আজ শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২০ ইং

Advertise

বাবুল আখতার, শ্যামল কান্তি ভক্ত ও পুলিশ

রণেশ মৈত্র  

আজ এই বিষয় নিয়ে লিখবো তা ভাবতে পারি নি। বাবুল আখতারের চাকুরী নিয়ে আদৌ যে কোনদিন লিখতেই হবে ঘুর্নাক্ষরেও তা কদাপি কল্পনা করতে পারি নি। কিন্তু দেশটা তো আমাদের হাল জমানার বাংলাদেশ। এখনে যে কোন সময় যে কোন কিছুই ঘটে যেতে পারে এবং যা ঘটবে তাই স্বাভাবিক যেন। কেউ কেউ বলেন,“সব সম্ভবের দেশ-বাংলাদেশ”।

মানতে চাই কিন্তু কষ্ট লাগে মানতে। আবার মানতে চাইও না কারণ বস্তুত: ঘটনা প্রবাহ যে ভাবে ঘটে চলেছে অন্তত: আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে তাতে বাংলাদেশ “সব” সম্ভবের নয় বরং “অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাবনার (নাকি আশংকার?) দেশে” পরিণত হওয়ার দেশ বাংলাদেশ।

বিগত ১১ আগস্ট তারিখে প্রকাশিত প্রথম আলোর একটি সংবাদে জানান হয় যে, পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতার চাকুরীটি ফিরে পাবার জন্য দুয়ারে দুয়ারে ধর্না দিয়ে চলেছেন।  কী অবাক কাণ্ড। বাবুল আখতার একজন পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট। নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অত্যন্ত তৎপর থেকে বহু স্থান থেকে বেশ কিছু জঙ্গিকে পাকড়াও করে জেলে পুরেছেন এবং তিনি যার সন্ধানে বের হতেন-তার না কি আর রেহাই ছিল না। তাঁর কাজের সাফল্যে জন্য, তাঁর সাহসিকতার জন্য তিনি সরকারের কাছ থেকে কয়েক দফায় প্রশংসা পত্র ও নানা পুরস্কার পেয়েছেন-এগুলির রেকর্ড সরকারের কাছেই আছে। তাই সবাই কামনা করেন জঙ্গি উত্থানের আক্রান্ত বাংলাদেশে এমন যোগ্যতাসম্পন্ন চৌকস পুলিশ সুপার বাবুল আখতারের প্রমোশন হওয়া প্রয়োজন এবং সম্ভবত সে সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছিল।

কিন্তু হঠাৎ তাঁর জীবনে একটি মারাত্মক বিপর্যয় নেমে এলো গত ৫ জুন ভোরে। শিশু পুত্রকে স্কুল বাসে তুলে দিতে গিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকাকালে হঠাৎই তাঁর স্ত্রী মিতু দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে নিহত হন। “হঠাৎ” শব্দটা লেখা সম্ভবত: ঠিক হয় নি। তাঁকে টার্গেট করেই খুন করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত আজও চলছে। কয়েক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের কাজও চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে অনেক তথ্যও পাওয়া গেছে বলে প্রথম আলোতে প্রকাশিত ঐ সংবাদে জানা যায়।

সেই তথ্যে কে কে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল মিতুকে খুন করার জন্য, কার কার হাতে কি কি অস্ত্র ছিল এবং কে গুলি করেছিল এ তথ্যগুলি না কি উদ্ধার হয়েছে। বাকী আছে একটি মূল্যবান তথ্য উদঘাটন আর সেটি হলো কে ঐ হত্যাকাণ্ডের হুকুমদাতা। এই তথ্যটি উদঘাটিত হলে অত:পর প্রয়োজন হবে আরও একটি তথ্য উদঘাটনের। কেন-কোন স্বার্থে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল? এই তথ্যগুলি উদঘাটিত হলেই বাকী থাকা অপরাধীদের গ্রেফতারও চার্জশীট দাখিল করা সম্ভব হবে। তবে জানা যায় জনৈক মুছাই নাকি মূল হোতা তবে আজও অধরা।

কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা কি ইচ্ছে করেই এই প্রশ্নগুলি করে গ্রেফতারকৃত আসামীদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই তথ্য সংগ্রহ করা থেকে বিরত আছেন? কিংবা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়েই কি তিনি এ প্রশ্নগুলির উত্তরে ভবিষ্যৎ সুবিধামতো নাম ঢুকানোর লক্ষ্যে আপাতত: উত্তর খুঁজছেন না?
 
