিয়েতনাম — হ্যানয়
১৫। ইন্দোনেশিয়া — বোরোবুদুর
১৬। ইন্দোনেশিয়া — বালি
১৭। তাজিকিস্তান — দুশানবে (বোখারা স্কয়ার)
১৮। কাজাখস্তান — আলমাতি
১৯। তুরস্ক — আঙ্কারা
২০। ইসরায়েল — জেরুজালেম
২১। লেবানন — বশারি

ইউরোপ:
২২। হাঙ্গেরি — বালাটোনফুরেড (ট্যাগোর প্রমেনেড)
২৩। রাশিয়া — মস্কো (দ্রুঝবি বা বন্ধুত্ব পার্ক)
২৪। চেক প্রজাতন্ত্র — প্রাগ (ঠাকুরোভা পার্ক)
২৫। যুক্তরাজ্য — লন্ডন (গর্ডন স্কোয়ার)
২৬। যুক্তরাজ্য — স্ট্র্যাটফোর্ড-আপন-অ্যাভন
২৭। সুইজারল্যান্ড — লোজান (লোজান বিশ্ববিদ্যালয়)
২৮। আয়ারল্যান্ড — ডাবলিন (সেন্ট স্টিফেনস গ্রিন)
২৯। আয়ারল্যান্ড — স্লাইগো (ওয়াইন স্ট্রিট)
৩০। ফ্রান্স — প্যারিস (জার্ডাঁ জোয়ান-মিরো ও রু ট্যাগোর)
৩১। জার্মানি — বার্লিন
৩২। জার্মানি — হাইডেলবের্গ
৩৩। বেলজিয়াম — ল্যুভেন
৩৪। স্পেন — ভালাদোলিদ
৩৫। স্পেন — বার্সেলোনা
৩৬। নেদারল্যান্ডস — দ্য হেগ
৩৭। নেদারল্যান্ডস — লাইডেন
৩৮। সুইডেন — উপসালা
৩৯। রোমানিয়া — বুখারেস্ট
৪০। স্লোভেনিয়া — মারিবোর

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা:
৪১। কানাডা — ভ্যাঙ্কুভার (ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়)
৪২। যুক্তরাষ্ট্র — সমারসেট, নিউ জার্সি
৪৩। যুক্তরাষ্ট্র — হিউস্টন (ট্যাগোর মেমোরিয়াল গ্রোভ)
৪৪। মেক্সিকো — মেক্সিকো সিটি
৪৫। আর্জেন্টিনা — বুয়েনস আয়ার্স (পাসেও এল রোসেদাল)
৪৬। চিলি — সান্তিয়াগো
৪৭। চিলি — পুন্টা আরেনাস
৪৮। কলম্বিয়া — বোগোটা
৪৯। পেরু — লিমা
৫০। ইকুয়েডর — কুয়েনকা

ওশেনিয়া ও আফ্রিকা:
৫১। অস্ট্রেলিয়া — সিডনি (ম্যাককোয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়)
৫২। অস্ট্রেলিয়া — ক্যানবেরা
৫৩। ফিজি — সুভা
৫৪। মিশর — কায়রো

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও সমসাময়িক বাস্তবতা
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সংগীত ও মানবতাবাদী দর্শনের চর্চা প্রমাণ করে যে তাঁর সৃষ্টিকর্ম কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বা ভাষার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। অথচ দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে সংকীর্ণ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নিচুতার ইতিহাস রয়েছে যা চলমান।

