১৫ আগস্ট, ২০১৯ ১৩:৪৬
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সিলেটের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় লিডিং ইউনিভার্সিটির দক্ষিণ সুরমাস্থ নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এ উপলক্ষে সকাল ১১টায় প্রথমে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ রাগীব আলী, উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী ও ট্রেজারার বনমালী ভৌমিকসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (এডমিশন) মো. কাউসার হাওলাদারের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ রাগীব আলী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্ব পরিবারে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও একই সাথে নিহত তার পরিবারের অন্যান্যদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, “বাংলাদেশের উন্নতিকে বাধাগ্রস্ত করতেই ১৫ আগস্ট বিপথগামী সেনারাসহ দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। এরপরও দেশ আজ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, আর এই উন্নতির রূপকার ছিলেন জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে হলে তার আদর্শ বাস্তবায়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে”
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে এবং দেশের উন্নয়নে সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের আগামী প্রজন্মকে মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে এবং তাদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলতে হবে।”
তিনি শ্রদ্ধা ভরে বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারবর্গকে স্মরণ করেন এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
সভাপতির বক্তব্যে লিডিং ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক, আদর্শিক, মানবিক গুণাবলী রয়েছে তা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়। স্বাধীনতা বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন। তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতি আজ সম্ভাবনাময় আগামীর পথে এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভিশন ২১ এর মাধ্যমে জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে।”
তিনি এ মহান নেতা এবং তার পরিবারবর্গের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
ট্রেজারার বনমালী ভৌমিক বলেন, “হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব পরিবারে হত্যা করে ইতিহাস থেকে তাকে মুছে ফেলা যাবে না। বাঙালি জাতির হৃদয়ের মণিকোঠায় তিনি চির জাগরূক থাকবেন। তার অবদান দেশ ও জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।”
পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রথমে রাগীব-রাবেয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সৈয়দ রাগীব আলী এবং লিডিং ইউনিভার্সিটির পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ রাগীব আলী এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, ট্রেজারার বনমালী ভৌমিকসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
পরে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে একইভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক মো. জিয়াউর রহমান। অনুষ্ঠানে লিডিং ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর মো. রাশেদুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রেজাউল করিম, স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান স্থপতি রাজন দাশ, ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রুমেল এম.এস. রহমান পীরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মন্তব্য