এমনতরো সন্দেহ এখন সবার মনে। কারণ, মিতু হত্যায় দুতিন সপ্তাহ যেতে না যেতেই নেহায়েত অকস্মাৎ স্ত্রীর শোকে মুহ্যমান বাবুল আখতারকে তাঁর শ্বশুড়বাড়ী থেকে হঠাৎ এক মধ্যরাতে ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়া প্রায় দীর্ঘ ২২ ঘণ্টার কাছাকাছি তাঁকে সেখানে রেখে না কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ তাও জানা যায় নি। তবে তখনই শুনা গিয়েছিল। বাবুল আখতারকে জোর করেই না কি তখন তাঁর পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পদত্যাগপত্রটিতে সই না করলে তাঁকেই তাঁর স্ত্রী মিতু হত্যার নির্দেশদাতা আসামী বলে চিহ্নিত করা হবে এমন কথাও না কি তাঁকে বলা হয়।
 
কী বীভৎস কর্মকাণ্ডই না পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ঐ রাতে সম্পাদন করলেন। এ বিস্ময় আরও বহু বিস্ময়ের জন্ম দিয়ে চলেছে। জানি না কোথায় এই লোমহর্ষক মিতু হত্যা তদন্তের সমাপ্তি ঘটবে।
 
আমাদের বা জনগণের তো ভাবতে আদৌ কোন অসুবিধা হয় না যে ঐ মিতু হত্যাকারীরা জঙ্গি গোষ্ঠী ভুক্ত। তারা তা স্বীকারও করেছিল। তারা ক্ষুব্ধ বাবুল আখতারের উপর জঙ্গিদের ব্যাপক গ্রেফতারের কারণে এবং একের পর এক তাদের গোপন আস্তানার সন্ধান বের করে সেগুলিতেও সকল হানা দেওয়ার কারণে। এটাই স্বাভাবিক।
 
কিন্তু এ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে খোদ পুলিশ কর্মকর্তাদের একাংশ তাদেরই যোগ্য কর্মী অভিজ্ঞ এবং দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতারের উপর ভয়ানক ক্ষুব্ধ। তারাই তাকে গভীর রাতে শ্বশুর বাড়ী থেকে তুলে আনে ডিবি অফিসে এবং একটি তথাকথিত পদত্যাগ পত্রে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে-নানা হুমকির কবলে ফেলে। কেন তাঁরা ক্ষুব্ধ হবেন? তাঁরা কি তবে গোপনে জঙ্গিদের সহযোগি? এ প্রশ্নটি স্বাক্ষর নেওয়ার খবরটি প্রচারিত হওয়ার পর থেকেই মনকে ভারাক্রান্ত করে রেখেছি। প্রথম খবরটি দেখে আরও বেশী আতংকিত হয়েছি এই ভেবে তবে জঙ্গি বিরোধী অভিযান কি শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মুখ দেখতে ব্যর্থ হবে? মুখ থুবড়ে পড়বে কি ঐ অভিযান মাঝপথ এসে?
 
খবরটি বলা হয় যে, বাবুল আখতারের পদত্যাগ পত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। অবশ্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নাকি বলেছেন, এমন কোন পদত্যাগপত্রের কোন খবর তাঁর জানা নেই। সাংবাদিকরা তখন জানতে চান, বাবুল আখতার কি তবে বহাল তবিয়তে চাকুরীতে আছেন. জবাবে মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন, স্ত্রী হত্যার পর থেকে তিনি আর কাজে যোগ দেন নি। শুনেছি, তিনি, নাকি মানসিক ভারসাম্য অনেকটাই হারিয়ে ফেলেছিলেন। তিনি যদি আইন বহির্ভূতভাবে বেশী দিন বিনা ছুটিতে কাজে যোগদান থেকে বিরত থাকেন, তবে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।
 