আইয়ুব খানের আমল ও ১৯৬৭ সালের নিষেধাজ্ঞা
১৯৬৭ সালে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খানের আমলে রবীন্দ্রসংগীতের প্রচার নিয়ে বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করে। তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন রবীন্দ্রসংগীতকে পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক আদর্শের সঙ্গে অসংগত হিসেবে চিহ্নিত করে বেতার ও টেলিভিশনে এর প্রচার বন্ধের সরকারি অবস্থান ঘোষণা করেন। এর আগে ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পরও রবীন্দ্রসংগীতের সম্প্রচার বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছিল।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর একটি অংশ রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও সংগীতকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করত। সে কারণে তারা বাঙালি সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদকে নিঃশেষ করার জন্য বারবার রবীন্দ্র সাহিত্যের উপরে আঘাত হেনেছে। ফলে, রবীন্দ্রসংগীতের ওপর বিধিনিষেধ কেবল সংগীতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তা বাঙালির ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তাকে দমিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছে। সমকালীন প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের উপরে আক্রোশ সেই নিকৃষ্ট মানসিকতার‌ই নগ্ন প্রকাশ।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সেই পদক্ষেপের প্রতিবাদে লেখক, শিল্পী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এগিয়ে আসেন। ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন রবীন্দ্রসংগীত ও বাংলা সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখে। রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপনও বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকে পরিণত হয়। রবীন্দ্রনাথকে বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। যদিও পাকিস্তানি ভাবাদর্শের সেই নিকৃষ্ট রক্তধারা আজ‌ও এ বিষয়ে জঘন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

সমসাময়িক অপপ্রচার ও অপচেষ্টা
স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পরও বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিতর্কের অবসান ঘটেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সাহিত্য, ব্যক্তিজীবন, রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে নানা ভুল দাবি প্রচারিত হয়। এসব দাবি যাচাইহীন তথ্য, বিকৃত উদ্ধৃতি কিংবা বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যার মাধ্যমে তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়। এটি পাকিস্তানপন্থী কূপমণ্ডূকদের কাজ। এরা বাংলাদেশ, বাঙালি সংস্কৃতি ও জাতীয়তাবাদকে বিশ্বাস করে না। এরা পাকিস্তানি রক্তধারার বীজ বহনকারী।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শনের সমালোচনা করার অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু সমালোচনা এবং বাংলা সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার এক বিষয় নয়।

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য, সংগীত ও মানবতাবাদী চিন্তার সঙ্গে বাঙালির ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাঁকে কেন্দ্র করে যে-কোনো বিতর্কে যুক্তি, তথ্য ও ইতিহাসের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা প্রয়োজন।

বিশ্বজনীনতার জয়
রবীন্দ্রনাথ ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ছিলেন ইউরোপের বাইরের প্রথম নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এবং এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি। এই অর্জন বাংলা সাহিত্যকে আন্তর্জাতিক পাঠকসমাজের সামনে নতুনভাবে পরিচিত করে।

তাঁর সৃষ্টিকর্মের আবেদন শুধু কবিতায় সীমাবদ্ধ নয়। সংগীত, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, চিত্রকলা, শিক্ষা ও সমাজচিন্তা—বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বিশ্বসংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। তাঁর রচনা বহু ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বিভিন্ন দেশে গবেষণার বিষয় হয়েছে এবং তাঁর স্মরণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নানা স্মারক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগ।

সাহিত্য, অনুবাদ, গবেষণা, সংগীতচর্চা ও শিক্ষাক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব তাঁকে এমন আন্তর্জাতিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। তিনি বৈশ্বিক মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী।

রবীন্দ্রনাথবিরোধীদের প্রতি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা ভাষার কবি নন; তিনি বিশ্বসাহিত্যের এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তাঁর সাহিত্য ও দর্শন মানুষকে সংকীর্ণ পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতা, স্বাধীন চিন্তা, প্রকৃতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার মূল্য উপলব্ধি করতে শেখায়।

রাজনৈতিক বিভাজন, সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতা কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার দিয়ে কোনো মহান সাহিত্যিকের সৃষ্টিকর্মের ঐতিহাসিক গুরুত্ব মুছে ফেলা যায় না।

রবীন্দ্রনাথের প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পথ হলো তাঁর সাহিত্য ও দর্শনকে গভীরভাবে পাঠ করা, তাঁর রচনার সমালোচনামূলক মূল্যায়ন করা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে যুক্তিবাদী ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ধারণ করা।