কিন্তু এখবর তো আগেই জানা গেছে যে, বাবুল আখতার কাজে যোগ দিতে গিয়েছিলেন, জয়েনিং লেটারও দাখিল করেছিলেন-কিন্তু তা গ্রহণ করা হয় নি-তাঁকে কাজে যোগ দিতেও দেওয়া হয় নি। ফলে, স্পষ্টত:ই বুঝা যায় পুলিশ বিভাগ কর্মরত একটি প্রভাবশালী অংশ বাবুল আখতারের বিরুদ্ধে বেশ আগে থেকেই সংগঠিতভাবে সক্রিয়। সাংবাদিকেরা একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করেন, কথিত পদত্যাগ পত্রটি বাবুল আখতার যদি ফেরত চান বা পদত্যাগ পত্রটি গ্রহণ না করে তাঁকে কাজে যোগ দিতে অনুরোধ জানান-সে ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য কি ব্যবস্থা নিতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমান পর্যায়ে যখন পদত্যাগ পত্রটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে যাচ্ছে-পৌঁছানোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ঐ পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে বাবুল আখতারকে অব্যাহতি প্রদান ছাড়া অন্য কিছু করা-অর্থাৎ পদত্যাগ পত্রটি গ্রহণ না করা বা তাঁকে কাজে যোগ দিতে দেওয়ার কোন সুযোগই নেই তেমন কোন নজিরও নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের একটিই মাত্র করণীয়-ঐ পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করে তঁকে অব্যাহতি প্রদান করা। পুলিশ বিভাগে কোনক্রমেই তিনি আর ফিরতে পারছেন না।
 
কী ভয়ানক পরিস্থিতির সম্মুখীন অতএব হতে চলেছেন সদ্য স্ত্রী বিয়োগে শোকাতুর বাবুল আখতার। ভাবতে অবাক লাগে। কেন তিনি খুন করবেন তাঁর স্ত্রী মিতুকে? তার কোন গ্রহণযোগ্য কারণ বাস্তবে দেখা যায় না। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন বিরোধের সামান্যতম অস্তিত্বের খবরও আজতক কোন মহল থেকেই প্রচারিত হয় নি। তিনি ঐ বর্বর হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে থাকছেন।

যদি সত্যিই ঐ খুনে তাঁর সামান্যতম হাতও থাকতো তবে নিশ্চয়ই তিনি শ্বশুর পরিবারে গিয়ে থাকতে চাইতেন না। মিতু হত্যায় তাঁর হাত থাকলে উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড বিরোধ থাকতেই হবে এবং তা যদি থাকতো তবে মিতু নিশ্চয়ই তার মা-বাবাকে জানাতেন। আর সেক্ষেত্রে শ্বশুরই তো বাবুল আখতারকে আসামী বলে চিহ্নিত করে থানায় এজাহার দিতেন। কিন্তু তাঁর শ্বশুর তাতো করেনই নি বরং পরম আদরের সাথে জামাই বাবুল আখতারকে তাঁর বাড়ীতে আশ্রয় দিয়েছেন। শ্বশুর মোশাররফ সাহেব মিতু হত্যার পর থেকে এ যাবত বহুবার সাংবাদিকদের মুখো-মুখি হয়েছেন এবং প্রতিবারই তাঁর জামাই বাবুল আখতারের প্রতি তাঁর গভীর আস্থার মনোভাবই প্রকাশ করেছেন। তিনিও সন্দেহ করছেন পুলিশ বিভাগের কেউ কেউ অহেতুক বা মারাত্মক অসদুদ্দেশ্য নিয়ে বাবুল বিরোধী কাজকর্ম গোপনে চালিয়ে যাচ্ছে।
 
এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ঐ পদত্যাগ পত্র আদৌ গ্রহণ না করে যাঁদের ওপর মিতু হত্যার মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া আছে তাদেরকে বাদ দিয়ে অন্য কোন এজেন্সিকে দিয়ে তদন্তের নির্দেশ প্রদান এবং এযাবৎ যাঁরা তদন্তকাজ চালালেন তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দিতে জরুরী ভিত্তিতে আহ্বান জানাই। ঐ তদন্ত কর্মকর্তারা কোন স্বার্থে বাবুল আখতার বিরোধী ভূমিকা পালন করছেন বা গোপনে তাঁদের সাথে জঙ্গিদের কোন সম্পর্ক আছে কি না তা নিখুঁত ভাবে তদন্ত করে দেখে উপযুক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বাবুলের স্ত্রী হত্যা এবং তার প্রশ্ন বিদ্ধ পুলিশি তদন্ত প্রক্রিয়া জনমনে ব্যাপক সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। করেছে মিতুর শ্বশুরবাড়ী ও বাপের বাড়ীর উভয় পরিবারকেও।