বিশ্বমঞ্চে রবীন্দ্রনাথের মর্যাদা শুধু ভাস্কর্য, আবক্ষ মূর্তি কিংবা স্মারকে সীমাবদ্ধ নয়—তা তাঁর সৃষ্টির অব্যাহত পাঠ, চর্চা ও মানবিক আবেদনেই চিরভাস্বর।

রবীন্দ্র সৃষ্টিকে বুঝতে হলে একটা মান দরকার, এই মান যাদের নাই, সেই নিম্নমানের লোকজন‌ই রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করে।

অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান, লেখক, গবেষক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য ২ অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী ৪৮ অধ্যাপক ডা. শেখ মো. নাজমুল হাসান ২৯ অসীম চক্রবর্তী ৯ আজম খান ১১ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আনোয়ারুল হক হেলাল ১ আফসানা বেগম ১ আবদুল গাফফার চৌধুরী ৯ আবু এম ইউসুফ ৩ আবু সাঈদ আহমেদ ৮ আব্দুল করিম কিম ৩২ আব্দুল্লাহ আল নোমান ২ আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল ১০ আমিনা আইরিন ৩ আরশাদ খান ৩ আরিফ জেবতিক ১৮ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান ২ আলমগীর নিষাদ ১ আলমগীর শাহরিয়ার ৫৪ আশরাফ মাহমুদ ৯ আশিক শাওন ৫ ইনাম আহমদ চৌধুরী ৯ ইমতিয়াজ মাহমুদ ৭৩ ইয়ামেন এম হক ১ এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ১ একুশ তাপাদার ১ এখলাসুর রহমান ৩৭ এনামুল হক এনাম ৫৪ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ ওমর ফারুক লুক্স ৩ কবির য়াহমদ ৮৯ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান ১ কেশব কুমার অধিকারী ১ খুরশীদ শাম্মী ১৮ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু ৭ জহিরুল হক বাপি ৪৪ জহিরুল হক মজুমদার ৩ জাকিয়া সুলতানা মুক্তা ৯ জান্নাতুল মাওয়া ২ জাহিদ নেওয়াজ খান ৫ জুনাইদ আহমেদ পলক ২ জুয়েল রাজ ১২৩ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২৩ ড. নাদিম মাহমুদ ৩৮ ড. মাহরুফ চৌধুরী ১৫ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ৮ ড. শামীম আহমেদ ৪৫ ডা. আতিকুজ্জামান ফিলিপ ২০ ডা. সাঈদ এনাম ৪ ডোরা প্রেন্টিস ২ তপু সৌমেন ৩ তসলিমা নাসরিন ১০ তানবীরা তালুকদার ৩ তোফায়েল আহমেদ ৩২ দিব্যেন্দু দ্বীপ ৭ দেব দুলাল গুহ ৮ দেব প্রসাদ দেবু ১ দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল ৫ পাপলু বাঙ্গালী ৪ পুলক ঘটক ৫ প্রফেসর ড. মো. আতী উল্লাহ ৫ ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ২ ফরিদ আহমেদ ৪৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা ১ বদরুল আলম ৯ বন্যা আহমেদ ৪ বিজন সরকার ৪ বিপ্লব কর্মকার ৭ ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ২ ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার ৩ মারজিয়া প্রভা ৭ মাসকাওয়াথ আহসান ১৯৬ মাসুদ পারভেজ ২ মাহমুদুল হক মুন্সী ৩ মিলন ফারাবী ১ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ৩ মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৫৩ মো. মাহমুদুর রহমান ৬ মো. সাখাওয়াত হোসেন ৩ মোছাদ্দিক উজ্জ্বল ৩ মোনাজ হক ১৪ রণেশ মৈত্র ১৮৩ রতন কুমার সমাদ্দার ১ রহিম আব্দুর রহিম ৫৫ রাজু আহমেদ ৪৪ রুমী আহমেদ ১ রেজা ঘটক ৩৮ লীনা পারভীন ৬ শওগাত আলী সাগর ৫