কোনক্রমেই বাবুল আখতারের জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া ভুয়া পদত্যাগপত্রটি যেন গ্রহণ করা না হয় এবং বাবুল আখতারের কাজে যোগদানের পথে প্রতিবন্ধকতার সামান্যতম অস্তিত্বও যেন না থাকে এবং জঙ্গি সহযোগি পুলিশ কর্মকর্তারা যেন পুলিশ বিভাগে না থাকতে পারেন তেমন পদক্ষেপও জরুরী ভিত্তিতে নিয়ে সত্যের পথে দৃশ্যমান একটি ব্যবস্থা অবিলম্বে গ্রহণ করা হোক। মাননীয় যে বীরত্বপূর্ণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের সেই অনুরোধ জানাই। ভূমিকা আমরা দেখেছিলাম তাতে সমগ্র জাতি গর্বিত। যে আত্মত্যাগ তখন পুলিশ বাহিনী করেছিল তা অসাধারণ। আজও সেই ভূমিকা-সেই আত্মত্যাগ জাতিকে অনুপ্রাণিত করে। সেই পুলিশের উত্তরসূরিদের কাছ থেকে দেশবাসী নিশ্চিতভাবেই “দুষ্টের দমন-শিষ্টের পালন” এমন ভূমিকাই আন্তরিকভাবে কামনা করি। কিন্তু বাবুল আখতারের প্রতি সেই পুলিশ বাহিনীর একাংশের যে অনাকাঙ্ক্ষিত ভূমিকা আমরা লক্ষ করছি-তা পুলিশবাহিনীর কলঙ্কিত চেহারাই উন্মোচিত করছে অন্তত: ঐ বাহিনীর একটি অংশের।

একই সাথে বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের একটি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল ভক্তের প্রতি যে নোংরা অবমাননাকর আচরণ করে তখনকার সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সমগ্র দেশবাসীর নিন্দিত হয়েছেন সেই ঘটনার যে রিপোর্ট তখনকার পুলিশ মহামান্য হাইকোর্টে পাঠালেন-হাইকোর্ট পর্যন্ত যে রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এতেই বুঝা যায় পুলিশের ঐ রিপোর্ট কতটা পক্ষপাতদুষ্ট।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্ত করে যে শ্যামল কান্তির প্রতি ঘোরতর অবিচার ও নির্যাতন ঐ জননিন্দিত এম.পি-করেছেন বলে প্রমাণ পেয়ে (ঐ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি সেলিম ওসমানের নেতৃত্বাধীন) বাতিল করে দিয়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে নতুন ম্যানেজিং কমিটি গঠন করলেন, শ্যামল কান্তিকে প্রধান শিক্ষকের পদ থেকে সেলিম ওসমানের নেতৃত্বাধীন কমিটি অপসারণের যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল-তাকেও বাতিল ঘোষণা করে শ্যামল কান্তি ভক্তের চাকুরী অব্যাহত রাখলো-পুলিশ রিপোর্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঐ তদন্ত রিপোর্টের সরাসরি বিরোধী রিপোর্ট হাই কোর্টে দাখিল করতে পিছপাও হয় নি।
 
এই ঘটনাও পুলিশের জনস্বার্থ-বিরোধী ভূমিকাই জাতির সামনে তুলে ধরেছে মাত্র।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কি বিষয়গুলি গভীরভাবে পর্যালোচনা করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে এগিয়ে আসবেন? 

রণেশ মৈত্র, লেখক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক; মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ইমেইল : raneshmaitra@gmail.com

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২৮ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৫ আরিফ রহমান ১৬ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪৭ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৬০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ২৩ এনামুল হক এনাম ২৯ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২৭ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩৫ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১৪ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জাকিয়া সুলতানা মুক্তা জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৭ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ১২ ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৭ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৪ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৮ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১৪০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১৩২ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক ১৩ রণেশ মৈত্র ১৬৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ২৯ রাজেশ পাল ২৪ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩৪ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম আহমেদ শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬

ফেসবুক পেইজ